Thursday, 13 October 2016

আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ না হওয়ার এক অসাধারণ সত্য গল্পঃ

By jahangir alambd
আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ না হওয়ার এক অসাধারণ সত্য গল্পঃ
**************************************
পাকিস্তানের একজন বিশ্বখ্যাত চিকিৎসক প্রফেসর ডাঃ ইশান খান। তিনি নিউরো মেডিসিন (মস্তিষ্ক) বিশেষজ্ঞ।মস্তিষ্কের সব জটিল রোগের চিকিৎসায় তার খ্যাতি বিশ্বজোড়া। একবার ডাঃইশান বিমানে চড়ে পাকিস্তানের করাচী থেকে অন্য একটি শহরে যাত্রা করলেন।কিছুদূরে যেতেই বিমান ঝড়ে কবলিত হলো। কোন উপায় না দেখে পাইলট বিমানের জরুরী অবতরন করালেন দূরের ছোট্ট একটি বিমান বন্দরে।বিমান থেকে সব যাত্রীরা নেমে বাহিরে দাঁড়ালো, ডাক্তার ইশানও নামলেন। তিনি
পাইলটকে জিজ্ঞাসা করলেন অন্য কোন ভাবে ঐ শহরে যাওয়া যাবে কিনা। কারন ডাঃ সাহেবের ঐ শহরে যাওয়াটা খুব জরুরী। কোন না কোন ভাবে ডাক্তার ইশান এর জন্য তিন চাকার একটি গাড়ীর ব্যবস্থা করা হলো। ডাক্তার সাহেব গাড়িতে রওয়ানা করলেন মূল সড়কে গিয়ে গাড়ি ধরার জন্য। অচেনা গ্রামের মেঠো পথে আঁকাবাঁকা হয়ে গাড়ী চলছে। তখন গভীর রাত, চারদিকে
বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে, যেনো আকাশের সব মেঘ আজ ধরার বুকে নামার প্রতিক্ষায় প্রহর গুনছে।
নাহ, এ পরিস্থিতে আর এই ভ্যান গাড়ীতে
বসে থাকা সম্ভব নয়। ডাঃ ইশান বড্ড ভয়ও
পাচ্ছেন। দূরে একটা ছোট্ট কুটির দেখা
যাচ্ছে, সেখানে নিভু নিভু আলো জ্বলছে,
ডাঃ ইশান দৌড়ে গেলেন ঘরের দিকে।
একবৃদ্ধা দরজা খুললেন, ডাঃ তাঁর সব ঘটনা
খুলে বললেন এবং রাতে থাকার আশ্রয়
চাইলেন। বৃদ্ধা ডাঃ কে আপ্যায়ন করলেন,ওজু
নামাজের ব্যবস্থা করলেন। নামাজের
বিছানার পাশে দেখলেন একটি অসুস্থ ছোট্ট
শিশু ঘুমিয়ে আছে। ডাঃ সাহেব বৃদ্ধাকে
জিজ্ঞাসা করলেন এই শিশুটি কে এবং তাঁর
কি হয়েছে?
বৃদ্ধা উত্তর করলেন এ শিশুটি আমার নাতি,
তাঁর মা বাবা মারা গেছে। সে খুব অসুস্থ,
তাঁর চিকিৎসা এ দেশে কোন ডাক্তারই
করতে পারছেনা, তবে একজন বিশেষজ্ঞ
পারবেন বলে সবাই পরামর্শ দিচ্ছেন।
আমরা ডাঃ সাহেবের সাথে দেখা করার
জন্য যখন চেষ্টা করলাম তখন তাঁরা আমাদের
৬ মাস পরের সিরিয়াল দিয়ে দেখা করতে
বলেছেন।
আমি প্রতি ওয়াক্ত সালাতের শেষে
আল্লাহর কাছে বলি ওগো দয়াময় এ শিশুটি
এতিম, ও দারুন অসুস্থ, তোমার কুদরতী
তাজাল্লী দিয়ে আমাদের সাহায্য করো।
ডাঃ সাহেবের সাথে আমার দেখা করার
পথ সহজ করো।
প্রসেসর ডাঃ ইশান বললেনঃ মা সে
ডাক্তারের কি নাম?
বৃদ্ধা উত্তর করলেনঃ ডাঃ ইশান
এবার ডাক্তার অঝর ধারায় চোখের পানি
ফেলে কাঁদছেন আর বলছেন “মাগো আমিই ডাক্তার ইশান”
এখন বুঝেছি কেন আমার প্লেন নষ্ট হলো,
কেন এতো ঝড় তুফান নেমে এলো, কেনইবা
আমি এ বাড়িতে আশ্রয় নিলাম।
বৃদ্ধা দুহাত তুলে অতঃপর মহান রবের
সেজদায় চিৎকার করে কাদতে লাগলেন।
বাহিরে অঝর ধারায় বারি প্রবাহিত হচ্ছে,
আর জীর্ণ কুটিরে চোখের পানিতে
নামাজের মুসাল্লা ভিজিয়ে দিচ্ছেন
বিশ্বের সবচেয়ে নামী চিকিৎসক ডাঃ
ইশান।
.
শিক্ষাঃ প্রিয় বন্ধুরা কখনো আল্লাহর ক্ষমতাকে সামান্য ভেবোনা, মনে রেখো আল্লাহর জন্য অসম্ভব বলে কিছুই নেই।" লা তাকনাতু মির রাহমাতিল্লাহ" আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়োনা। —

আসলে ওদের শিক্ষায় ত্রুটি

আসলে ওদের শিক্ষায় ত্রুটি।

তাদের সিলেবাসে মনে হয় এই শিক্ষা নেই যে, রাসুল সা: এমন কিছু কাজ করেছেন, যা আমাদের জন্য সুন্নাত হিসাবে করণীয় নয়, বরং তা শিক্ষণীয়। সুন্নাত নয় বরং তা করা জায়েয মানে পরিবেশ পরিস্থিতিতে করা যায় ।
যেমন : রাসুল সা: ভুলে আসরের নামাজ দুই রাকাত, যোহরের নামাজ ৫রাকাত পড়ে ফেলেছেন।  প্রথম তাশাহুদ না পড়েই দাঁড়িয়ে গেছেন। উনার এই ভুলে যাওয়াটাই আমাদের জন্য কল্যান হয়ে দাড়িয়েছে। তা যদি না হত, তা হলে আমাদের এমন ভুল হয়ে গেলে কি করতে হত?  পুরা নামাজ আবার পড়তে হত। কিন্তু রাসুল সা: ভুলে ২বা৫ রাকাত পড়েছেন তাই আমাদেরকেও মাঝে মাঝে ভুলে গিয়ে ২ বা ৫ রাকাত সুন্নাত মনে করে পড়তে হবে?  না, বরং এমন ভুল হয়ে গেলে তখন রাসুল সা: যা করেছিলেন তা ( সাহু সিজদা) করাটা সুন্নাত হবে। এই সামান্য বুঝটুকু অনেক সনদদারি আলেমের মধ্যে পাওয়া যায় না। যেমন তারা বলে : আহলে হাদীসরা হাদিসের অনুসরনের দাবীদার কিন্তু তারা অনেক হাদিস মানেনা।
যেমন : হাদিসে আছে রাসুল সা: ১১টি বিয়ে করেছিলেন,  তারা তা করেনা।
আমরা বলব:  তাদের মধ্যে এই শিক্ষা নেই যে, কিছু কিছু বিষয় আছে তা নবী রাসুলদের জন্য খাস। নবী করেছেন ১১টি। আল্লাহ তা করার অনুমতি নবীকে দিয়েছেন। আর এই নবীর মাধ্যমে আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন যে,  ৪টার বেশী বিয়ে করা যাবে না। তাই আমরা করিনা।
 এই সাধারন জ্ঞানটুকু তাদের সিলেবাসে নেই।
 তারা বলে হাদিসে আছে, রাসুল সা: দাঁড়িয়ে পেসাব করেছেন।  আহলে হাদিসরা সেই হাদিসের উপর আমল করেনা। রাসুল সা: যে পরিবেশ বা পরিস্থিতির শিকার হয়ে দাঁড়িয়ে পেশাব করেছিলেন,  এখনো যদি কেউ সেই পরিবেশ ও পরিস্থিতির সম্মুখীন হয় তা হলে করা যাবে এটাই হল নবীর শিক্ষা। এখন যারা বলবে দাঁড়িয়ে পেসাব করা কবিরাহ গোনাহ। তা হলে আমরা  বলব নবী সা: কি জানতেন না, যে, দাঁড়িয়ে পেসাব করা কবিরহ গোনাহ?  তাহলে তিনি কি জেনেশুনে কবিরাহ গোনাহ করেছেন?  নাকি সেই গোনার কথা উনার জানা ছিলনা ? আমরা বলব : এটা সুন্নাত নয় বরং শিক্ষা। পরিবেশ পরিস্থিতে করা যায়। তবে পররিবেশ সৃষ্টি করে সবসময় করা যাবেনা।
-------------------------------------------------
comment..
মনে কিছু নিবেননা জানার জন্য প্রশ্ন,
আপনি শেষ লাইনে লিখেছেন সব সময় দাঁড়িয়ে পেশাব করা যাবেনা,
আমার প্রশ্ন সব সময় দাঁড়িয়ে পেশাব করা যাবেনা এই মর্মে রাসুল সাঃ থেকে কোন নিষেধাজ্ঞা আছে কি???
M.link.. https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=975523092594359&id=100004100327787
By jahanger alambd

মিডিয়ার প্রায় সবটাই বস্তুবাদী/নাস্তিকদের দখলে।


..
ছোটবেলায় শুনেছিলাম, একটা গ্লাস পানি দ্বারা অর্ধেক পূর্ণ থাকলে একে দুইভাবে ব্যাখ্যা করা যায়ঃ
১।গ্লাসটি অর্ধেক পূর্ণ।
২।গ্লাসটি অর্ধেক খালি।
কিন্তু এখন দেখছি এ ব্যাখ্যা আরও একভাবে করা যায়!! সেটা হচ্ছে নাস্তিকীয় ব্যাখ্যা, অর্থাৎ গ্লাসটি যে অর্ধেক খালি তা এমনভাবে প্রচার করা যেন মানুষ মনে করে পুরাটাই খালি!
অনেকেই মনে করছেন এ কেমন কথা হলো? তাহলে চলুন একটা উদাহারণ দেখিঃ
উদাহারণ:
"আর এ কথাও জেনে রাখ যে, কোন বস্তু-সামগ্রীর মধ্য থেকে যা কিছু তোমরা গনীমত হিসাবে পাবে, তার এক পঞ্চমাংশ হল আল্লাহর জন্য, রসূলের জন্য, তাঁর নিকটাত্নীয়-স্বজনের জন্য এবং এতীম-অসহায় ও মুসাফিরদের জন্য; যদি তোমাদের বিশ্বাস থাকে আল্লাহর উপর এবং সে বিষয়ের উপর যা আমি আমার বান্দার প্রতি অবতীর্ণ করেছি ফয়সালার দিনে, যেদিন সম্মুখীন হয়ে যায় উভয় সেনাদল। আর আল্লাহ সব কিছুর উপরই ক্ষমতাশীল।”[আল কুরআন-৮:৪১]
★নাস্তিকীয় ব্যাখ্যাঃ উপরোক্ত আয়াতটি লক্ষ্য করুন। আল্লাহর জন্যেও গনীমতের মাল? আল্লাহ নিজেও কি গণীমনের মাল নেয়? কিভাবে? তার কাছে কিভাবে পাঠানো হয়? আল্লাহর কাছে পাঠানোর সিস্টেম যেহেতু কারও জানা নেই, তাই সে দায়িত্ব মুহাম্মদকেই দিয়ে দেয়া হোক, সেই পাঠানোর ব্যবস্থা করবে। আর, মুহাম্মদের আত্মীয়ের ভাগও তার কাছেই যাবে। এতীম অসহায়দের অংশটুকুও মুহাম্মদের কাছেই থাকুক আপাতত। হেহে... মুহাম্মদের চালাকি দেখুন... আল্লাহ, তার আত্মীয়, এতিম, মুসাফির (মুসাফির কি প্রতিদিনই এসে বসে থাকতো?) এদের নাম লিখে লিস্ট বড় করে পুরো গণিমনের মালের ২০ শতাংশ হাতিয়ে নিয়েছেন মুহাম্মদ। আরেকটা বিষয় লক্ষ্য করুন, অন্য কোন মুমিনের আত্মীয়ের জন্যে কিছু বরাদ্দ দেয়া হলো না, কিন্তু মুহাম্মদের আত্মীয়ের কথা বলে স্পেশাল ভাগ নিতেন মুহাম্মদ!
★বাস্তবতাঃ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) পঞ্চমাংশ হতে খুবই যৎসামান্য একটা অংশ নিজের জন্য নিতেন যা জীবন ধারনের জন্য অপরিহার্য। বাকীটুকু তিনি জিহাদের
(আল্লাাহর অংশ মানে আল্লাহর রাস্তায় খরচ করা) জন্য খরচ করতেন এবং অন্যান্য গরীব সাহাবীদেরকে বন্টন করে দিতেন। (বিস্তারিত দেখে নিন তাফসির ইবনে কাছীরে উক্ত আয়াতের তাফসিরে)।
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর চরিত্র এত উচু মানের ছিল যে, তখনকার কাফেররা পর্যন্ত তাকে বিশ্বাস করতো।
যাহোক, রাসুলুল্লাহ সাঃ ও তাঁর পরিবারের আর্থিক অবস্থা কেমন ছিল দেখে নিন সহীহ হাদীছে-
"রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার পরিবার এই দুনিয়া ছেড়ে যাওয়ার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত কখনো এক নাগাড়ে তিনদিন পেট ভরে গমের রুটি খেতে পাননি।"
সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৩৪৩), বুখারী, মুসলিম।
আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি সহীহ হাসান এবং উক্ত সূত্রে
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
★★ আসল কথা হচ্ছে যাকে দেখতে পারি না তার চলন বাকা'। নাস্তিকগণ কখনও কোন বিষয় নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে কথা বলে না।বিজ্ঞানের প্রতিষ্টিত সত্য কখনও কুরআনের বিরুদ্ধে যাবে না, তবে থিওরি যেতে পারে। যেসব থিওরি কুরআনের সাথে সাংঘর্ষিক সেগুলো কিছু অতীত ভূল প্রমাণিত হয়েছে এবং ভবিষ্যতে বাকীগুলোও বিজ্ঞানীদের দ্বারাই ভূল প্রমাণিত হবে।
তবে আসল সমস্যা হচ্ছে, মিডিয়ার প্রায় সবটাই বস্তুবাদী/নাস্তিকদের দখলে। এই সুযোগে তাদের মিথ্যা তত্ত্ব ও কুযুক্তিগুলো প্রচার পাচ্ছে। আর সাধারণ মানুষ সঠিক জ্ঞান না থাকার কারণে এই ভূল জ্ঞানটাই আত্মস্থ করছে।
তবে নািস্তকরা যতই চক্রান্ত করুক ইসলাম পৃথিবীতে ঠিকে আছে এবং কিয়ামতের পূর্ব পর্যন্ত থাকবে ইনশা আল্লাহ।
يُرِيدُونَ لِيُطْفِؤُوا نُورَ اللَّهِ بِأَفْوَاهِهِمْ وَاللَّهُ مُتِمُّ نُورِهِ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُونَ
08
তারা মুখের ফুঁৎকারে আল্লাহর আলো নিভিয়ে দিতে চায়। আল্লাহ তাঁর আলোকে পূর্ণরূপে বিকশিত করবেন যদিও কাফেররা তা অপছন্দ করে। (আল কুরআন ৬১:৮)