Saturday, 21 May 2016

চবে বৰাত-বিদআত

সাধাৰণতে মানুহে ইছলামিক কিবা দেখিলেই আতৰি যায়, ততাপিওঁ মই মোৰ নিজ দায়িত্ব পালন কৰিলোঁ ,
I
চবে বৰাত আহিছে ।বহুতে আকৌ পবিত্ৰ চবে বৰাত বুলি কয় । জানি ৰাখা ভাল হব যে বিদআত কেতিয়াও পবিত্র হব নোৱাৰে , বিদআত সকলো সময়তেই নিকৃষ্ট(চাওয়াবৰ উদ্দেশ্য এনে কোনো আমল কৰা , যি ৰাছুল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে বা চাহাবাসকলে কৰা নাই)। যিয়েই নহওঁক যদি আপুনি চবেবৰাত পালন কৰা তেনেহলে আপুনি এইটো জানি ৰাখা ভাল হব যে আপুনি মোহাম্মদ (ছা:) ক আল্লাহ্‌ৰ ৰাছুল হিচাপে মানি লব পৰা নাই কাৰণ আল্লাহে তাৰ ৰাছুল ( ছা:) ৰ মাধ্যমেৰে দ্বীনক পৰিপূর্ণ ঘোষনা কৰি দিছে (ছূৰা মায়ীদাহ ৫/৩) আৰু ৰাছুল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে কৈছে “ যি ব্যাক্তিয়ে শ্বৰিয়তৰ মাজত এনে কোনো কাম বা আমল কৰিলে যিটো মোৰ দ্বাৰা নির্দেশিত নহয় সেইটো প্রত্যাখ্যিত । (মুছলিম/১৭১৮) ৰাছুল বা চাহাবাসকলে এনে ধৰণৰ কোনো ৰাতি পালন কৰা নাই । আল্লাহে আৰু কৈছে “ যিয়ে ৰাছুল ( ছা:) ক অমান্য কৰিব সি স্পষ্টভাৱে পথভ্রষ্ট হব”( ছূৰা আহযাব ৩৩/৩৬) বহু চহিহ হাদিছ আৰু কোৰআন ৰ আয়াতৰ দ্বাৰা প্রমানিত যে এই বিলাক নতুন আবিষ্কাৰ /বিদআত। প্রসিদ্ধ ইমাম আৰু মুজতাহিদ সকলেও এইবিলাকৰ অনুমতি দিয়া নাই , বৰঞ্চ ঘিন কৰিছিল ।
কিন্তু, সকলোৱে কয় , ইমান লোকে কৰিছে , অলি আউলিয়াসকলে কৰিছে , বাপ দাদাই কৰিছে এইবিলাক অজুহাত দেখুৱাই আহিছে , আৰু আল্লাহে কৈছে
১) তোমালোকে অনুসৰণ কৰা যিটো তোমাৰ প্রতিপালকৰ পক্ষৰ পৰা অবতীর্ণ কৰা হৈছে তাৰ বাহিৰে কোনো অলি আউলিয়াৰ অনুসৰণ নকৰিবা ” ( ছূৰা আৰাফ ৭/৩)
২) সিহঁতে কয় কেতিয়াও নহয় আমালোকে আমালোকৰ বাপ দাদাসকলক দেখিছোঁ ” ( ছূৰা বাকাৰা ২/১৭০)
৩) আপুনি যদি অধিকাংশ লোকৰ কথা মানি লয় সিহঁতে আপোনাক আল্লাহ্‌ৰ পথৰ পৰা গোমৰাহ ( পথভ্ৰস্ট ) কৰি দিব" ( ছূৰা আনআম ৬/১১৬) অধিকাংশ লোকেই আন্দাজ অনুমানৰ ওপৰত ভিত্তি কৰি চলে ( ছূৰা ইউনুচ ১০/৩৬)
I
আপুনি কৈছে আৰে বাপৰে ......... মচজিদৰ ইমামে কি কম জানে নেকি ?
আপোনাক কওঁ আপোনাৰ মচজিদৰ ইমামে প্রত্যেক জুম্মাৰ খুৎবাত আপোনাক হাদিছ শুনায় “প্রত্যেক বিদআতেই হৈছে পথভ্ৰস্টতা , আৰু সকলো পথভ্ৰস্টতাই মানুহক জাহান্নামত নিক্ষেপ কৰে " বুজিবা কেনেকৈ হুজুৰে যে আৰবীত কৈছে ( কুল্লা বিদাতিন দলালা, ওয়া কুল্লা দলালিন নাৰ ) তাৰ পিছত কোনোমতে ২ ৰাকাত পঢ়ি হুজুৰ নিজেই বহি গৈছে জেলেবি ৰ পেকেট লৈ , আৰু চিঞৰি চিঞৰি পঢ়িছে ‘ইয়া নাবি ছালামুয়ালাইকা’ আপোনাৰ হুজুৰেওঁ বুজা নাই হাদিছ , আপুনি নুবুজিলে কাৰ কি??
I
মূল হাদিছ হৈছে " মোৰ পিছত তোমালোকৰ মাজত যিসকল জীবিত থাকিবা , সেইসকলে অলপ কিছু দিনৰ ভিতৰতেই
অনেক মতবিৰোধ দেখিবলৈ পাবা । তেতিয়া তোমালোকে মোৰ চুন্নাতক আৰু
সৎপথ প্রাপ্ত খুলাফায়ে ৰাশ্বীদীনৰ চুন্নাতক শক্তভাৱে খামুচি ধৰি ৰাখিবা ।
আৰু তাৰপিছত সাবধান তোমালোকে দ্বীনেৰ ক্ষেত্ৰত কিতাব আৰু চুন্নাতৰ বাহিৰে নতুন কথা
আৰু কামৰ পৰা বাচি থাকিবা বা আতৰি থাকিবা । কিয়নো প্রত্যেক নতুন কথা/কাম বিদ‘আত আৰু প্রত্যেক বিদ‘আতই
পথভ্রষ্টতা’ (আবু দাউদ, মিচকাত হা/১৫৮)।
I
এতিয়া আপুনি চবেবৰাতক বিদ'আত বুলি জানিলে আৰু তাৰ পিছত কি কৰিব লাগে আপুনি অলপ চিন্তা কৰি নিজেই নিৰ্ধাৰণ কৰক । মনত ৰাখিব বিদ'আত কৰিলে অৰ্থাৎ চবেবৰাত পালন কৰিলে আপুনি ৰাছুল (ছা:) চহিহ হাদিছ মতে জাহান্নামলৈ গতি কৰিব এইটো খাটাং ।
কিছুমানে আকৌ কয় চবেবৰাত ত ছালাত (নামাজ) ছিয়াম (ৰোজা ) এইবিলাক ইবাদত বেছি কৰিলে কি অসুবিধা ?? বেয় নেকি ! নেকীৰ কাম হয় ।
আপোনাক কব খোজো আপুনি ৰাছুল (ছা:) ৰ তৰিকা ৰ বাহিৰত গৈ বেছি ইবাদত কৰিলে সেইটো গ্ৰহণ নহৈ বাতিল হব । উদাহৰণ স্বৰূপে ছালাত আদায় কৰা ফৰজ হোৱাৰ লগতে ভাল কাম সেই ছালাত ৰাছুল (ছা:) ৰ পদ্ধতিত হব লাগিব নহলে বাতিল হব যেনে ফজৰৰ ছালাত ৰ ফৰজ দুই ৰাকাত কিন্তু আমি বেছি নেকীৰ উদ্দেশ্যে চাৰি বা পাচ ৰাকাত পঢ়িব পাৰিম নেকি ? নিশ্চয় নোৱাৰি আৰু কোনোবাই জানি বুজি দুই ৰাকাততকৈ বেছি পঢ়িলে সেই ছালাত বাতিল বুলি গণ্য হব । গতিকে আপুনি বেছি ইবাদত কৰিবলৈ গৈ যাতে বিদ'আত কৰি আপোনাৰ সৰ্বনাশ কৰি নিদিয়ে তাৰ বাবে আপুনি সতৰ্ক হওঁক । কাৰণ বিদ'আতীৰ কোনো আমল কবুল , সকলো বিদ'আত পথভ্ৰস্টতা আৰু সকলো পথভ্ৰস্টতাৰ একমাত্ৰ পৰিণাম হৈছে জাহান্নাম । ( ৰাছুল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ চহিহ হাদিছ� )
আল্লাহে আমালোকক কোৰআন আৰু ৰাছুল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ চহিহ চুন্নাহ অনুযায়ী জীবন পৰিচালনাৰ তৌফিক দান কৰক আৰু আমলৰ নামত নিকৃষ্ট বিদআত ৰ পৰা বাচি থকাৰ জ্ঞান দান কৰক (আমীন)

Wednesday, 18 May 2016

নামাজে বুকের উপর হাত বাধা হল সুন্নাহ : নাভির নীচে হাত বাঁধা যঈফ , দলীল গ্রহণযোগ্য নয়


নামাজে বুকের উপর হাত বাধা হল সুন্নাহ

নামাজে বুকের উপর হাত বাধা হল সুন্নাহ।নাভীর নিচে হাত বাধার হাদীস গুলো সব জইফ।বুকের উপর হাত বাধা হল সুন্নাত তা হাদীস থেকে প্রমান করছি:বুকের উপর হাত বাধা হাদীস বর্নিত হয়েছে যথাক্রমে ওয়াইল ইবনে হুজর,হালব আত-তায়ী এবং তাউস থেকে।কিছু মানুষ হয়তো প্রশ্ন তুলতে পারে ওয়াইল ইবনে হুজরের বুকের উপর হাত বাধা নিয়ে যা শুধু মুয়াম্মল থেকে বর্নিত হয়েছে এবং হালব আত-তায়ী যা শুধু সুফিয়ান থেকে বর্নিত হয়েছে।কিন্তুু উভয় হাদীস একে অপরের সহায়ক হওয়ায় হাসান হয়ে গেছে এবং মুরসাল হাদীস ততক্ষণ পযন্ত বাতিল হয়না যদি এর শাহেদ থাকে।কিন্তুু আমরা দেখি এই ক্ষেত্রে যথেষ্ট শাহিদ আছে যা এই হাদীস গুলো সহিহ হয়ে যায়।এবং কি মুহাদ্দিসরা হালবের হাদীসটা গ্রহণ করেছে।শেইখ আবদুর রাহমান মুবারকপুরী(রাহ) এই হাদীসের সনদ সহিহ হওয়ার বিশুদ্ধত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন তার বিক্ষ্যত বই "আবকার উল-মুনান ফি তানকীদ আতাহার আস - সুন্নাহ "।আরো প্রমাণ দেখুন বুকে হাত বাধার:1)সাহিল বিন সাদ বলেন,আমরা নির্দেশিত হয়েছি নামাজে ডান হাত বাম হাতের জেরার উপর রাখার(সহিহ বুখারী 740 নং হাদীস)।যেরা অর্থ কনুই থেকে মধ্যমা আঙ্গুলের অগ্রভাগ পর্যন্ত দীর্ঘ হাত’ (গরীব উল-হাদীস 1/277,লিসান উল-আরব 8/93,তাজ উল-উরস 1/5217,কিতাবুল আইন 2/96,আল-মু'জাম আল-ওয়াসিয়াত 1/311,তাহদীব আল-লুগাহ 2/189,কিতাব আল-কুলিয়াত 1/730) এই হাদীসটা মারফু বর্ননাকারী হলেন আবু হাজিম।এই কারণে হাফিজ ইবনে হাজার আসকালানি তার ফাতউল বারীর 2/124 পেইজে এবং আল্লামা আইনী তার উমদাতুল কারীর 5/278 পেইজে বলেন,এই বর্ননা মারফু এবং এই হাদীস হল প্রমাণ বুকে হাত বাধার কারণ যখন বাম হাতের বাহু এবং কনুইর উপর ডান হাত রাখা হয় তখন হাত বুকের নিচে আসার সমর্থ হবেনা।প্রিয় পাঠক,এই পদ্ধতি আপনি পরীক্ষা করেন আল্লাহর ইচ্ছায় হাত বুকে এসে যাবে।
2)ওয়াইল বিন হুজর থেকে বর্নিত,রাসুল(সা) বাম হাতের তালু,কব্জি এবং বাহুর উপর ডান হাত রাখতেন(সুনান আবু দাউদ 727 নং হাদীস,সুনান আল সুগরাহ লিল নাসাঈ 889,মুসনাদ আহমদ 22017,ইবনে হিব্বান 1860,ইবন খুজায়মাহ 480 নং হাদীস,সনদ সহিহ) এই হাদীস অনুসারে যদি ডান হাত দিয়ে পুরো অংশ ধরা হয় তাহলে হাত এমনিতে বুকের উপর উঠে যাবে।যুগ শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস ইমাম নাসিরউদ্দিন আলবানী(রাহ:)বলেন,এই হাদীসের বর্ননাক্রিত অবস্থার ফলে হাত বুকে আসে(হিদায়াতুর
রুওয়াত 1/367)।এই হাদীসের সাথে ওয়াইলের অন্য হাদীস যেখানে বলা আছে হাত বুকে বাধার"এই থেকে পরিস্কার হয় যে হাত বুকে বাধতে হবে।
3)আলী(রাদি:)থেকে বর্নিত,রাসুল(সা) নাবীর উপরে(বুকের কাছে) হাত বাধতেন(আবু দাউদ 757)
4)তাউস থেকে বর্নিত,রাসুল(সা) বুকের উপর হাত বাধতেন(আবু দাউদ 759 নং হাদীস সনদ সহিহ)
5)ওয়াইল ইবন হুজর বর্ননা করেন অন্য সনদে,রাসুল(সা) বুকের উপর হাত বাধতেন(সুনান আল বায়হাকী 2166 সনদ জইফ)
6)ওয়াইল বিন হুজর থেকে আবার বর্নিত অন্য সনদে যা সুফীয়ান বর্ননা করেছে আসিম বিন কুলায়ব(সিমাকের পরিবর্তে)যে রাসুল(সা) হাত বুকে রাখতেন(বায়হাকী 2384)
7)ইবনে আব্বাস(রাদি)থেকে বর্নিত যে রাসুল(সা) যখন আল্লাহর আয়াত " "Fasallili Rabbika Wanhar"এর ব্যাখ্যায় বলেন,এর মানে হল বাম হাতের উপর ডান হাত বুকের উপর রাখা(সুনান বায়হাকী 2168,2387 সনদ জইফ)
8)একই রেয়াআতে আলী(রাদি:)থেকে ও হাদীসটা বর্নিত হয়েছে(সুনান বায়হাকী 2167 সনদ জইফ)
9)আনাস(রাদি:)থেকে ও একই রেয়াআতে বর্নিত হয়েছে(সুনান বায়হাকী 2386 সনদ জইফ)
10)ওয়াইল বিন হুজর থেকে বর্নিত অন্য হাদীসে বলা হয়েছে রাসুল(সা) বুকে হাত বাধত(মুজাম আল কাবীর 17969 সনদ জইফ)
11)ওয়াইল ইবন হুজর থেকে বর্নিত তিনি বলেন,আমি রাসুল(সা)কে দেখলাম,তিনি নামাজে প্রবেশ করলেন বললেন আল্লাহু আকবর,তারপর ডান বাহু তার বাহুর উপর রাখলেন(মুজাম আল কাবীরা 17901 হাদীস সহিহ)পুরো বাহু অন্য বাহুতে রাখলে হাত বুকের নিচে নামবেনা।
12)ওয়াইল থেকে বর্নিত রাসুল(সা) বুকের কাছে হাত বাধতেন(মুসনাদ আল বাযযার 4488 নং হাদীস)
13)আয়েশা(রাদি:) বর্নিত,রাসুল(সা)এর তিনটা সুন্নাত হল:1)ইফতারের জন্য দ্রুত করা 2)দেরিতে সেহেরি খাওয়া 3) বাম হাতের উপর ডান হাত রেখে বুকে হাত বাধা(আল আওসাত 1239)
এখন,উপরে বর্নিত কিছু হাদীস সনদের কারণে দুর্বল মনে হলেও সে গুলো হাসান লিগাহরিহ হয়না "জইফ+জইফ =হাসান।আল সিন্দী আল হানাফী তার হাশিয়াত ইবনে মাজাহাতে বলেন,এটা প্রমাণিত যে হাত বুকে বাধতে হবে অন্য কোথাও নয় এবং আলেমরা এই বিষয়ে একমত যে নাভীর নিচে হাত বাধা হাদীস জইফ।বিখ্যাত মুহাদ্দিস ও ফকিহ ইমাম ইসহাক বিন রাহয়াই(রাহ) সিনায় হাত বাধতেন অথবা সিনার একটু নিচে হাত বাধতেন(মা'সাইল পেইজ 222) অথচ এক মিথ্যাবাদী বলল ইসহাক বিন রাহয়াই(রাহ) নাকি নাভীর নিচের হাদীস কে শক্তিশালী বলেছে!! আমি বলি তাহলে ইসহাক বিন রাহুয়াই(রাহ)কেন সিনায় হাত বেঁধেছেন?কাদী লিয়াদ আল মালেকী বলেন,হাত বুকে বাধতে হবে(আল ইলাম পেইজ 15)। ওয়ায়েল বিন হুজ্র (রাঃ) বলেন,

صَلَّيْتُ مَعَ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَوَضَعَ يَدَهُ الْيُمْنَى عَلَى يَدِهِ الْيُسْرَى عَلَى صَدْرِهِ، رواه ابْنُ خُزَيْمَةَ وَصَحَّحَهُ ‘আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সাথে ছালাত আদায় করলাম। এমতাবস্থায় দেখলাম যে, তিনি বাম হাতের উপরে ডান হাত স্বীয় বুকের উপর রাখলেন’। ( ছহীহ ইবনু খুযায়মা হা/৪৭৯; আবুদাঊদ হা/৭৫৫, ইবনু মাস‘ঊদ হ’তে; ঐ, হা/৭৫৯, ত্বাঊস বিন কায়সান হ’তে; ‘ছালাত’ অধ্যায়-২, ‘ছালাতে বাম হাতের উপর ডান হাত রাখা’ অনুচ্ছেদ-১২০।)

উপরোক্ত ছহীহ হাদীছ সমূহে ‘বুকের উপরে হাত বাঁধা’ সম্পর্কে স্পষ্ট বক্তব্য এসেছে। ইমাম শাওকানী বলেন, وَلاَ شَيْءَ فِي الْبَابِ أَصَحُّ مِنْ حَدِيْثِ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ الْمَذْكُوْرِ فِيْ صَحِيْحِ ابْنِ خُزَيْمَةَ- ‘হাত বাঁধা বিষয়ে ছহীহ ইবনু খুযায়মাতে ওয়ায়েল বিন হুজ্র (রাঃ) বর্ণিত হাদীছের চাইতে বিশুদ্ধতম কোন হাদীছ আর নেই’( নায়লুল আওত্বার ৩/২৫) উল্লেখ্য যে, বাম হাতের উপরে ডান হাত রাখা সম্পর্কে ১৮ জন ছাহাবী ও ২ জন তাবেঈ থেকে মোট ২০টি হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। ইবনু আব্দিল বার্র বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) থেকে এর বিপরীত কিছুই বর্ণিত হয়নি এবং এটাই জমহূর ছাহাবা ও তাবেঈনের অনুসৃত পদ্ধতি( নায়লুল আওত্বার ৩/২২; ফিক্বহুস সুন্নাহ (কায়রো : ১৪১২/১৯৯২) ১/১০৯) নাভির নীচে হাত বাঁধা’ সম্পর্কে আহমাদ, আবুদাঊদ, মুছান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ প্রভৃতি হাদীছ গ্রন্থে চারজন ছাহাবী ও দু’জন তাবেঈ থেকে যে চারটি হাদীছ ও দু’টি ‘আছার’ বর্ণিত হয়েছে, সেগুলি সম্পর্কে মুহাদ্দেছীনের বক্তব্য হ’ল-لاَ يَصْلُحُ وَاحِدٌ مِنْهَا لِلْاِسْتِدْلاَلِ ‘(যঈফ হওয়ার কারণে) এগুলির একটিও দলীল হিসাবে গ্রহণযোগ্য নয়’( মির‘আতুল মাফাতীহ দিল্লী: ৪র্থ সংস্করণ, ১৪১৫/১৯৯৫) ৩/৬৩; তুহফাতুল আহওয়াযী ২/৮৯ )

প্রকাশ থাকে যে, ছালাতে দাঁড়িয়ে মেয়েদের জন্য বুকে হাত ও পুরুষের জন্য নাভীর নীচে হাত বাঁধার যে রেওয়াজ চালু আছে, হাদীছে বা আছারে এর কোন প্রমাণ নেই( মির‘আত লাহোর ১ম সংস্করণ, ১৩৮০/১৯৬১) ১/৫৫৮; ঐ, ৩/৬৩; তুহফা ২/৮৩ ) এটাই স্বতঃসিদ্ধ যে, ছালাতের মধ্যকার ফরয ও সুন্নাত সমূহ মুসলিম নারী ও পুরুষ সকলে একই নিয়মে আদায় করবে( মির‘আত ৩/৫৯ পৃঃ; ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/১০৯; নায়লুল আওত্বার ৩/১৯) বুকে হাত বাঁধার তাৎপর্য : ত্বীবী বলেন, ‘হৃৎপিন্ডের উপরে বুকে হাত বাঁধার মধ্যে হুঁশিয়ারী রয়েছে এ বিষয়ে যে, বান্দা তার মহা পরাক্রান্ত মালিকের সম্মুখে দাঁড়িয়েছে হাতের উপর হাত রেখে মাথা নিচু করে পূর্ণ আদব ও আনুগত্য সহকারে, যা কোনভাবেই ক্ষুণ্ণ করা যাবে না’( মির‘আত ৩/৫৯ পৃঃ, হা/৮০৪-এর আলোচনা দ্রষ্টব্য)।

Ehsanul Karim published a note.

Monday, 2 May 2016

[7th to End parts][৭]সংকল্পঃ-চৈয়দ চ’গুড ইছলাম

[7th to End parts]
--------------------
• [৭]সংকল্পঃ-চৈয়দ চ’গুড ইছলাম(১৬/০৮/২০১৫)
++++++++++++++++++++++++++
---কোনোৱে ইচ্ছা অনুযায়ী ৱক্তিয়া নামাজ সমূহক স্থানিয় মত আৰু সুবিধা অনুসৰি ভাগ কৰি ল’ব নোৱাৰে। মানে ফজৰ দুই ৰাকাতৰ বদলি এক বা তিনি ৰাকাত, জহুৰক চাৰি ৰাকাতৰ বদলি তিনি বা বেছি চাবাব পোৱাৰ আশাত ছয় বা বাৰ ৰাকাত পঢ়িব নোৱাৰে। ---থিক সেইদৰে জুম্মাৰ দুই খুতবাৰ ঠাইত তিনি খুতবা কৰিব নোৱাৰে। জুম্মাৰ আগত দুই ৰাকাত দুখলুল মছজিদ নামাজ পঢ়াটো অত্যন্ত জৰুৰী চুন্নত। সময় থাকিলে মনে মনে যিকিৰ অথবা নফল এবাদত কৰিব পাৰে। সেইবুলি ইমামে কোনো বয়ান/ৱাজ কৰিব নোৱাৰে। যদি কৰে ই খুতবাৰ অন্তভুক্ত হ’ব। কাৰণ নিয়ম অনুসৰি খুতবা বা ভাষণ স্থানিয় ভাষাত হ’ব লাগে। খুতবাৰ বাহিৰত স্থানিয় ভাষাত বয়ান/ৱাজ কৰিলে তিনি খুতবা হ’ব। যিটো উল্লেখিত উল্টা-পুল্টা নামাজৰ ৰাকাতৰ দৰে হ’ব।
আগলৈ-in sha Allah
• -----------------------------------------------------
• Comments:-
• Ikramul Hussain =সেই উল্টা পুল্টাকে চিধা দেখুৱাই তথাকথিত হানফী ইমাম সকলে সাধাৰণ মুচলিম মানুহক গুমৰাহ বনোৱা নাই নে ? তিনি খোতবা বা ভাষণৰ হদীচ কত পালে সেয়া কিন্তু কেতিয়াও দেখুৱাব নোৱাৰে ।
• Ikramul Hussain ভালকৈ লক্ষ্য কৰিলে দেখা যায় জুম্মাৰ চালাতক বৰ্তমান সময়ত চহীহ ত্বৰীকাৰ পৰা বিধ্বস্ত কৰি পেলালে - খোতবাৰ আগত নিৰ্দিষ্ট কৰি ৰখা চাৰি ৰাকাত কাবলীল জুম্মাৰ চালাত, খোতবাৰ আজান মিম্বৰৰ সন্মুখত দিয়া, লাখুটি নোলোৱাকৈ খোতবা দিয়া, মাতৃ ভাষাত খোতবা প্ৰদান নকৰা, দুই ৰাকাত ফৰজ চালাতৰ পিছত উচ্চ স্বৰে জিকিৰ নকৰি সমুহীয়া মোনাজাত কৰা, ফৰজ চালাতৰ পিছত নিৰ্দিষ্ট কৰি ৰখা ৮ বা ১০ ৰাকাত চালাত পঢ়া আদি স্বৰ্ণ যুগৰ জুম্মাৰ চালাতৰ সতে একে হয় জানো ? যদি নহয়, এয়া নতুন সংযোজন নহয় জানো আৰু প্ৰতিটো নতুন সংযোজন বিদাত আৰু মানুহক গুমৰাহিলৈ লৈ যায় । বিদাত মিশ্ৰিত ইবাদত যে গৃহীত নহয় সেয়া আমি কিমানে গুৰুত্ব দিওঁ ?
• Sogood Islam Syeds =Ikramul Hussain চাহাব। আপোনি কৈছে ----মানুহক গুমৰাহিলৈ লৈ যায়। আচলতে এই গুমৰাহিৰ persentage দৈনিক বাঢ়িগৈ আছে। ইয়াৰ মাজত গুণী-জ্ঞানী লোক সকলো আছে। তেওঁলোকে আচল কথাবোৰ বুজে। কিন্তু কার্য্যকৰণৰ ক্ষেত্রত নিজ ই'গই বাধা দিয়ে। তেওঁলোকে আল্লাহতকৈ সমাজক ভয় কৰে।
• ------------------------------------------------------------------
• [৮]সংকল্পঃ-চৈয়দ চ’গুড ইছলাম(১৬/০৮/২০১৫)
++++++++++++++++++++++++++
---তাক্কৱা কি? ৰফিকুল ইছলাম মাদানি চাহাবে চমুকৈ ইয়াৰ বিষয়ে ধুনিয়াকৈ স্থানিয় ভাষাত কৈছিল। আন নহলেওঁ ইয়াৰ প্রয়োজনীয়াতাৰ বিষয়ে সাধাৰণ মানুহেওঁ এটা ধাৰণা কৰিব পাৰিছিল। আমিওঁ ইয়াৰ বিষয়ে কিছু জানিছিলো। কিন্তু গুৰুত্ব দিয়া নাছিলো। ঘৰলৈ আহি তাক্কৱাৰ বিষয়ে বহুখিনি জানিলো।
---সাধাৰণভাবে তাক্কৱাৰ অর্থ হ’ল আল্লাহ তা’লাৰ প্রতি ভয়। হাৰাম বস্তু কিম্বা কামৰ পৰা নিজকে আতঁৰাই ৰাখি ইছলামৰ বিধি অনুসৰি তাৰ আনুগত্য স্বীকাৰ কৰা। তাক্কৱাৰ বিষয়ে কোৰআন মজিদত বাৰ বাৰ উল্লেখিত হৈছে-[Qur’an 2:177], [Qur’an 49:13], মুঠতে কোৰআন মজিদত ১৫১ বাৰ উল্লেখিত হৈছে। এই, ইউ, আৰ ,এলত চাব পাৰে[http://wp.me/p2mXyt-gE]।
---ৰছুল কৰিম ছলল্লাহু আলেইহি ৱাচ্ছাল্লামে তাক্কৱাৰ বিষয়ে ক’বলৈগৈ নিজৰ বুকু খনলৈ আঙুলিয়াই দিছিল। তাক্কৱা থকা মানুহে ছির্ক, বে’দাতটো বাদেই তিল পৰিমানৰ গুনাহ কৰিবলৈওঁ ভয় কৰে। তাক্কৱা নথকা মানুহে সৰু-হুৰা গুনাহ মকৰূহ বুলিকৈ জানি শুনিওঁ তাৰ ওপৰত আমল কৰি থাকে। সৰু-হুৰা গুনাহেই ছির্কৰ ফালে ধাবিত হয়। উদাহৰণ স্বৰূপে আমাক এজন বন্ধুৱে কৈছিলযে এটা জামা মছজিদত নামাজ পঢ়া যাইনামাজত চিজদাহ দিয়া ঠাইত কাঁচি জোনৰ ছবি আছে। বন্ধুজনে কোৰআন মজিদৰ ৪১:৩৭ নং আয়াতৰ(www.quran.com/41/37) উদ্ধিৃতীদি সেই যাইনামাজবোৰ আতঁৰাই দিবলৈ ক’লে। যিহেতু চন্দ্র বা সূর্য্যক চিজদা কৰাটো তেওঁৰ মতে ছির্ক। তেওঁক কোৱা হ’ল সেইয়া মকৰুহ। আজি প্রায় এমাহ পাৰহৈ গ’ল যেনে যাইনামাজ তেনেই আছে বোলে। ইয়াৰ অর্থ এইটোৱেই হ’লযে যাৰ তাক্কৱা নাই তেওঁলোকে ছির্ক, বে’দাতক ভয় নকৰে।
আগলৈ-in sha Allah
Comments:-
• Ikramul Hussain = চগুদ চাহেব আপোনাৰ লিখনিৰ suspense মানিব লাগিব ।
• Muktabul Hussain =no takwa......no islam........very r8 sis saheb.....zazakallahu khair...
• Ikramul Hussain = বৰ্তমান ইচলামৰ অধিকাংশ বিদাতেৰে ভৰপূৰ আৰু তাকে অতি শুদ্ধ ভাবি বহু লোকে আমল কৰি আছে । শুধৰাই দিব গলে বিদাতকে চহীহ বুলি Challenge কৰে, তেওঁলোকৰ তাক্কৱা আছে বুলি কব পাৰি জানো ?
+++++++++++++++++++++
[৯]সংকল্পঃ-চৈয়দ চ’গুড ইছলাম(১৬/০৮/২০১৫)
+++++++++++++++++++++++++++++++++
---উন্নত এবাদত আৰু সময়ৰ মূল্যবোধ।
---যদি আপোনি সময়ক নেকাটে তেন্তে সময়ে আপোনাক কাটিব। এই অতি বাস্তব কথাটোৱেই ৰফিকুল ইছলাম মাদানি চাহাবে জুম্মাৰ খুতবাত কৈছিল।এই কথাই কোৰআন মজিদৰ চুৰা-আছৰলৈ মনত পেলাই দিয়ে।[ http://sogoodislamsyeds.blogspot.in/]
---খুতবাৰ এটা বিশেষ দৰকাৰি ভাষণ আছিল উন্নত এবাদতৰ ওপৰত। উন্নত এবাদত সেইবোৰ যিবোৰ বিশুদ্ধ চুন্নত। বিশুদ্ধ চুন্নত বিশুদ্ধ হাদিচৰ ওপৰত প্রতিস্থিত। আজি এই কথাবোৰ আপোনালোকৰ আগত দাঙি ধৰিব পৰাৰ মূল যন্ত্রটোৱেই হৈছে বিশুদ্ধ হাদিচৰ দ্বাৰা প্রমাণিত জুম্মাৰ চালাত।
---আপোনালোকে ক’ব পাৰে আমাৰ বাপ-দাদাৰ দিনৰ পৰা চলি অহা খুতবা অথবা চালাত কেনেকৈ অশুদ্ধ হ’ল। হয়! আপোনি থিক কৈছে। কাৰণ আচল কথাবোৰ বহুত কৌশলগত ভাবে লুকুৱাই ৰখা হৈছে। কিন্তু কিয় লুকুৱাই ৰাখিছে সেই কথা আমি আপোনাক নকওঁ। আপোনি নিজেই ইয়াক আবিস্কাৰ কৰিবৰ যেতিয়া আমি ইন্ধন যোগান ধৰিম।
আগলৈ-in sha Allah
Comments:-
Muktabul Hussain = আলহামদুলিল্লাহ , অতি সুন্দৰ প্ৰতিষ্ঠাপন । । । । প্ৰকৃত অৰ্থৰ এটি খুতবাই আমাক কিমান গুৰুত্বপূৰ্ণ কথা জানিবলৈ দিছে । । কি দূৰ্ভাগ্য় আমাৰ গোটেই জীৱন খুতবা শুনি আহিও আমি একোৱেই শিকিব নাপালো । । । চগুদ চাহেৱ, আল্লাহে আপোনাক এনে সুন্দৰ প্ৰচাৰৰ উপযুক্ত প্ৰতিদান দিয়ক, আমীন । । । । আপোনাৰ কলমৰ মাদকতা কিন্তু সচঁাকৈয়ে আকৰ্ষণীয়
++++++++++++++++++
[১০]সংকল্পঃ-চৈয়দ চ’গুড ইছলাম-শেষ অংশঃ-
[বিঃদ্রঃ- আপোনালোকে মন কৰিলেযে ইছলামৰ নীতি-নিয়মবোৰ আল্লাহ তা’লাৰ কোৰআন মজিদ আৰু ৰছুল ছলল্লাহু আলেইহিচ্ছ ছালামৰ চুন্নত মতে হোৱা নাই। ইয়াৰ মূলতেই হৈছে ইছলামৰ এক্সপার্তসকল। মানে আলিমসকল। ইয়াৰ ওৰতেই Abdur Rahman Salafi চাহাবৰ এই লিখনিৰ সংযোজন ঘটোৱা হ’ল।]
----------------------------------------
Abdur Rahman Salafi
ইছলামিক জ্ঞানী (আলিম) প্রধানতঃ তিনি প্রকাৰ।
বৈষম্যমূলক শিক্ষাৰ কাৰণে আলিমসকলৰ মাজত এই বিভক্তি। ইয়াতে মুছলিমসকল বহু দলত বিভক্ত হৈ এজনে আনজনৰ বিৰোধিতাত লিপ্ত আছে।
১)মাজহাবী আলিম (জ্ঞানী)
আমাৰ দেশত তেওঁলোকক কওমী মাদ্রাছাত ১৬ বছৰৰ ভিতৰত ১৫ বছৰ কাল বান্দাৰ (ৰহঃ) লিখা ভুলেৰে ভৰা Note book (কিতাব) পঢ়োৱা হয়। ১৬তম বছৰত ৫০-৬০,০০০ হাদীছৰ কিতাব পঢ়োৱা হয়¸ যিসমূহ আলিমসকলে মনত ৰাখিবও নোৱাৰে। এওঁলোকৰ বেছিভাগ পীৰ-তৰিকা, আওলিয়াসকলৰ গল্প, মাজহাব, তাবিজ-কবজ ইত্যাদিত পাৰদর্শী হয়। কিছুমান আলিম কম চিন্তাশীল, বিদাতী, শ্বির্কী আৰু অশ্লীল বাক্য বিনিময়ত আসক্ত হয়। এওঁলোকৰ licence আছে, reference নাই। এওঁলোক সংখ্যাত সর্বাধিক হয়।
২) কুৰআন-ছুন্নাহভিত্তিক আলিম(জ্ঞানী)
এওঁলোকে ১৫ বছৰ হাদীছ পঢ়ে-
[১ বছৰ=৪০ হাদীছ (আৰবাইন)।
২ বছৰ=বুলুগুল মাৰাম।
২ বছৰ →মিশকাত।
৪ বছৰ →সোনালী আৰবাহ।
২ বছৰ →বুখাৰী, মুছলিম।
৪ বছৰ →মদিনাত হাদীছ গৱেষণা]।
মুঠ ১৫ বছৰেই হাদীছ পঢ়োৱা হয়। সেইকাৰণে এওঁলোক কুৰআন আৰু ছুন্নাহত অধিক পাৰদর্শী হয় আৰু তেনেদৰে (কুৰআন আৰু ছুন্নাহভিত্তিক) আমল কৰে। এওঁলোকৰ licence আৰু reference আছে। এওঁলোক সংখ্যাত কম হয়।
৩)আধুনিক শিক্ষিত (জ্ঞানী)
ডাক্তৰ, ইঞ্জিনিয়াৰ, প্রফেচৰ, সচিবসহ বিভিন্ন উচ্চপদস্থ চাকৰীজীৱিসকলে এটা পর্যায়ত নিজে আমল কৰাৰ কাৰণে, ধর্মীয় নিয়ম-কানুন শিকিবলৈ গৈ, সকলোতকৈ সহজ (ছূৰা ক্বামাৰ ৫৪: ১৭,২২,৩২,৪০ ৰ "আমি কুৰআনক সহজ কৰি দিছোঁ বুজাৰ বাবে। গতিকে, আছেনে কোনো চিন্তাশীল ব্যক্তি?) সূলভ আৰু নির্ভুল কিতাপ কুৰআন আৰু ইয়াৰ তর্জমা পঢ়ে। এই মেধাবী, উচ্চশিক্ষিত, অভিজ্ঞ, বয়স্ক তথা প্রতিষ্ঠিত বান্দাসকলে সহজতে আৰু অলপ সময়তে দ্বীন বুজি লব পাৰে আৰু তেওঁলোকে হাত বঢ়ালেই সুযোগ্য আলিমসকলৰ সৈতে সু-সম্পৰ্ক কৰি কুৰআন আৰু ছুন্নাহত পাৰদর্শী হয়। মূলতঃ এওঁলোকে কুৰআনৰ ছূৰা মুহাম্মদ ৪৭: ৩৩ নং আয়াতটো হুবহু মানি চলে।
য’ত আল্লাহ তা‘আলাই কৈছে,
" হে মুমিনসকল! তোমালোকে আল্লাহৰ আনুগত্য কৰা, ৰাছূলৰ (চাল্লাল্লাহু আলাইহি অছাল্লাম) আনুগত্য কৰা আৰু নিজৰ কর্ম বা আমল বিনষ্ট নকৰিবা।"
দ্বীনত কোনো বান্দাৰ (ৰহঃ) পাণ্ডিত্য নচলে, সেইটো জানিয়েই এওঁলোকে মাজহাব, পীৰ, ওলী আদিত বিশ্বাসী নহয়। এওঁলোকৰ licence নাই reference আছে। এওঁলোক সংখ্যাত খুব কম হয়। এওঁলোকৰ প্রচাৰ পদ্ধতি আৰু ভাষা অত্যাধুনিক হোৱাত শিক্ষিত বান্দাসকলে সহজেই বুজিব পাৰে।
আলোচনাত বুজা গৈছে, প্রথম পর্যায়ৰ জ্ঞানীসকল মাজহাব আৰু পীৰ অনুসাৰী হয়।
দ্বিতীয় আৰু তৃতীয় পর্যায়ৰ জ্ঞানীসকল কুৰআন আৰু ছুন্নাহৰ অনুসাৰী হয় আৰু এওঁলোকৰ মাজত প্ৰথম পৰ্যায়ৰ জ্ঞানীসকলৰ মতানৈক্য থাকে।
---------------------
• -অন্ত-

DIARY(1to 7) : ১]সংকল্পঃ-চৈয়দ চ’গুড ইছলাম[



DIARY(1to 7) : ১]সংকল্পঃ-চৈয়দ চ’গুড ইছলাম[১৫/০৮/২০১৫]
+++++++++++++++++
মুক্তাবুল হুছেইন চাহাবৰ “জাগা মুমিন জাগা”ৰ লিখনিয়ে হাজাৰজনক জাগ্রত কৰি তুলিছে। এতিয়া আমাৰ জাগ্রত প্রহৰীৰ সংকল্প লোৱাৰ সময়।।।
---আমি আমন্ত্রিত হৈছিলোঁ TEWF দ্বাৰা আৰু উপস্থিত হৈছিলোঁ যোৱাকালি অর্থাৎ ১৪/০৮/২০১৫ তাৰিখে পুৱা প্রায় দহটা বজাত মংগলদৈৰ ওচৰৰ টাংনী চাৰি চ'কত। ইফালে সিফালে চকু ফুৰাওঁতেই এটা চালামৰ চিঞৰ শুনিলো “আচ্ছালামু আলাইকুম চ’গুড চাহেব” ময়ো প্রতি চালাম দিলোঁ। হয়তো মোৰ মাতটো ৰাষ্টাৰ সিটো মূৰত মোৰ বাবে অপেক্ষাৰত চেক্রেটেৰী মহিবুৰ চাহাবৰ ওচৰ নাপালেগৈ।
---ৰাষ্টটো পাৰহৈ গ’লো। ছহীহ তৰিকাৰে মোছাফাহ কৰিলোঁ। ছহীহ তৰিকাৰ ভাই সকলৰ এখন এখন হাতৰ চেপাতেই বহু কথা গম পোৱা যায়। এইয়া আমাৰ নিজস্ব অনুভৱ। এনে অনুভৱ আমাৰ বহুত হৈছে। মনত আছে জাদিদ হুছেইনৰ (Assamese Muslim fb ৰ দুজনৰ এজন এডমিন) লগত মোছাফাহ আৰু শেহতীয়াভাৱে হাফিজ ৰফিকুল ইছলাম মাদানিৰ লগত মোছাফাহ।
---এটা শব্দ আমাৰ মুখৰ পৰা ওলাই আহিল-“মহিবুৰ চাহাব এইবাৰো মই প্রথমেই পালোহি”।
---“মাফ কৰিব আপুনি দ্বিতীয়হে”। লগতে থকা লুটফুৰ চাহাবৰ লগত আমাক চিনাকী কৰাই দিলে মহিবুৰ চাহাবে। তেওঁৰ লগতো মোছাফাহ কৰিলোঁ। মোছাফাহত দৃঢ়তা নাপাই কৈয়েই পেলালোঁ।
---লুটফুৰ চাহাবৰ কথাত কিন্তু দৃঢ়তা অতি প্রকটময়। আমি আশা ৰাখিম তেখেতে দিয়া আৰু আলোচনা কৰা প্রতিশ্রুতিবোৰ যাতে বাস্তৱত ৰূপায়িত হয়।
আগলৈ-in sha Allah
+++++++++++++++++++++++++
[২]সংকল্পঃ-চৈয়দ চ’গুড ইছলাম
++++++++++++++++++++++
---আমি তিনিওজন মানে মই, মহিবুৰ আৰু লুটফুৰ, মহিবুৰ চাহাবৰ ঘৰলৈ আগবাঢ়িলোঁ। মহিবুৰ চাহাবৰ বাইকৰ পিছফালে মই। গাৱঁৰ অকোঁৱা-পকোঁৱা মস্ত মস্ত গাঁত থকা কেচাঁ আলিবাটেৰে আমি আগবাঢ়িলোঁ। শুনা যায় যে মহিবুৰ চাহাবৰ বাইকৰ স্পীড ৮০কিঃমিঃ/ঘন্টাত ফিক্স কৰা আছে। এই স্পীদ ৰাষ্টা বেয়া থকা অৱস্থাটো নকমে। যিয়েই নহওঁক আধা ঘণ্টাৰ ৰাষ্টাটোক মহিবুৰ চাহাবে পাঁচ মিনিটতে সমাধা কৰিলে। মুখ-হাত ধুই লুটফুৰ চাহাবৰ লগত ভালকৈ চা-চিনাকি হ'লো।
---অলপ পিছত নলবাৰীৰ পৰা অহা জুবেৰ ৰহমান আৰু জাহিৰ চাহাবকো মহিবুৰ চাহাবে তেখেতৰ ঘৰলৈ লৈ আহিল। বিভিন্ন ফল-মূল চাহ চৰবত আদিৰে টেবুল ভৰি গ’ল। উৎকত গৰমৰ দিনটোত ফেনৰ বতাহৰ তলত আমি হেঁপাহ পলুৱাই খালোঁ। আহামদুলিল্লাহ। লগে লগে TEWFৰো কিছু আলোচনা কৰিলোঁ যাতে জুম্মাৰ পিছত DTPৰ কামখিনি কৰিব পৰা যায়।
আগলৈ-in sha Allah
[11:06AM, 4/30/2016] Jurer Rahmam: [৩]সংকল্পঃ-চৈয়দ চ’গুড ইছলাম
+++++++++++++++++
---মহিবুৰ চাহাবে আমাক জনালে যে বন্দিয়া বড় মছজিদত আমি জুম্মাৰ চালাত পঢ়িম। গতিকে দৌৰা-দৌৰিকে জুম্মালৈ বুলি আমি পাঁচজনে দুখন বাইকত ওলাই গ’লো। হাতত সময় কম আছিল, ১২-১৫ ত খুতবা আৰম্ভ হ’ব। বন্দিয়া বড় মছজিদলৈ কমেও আঢ়ৈ কিঃ মিঃ দূৰ হব। হাইৱেৰ পৰা ভিতৰুৱা গাৱঁলীয়া ওখোৰা-মোখোৰা ৰাষ্টা। মহিবুৰ চাহাবৰ বাইকৰ স্পীড ৮০ কিঃমিঃ/ঘঃ। এই স্পীড নকমে। কমেওঁ পোন্ধৰ মিঃ আগতিয়াকৈ আমি মছজিদ পালোগৈ।
---উক্ত মছজিদত সেইদিনা জুম্মা পঢ়াৰ এটা বিশেষত্ব আছিল। সেইটো হ’ল- হাফিজ ৰফিকুল ইছলাম মাদানিৰ ইমামতি।
---এনেহেন লাগিল যেন জীৱনৰ প্রথম বাৰৰ বাবে বেহেস্তৰ কোনো মছজিদত খুৎবাৰ সৈতে দুই ৰাকাত নামাজ পঢ়িলোঁ। মই কথা বঢ়াই বা অতিৰঞ্জিত নকৰোঁ। মই স্পষ্টবাদী মানুহ। প্রত্যেক কাম আৰু কথাৰ সূক্ষ্ম পর্য্যৱেক্ষণ কৰোঁ।
---খুৎবা শুনাৰ বৈশিষ্ঠ হৈছে খুৎবা মনদি শুনাটো। যাক ৱাজিব বুলি কোৱা হয়। আনে কথা পাতিলেও তাক মনে মনে থাকক বুলি কোৱাত যি শব্দ বাহিৰ হয় তাকো নকৰিবলৈ কোৱা হয়। জুম্মাৰ এই দিনটোতহে সেই কথা স্ফটিকৰ দৰেই পৰিস্কাৰহৈ পৰিল।
আগলৈ-in sha Allah
[11:12AM, 4/30/2016] Jurer Rahmam: [৪]সংকল্পঃ-চৈয়দ চ’গুড ইছলাম
---"খুৎবা শুনাৰ বৈশিষ্ঠ হৈছে খুতবা মনদি শুনাটোত। যাক ৱাজিব বুলি কোৱা হয়। আনে কথা পাতিলেও তাক মনে মনে থাকক বুলি কোৱাত যি শব্দ বাহিৰ হয় তাকো নকৰিবলৈ কোৱা হয়"।
---উল্লেখিত কথাখিনৰ তাৎপর্য্য কোনো মুমিন ব্যক্তিয়ে জীৱনত পঢ়া জুম্মাৰ খুৎবাৰ ক্ষেত্রত ভাৱি চাইছেনে? অথবা অহা জুম্মাটোত ভাৱি চাবনে?
---বহুতৰ মনত ভাৱ হব যে চ’গুডে কি ভাৱিবলৈ কৈছে। "আমিটো চকু মুদি বা ইমামৰ মুখলৈ চাই তেওঁ পাঠ কৰা খুৎবা শুনি থাকোঁ আৰু ইমাম চাহাবেওঁ মুখখন সোঁ-ফালৰ পৰা বাওঁ-ফাললৈ ভাষণ দিয়াৰ ষ্টাইলত খুতবা শুনাই থাকে"।
---আপুনি থিকেই কৈছে। খুৎবা মানে ভাষণ। যাক মনদি শুনি বুজি জ্ঞান আহৰণ কৰি নিজকে জান্নাতৰ বাবে বাট মুকলি কৰিবলৈ কোৱা হৈছে।
---আৰবীত দিয়া খুৎবা তো আপুনি একো নুবুজিলে। এখন বাৰমহীয়া খুৎবা আৰবীত শুনাই মনদি শুনিবলৈকৈ আপোনাক বুর্বক বনালে। আপুনিওঁ আপোনাৰ মগজুটো নখটোৱাই বুর্বক হৈ থাকিল।
---কিয়ামত কেতিয়া হ'ব আল্লাহ তা'লাৰ বাহিৰে কোনেওঁ নেজানে। কিন্তু ব্যক্তিগত কিয়ামত কবৰত সোমোৱাৰ লগে লগেই আৰম্ভ হয়।
আগলৈ- in sha Allah
+++++++++++++++++++++++++++++
[৫]সংকল্পঃ-চৈয়দ চ’গুড ইছলাম
---হাফিজ ৰফিকুল ইছলাম মাদানিয়ে মুসল্লীসকলক চালামদি নিজ স্থানত(মিম্বৰ) আৰোহন কৰিলে। দৰজাৰ মুখত মুৱাজ্জিনে মধ্যস্বৰত আজান দিলে, লাখুটি হাততলৈ ইমাম চাহাবে খুতবা আৰম্ভ কৰিলে।
জুম্মাৰ খুতবাৰ দুটি অংশ। প্রথম অংশটি প্রথম খুতবা আৰু শেষ অংশটি দ্বিতীয় খুতবা নামে প্রসিদ্ধ। খুতবাহ্ মানে হল ভাষণ বা বক্তৃতা।
---ইমাম চাহাবে খুতবাৰ প্রথম অংশত আল্লাহৰ তাশাহহুদ, শাহাদত বা তাওহীদের ও ৰসূলেৰ(দঃ) ৰিসালাতৰ সাক্ষ্য সমূহ আৰবিত পাঠ কৰি নসীহত বা উপদেশ সমূহ স্থানীয় ভাষাত কমেওঁ আধা ঘণ্টাৰ ভাষণ প্রদান কৰিলে । আমি দেখিছিলো ইমামৰ কণ্ঠৰ বলীস্থতা।
---নসীহত বা উপদেশৰ অংশটোক ইমাম চাহাবে তিনিটা বিষয় বস্তুৰ ওপৰত গুৰুত্ব প্রদান কৰিছিল। সেইকেইটা হৈছেঃ- তাক্কৱা, উন্নত এবাদত [যিবোৰ ৰছুল কৰিমে(দঃ)কৰিছিল ] আৰু সময়ৰ মূল্যবোধ।
আগলৈ-in sha Alla
++++++++++++++++++++++++++
[৬]সংকল্পঃ-চৈয়দ চ’গুড ইছলাম(১৬/০৮/২০১৫)
+++++++++++++++++++++++++++++++++
---এই মুহূর্ত্তত (১৬/০৮/২০১৫-১১:০০am)হাফিজ ৰফিকুল ইছলাম মাদানি চাহাব গুৱাহাটিৰ LPGB air portৰ পৰা উৰাজাহাজেৰে দিল্লী অভিমুখে যাত্রা আৰম্ভ কৰিছে । তাৰ পৰা কাইলৈ মদিনালৈ যাব ইছলামিক উচ্ছ শিক্ষাৰ বাবে। আমাৰ আন্তৰিক দোৱা থাকিল যাতে মহান আল্লাহ তা’লাই তেখেতক তেখেতৰ লক্ষ্যত কৃতকার্য্য কৰাই আমাক শির্ক আৰু বে’দাত মুক্ত এখন ইছলামিক সমাজ গঢ়াত সহায় কৰিব ; য’ত নাথাকিব কবৰ পূজাৰী, পীৰ পূজাৰী, ফির্কা পূজাৰী, মজহবী-তকলীদ পূজাৰী আদি দোজখি সম্ভাৰ সমূহ।
---বেয়া লগিছে তেখেতক ব্যক্তিগত হিচাবে লগ নেপাম কাৰণে ; কিন্তু ভাল লাগি থাকিব তেখেতৰ বন্দিয়া মছজিদত ১৪/০৮/২০১৫তাৰিখে দিয়া জুম্মাহৰ খুতবা।
---আমি সেই খুতবাহৰ কথাই আগতে কৈ আহিছো। ৰফিকুল ইছলাম মাদানি চাহাবে স্থানিয় ভাষাৰ খুতবাহত তিনিটা বিষয়ৰ ওপৰত গুৰুত্ব দিছিল- তাক্কৱা, উন্নত এবাদত [যিবোৰ ৰছুল কৰিমে(দঃ)কৰিছিল ] আৰু সময়ৰ মূল্যবোধ।
---তাক্কৱা কি? ইয়াক খাই নে পিন্ধে নে আমল কৰে? আজিৰ আলট্রা চুপাৰ ইলেক্ট্রনিকৰ ব্যস্ত জীবনত কিতাপ পঢ়ি অথবা কিছু সময় খৰচ কৰি বহু মুছলমান ভাই-ভনীৰ সময় নাই তাক্কৱাৰ বিষয়ে জানিবলৈ। আচলতে তেওঁলোকে এই বিষয়ে নেজানেই। সচাঁ কথা ক’বলৈ গ’লে তেওঁলোকক জানিবলৈ দিয়া হোৱা নাই।
---ক্ষমা কৰিব পঢ়ুৱৈবৃন্দ। কেইজনমান উঃ, দঃ, পূঃ আৰু পঃৰ জামা মছজিদৰ ইমাম চাহাব কেইজনমানে কিবা এটাকৈ আছে। ---তেওঁলোকে কৈছেযে তেখেতসকলে যদিওঁ খুতবাক আৰবীত ভাষণ দিয়ে তথাপিওঁ কিন্তু ইছলামিক জ্ঞানৰ বাবে খুতবা আৰম্ভ হোৱাৰ আগতে স্থানিয় ভাষাত এটা ভাষণ দিয়ে। যিটো খুতবাৰ ভাঙনি অথবা আন ইছলামিক জ্ঞানৰ কথাও হ’ব পাৰে।
আগলৈ-in sha Allah(spelling check up.JR.)