Wednesday, 23 December 2015

★বাপ দাদাৰ দোহাই দি ইছলাম নচলে,★

১. বাপ-দাদাসকলে ইমান দিনে ভুল কৰি আহিছে নেকি?
২. অধিকাংশ মানুহেই কি ভুল কৰি আহিছে?
৩. ইমান ডাঙৰ ডাঙৰ আলিমেতো এনেকৈয়েই আ’মল কৰি আহিছে! তেওঁলোকে কি ভুল কৰি
আছে?
• মূলতঃ এই তিনিটা কাৰণতে
মানুহে কুৰআন আৰু
ছহীহ হাদীছৰ দাওৱাতক পৰিত্যাগ কৰে।
“অধিকাংশ” কোনো দলীল নহয়। দলীল হ’ল কুৰআন
আৰু ছহীহ হাদীছ।
অধিকাংশৰ বিষয়ে আল্লাহ্ তা’আ়ালাই
কুৰআনত কৈছে–
• “অধিকাংশ মানুহ প্রকৃত
বিষয় সম্পর্কে অৱগত নহয়” [ছুৰা ইউচুফ : ৬৮]
• “অধিকাংশই নির্বোধ” [ছুৰা মায়িদাহ : ১০৩]
• “অধিকাংশ লোকেই অৱগত নহয়” [ছুৰা আনআম : ৩৭]
• “অধিকাংশই অজ্ঞ” [ছুৰা
আনআম : ১১১]
• “অধিকাংশই নাজানে” [ছুৰা আৰাফ : ১৩১]
• “তুমি যিমানেই প্রবল আগ্রহেৰে নোচোৱা কিয়,
মানুহৰ অধিকাংশই ঈমান আনিব নোখোজে” [ছুৰা ইউচুফ :
১০৩]
• “আমি তোমাৰ ওচৰত সুস্পষ্ট আয়াত নাজিল
কৰিছো, ফাছিকসকলৰ বাহিৰে আন কোনেও
তাক অস্বীকাৰ
নকৰে; বৰং তেওঁলোকৰ
অধিকাংশই ঈমান
নাৰাখে” [ছুৰা বাকাৰাহ
: ৯৯-১০০]
• “আমিতো তোমালোকৰ
ওচৰলৈ সত্য লৈ গৈছিলো, কিন্তু, তোমালোকৰ অধিকাংশই আছিল সত্য
অপছন্দকাৰী” [ছুৰা যুখৰুফ : ৭৮]
• “সিহঁতৰ অধিকাংশকেই
আমি প্রতিশ্রুতি পালনকাৰী হিচাবে পোৱা নাই, বৰং
অধিকাংশ ফাচিকেই পাইছো” [ছুৰা আৰাফ : ১০২]
• “তুমি যদি পৃথিৱীৰ
অধিকাংশ লোকৰ
অনুসৰণ কৰা তেনেহলে সিহঁতে তোমাক আল্লাহৰ
পথৰ পৰা পথভ্ৰষ্ট কৰি
পেলাব, সিহঁতে কেৱল
আন্দাজ-অনুমানৰ অনুসৰণ
কৰি চলে; সিহঁত মিছলীয়াৰ বাহিৰে আন একোৱেই নহয়” [ছুৰা
আনআম : ১১৬]
• ‘’সিহঁতৰ অধিকাংশই
কেৱল ধাৰণাৰ অনুসৰণ
কৰে; সত্যৰ মোকাবেলাত
ধাৰণা কোনো কামত নাহে’’ [ছুৰা ইউচুফ : ৩৬]
• “অধিকাংশ মানুহে আল্লাহক বিশ্বাস কৰে, কিন্তু লগতে শ্বিৰ্কও কৰে’’ [ছুৰা ইউচুফ : ১০৬]
• “আমি তোমালোকক নজনামনে চয়তানবোৰ কাৰ ওচৰত অৱতীর্ণ হয়?
সিহঁত অৱতীর্ণ হয়
প্রত্যেকজন চৰম মিথ্যাবাদী আৰু পাপীষ্ঠৰ ওচৰত। সিহঁতে কাণ পাতি থাকে আৰু তেওঁলোকৰ অধিকাংশই
মিথ্যাবাদী’’ [ছুৰা শু’আৰা :
২২১-২২৩]
• “সিহঁতে সিহঁতৰ পিতৃ-
পুৰুষসকলক বিপথগামী
পাইছিল। তাৰ পিছতো
সিহঁতৰেই পদাংক অনুসৰণ
কৰি গৈ আছিল। তেওঁলোকৰ আগৰ লোকসকলৰো
অধিকাংশই গুমৰাহ হৈ আছিল” [ছুৰা চাফফাত : ৬৯-৭১]
আৰবী ভাষাত কুৰআন,
জ্ঞানসম্পন্ন মানুহৰ কাৰণে
সু-সংবাদবাহী আৰু
সাৱধানকাৰী। কিন্তু সিহঁতৰ
অধিকাংশই (এই কুৰআনৰ
পৰা) মুখ ঘূৰাই নিছে, গতিকে সিহঁতে নুশুনে” [ছুৰা
ফুচচিলাত : ১-৪]
গতিকে হে আমাৰ মুছলিম
ভাইসকল আহক আমি
“অধিকাংশৰ” অজুহাত
বাদ দি “কুৰআন”
আৰু “ছহীহ হাদীছৰ” অনুসৰণ
কৰো।
**Assamese translation by Juber Rahman, Nalbari**
[Mukib Rahman‎ to INVITE TO PEACE (শান্তিৰ আহ্বান)]

Tuesday, 17 November 2015

মুসলিম সমাজে প্রচলিত শিরকী আক্বীদা ও বিদআতী রসম-রেওয়াজ সমূহের অধিকাংশেরই মূল উৎস হল জাল ও যঈফ হাদীস সমূহ

মুসলিম সমাজে প্রচলিত শিরকী আক্বীদা ও বিদআতী রসম-রেওয়াজ সমূহের অধিকাংশেরই মূল উৎস হল জাল ও যঈফ হাদীস সমূহ। আসুন জেনে রাখি সে হাদীসগুলো যেন আমাদের কেউ বিভ্রান্ত করতে না পারে।
১.রমজানের একটি সুন্নত একটি ফরজের সমান।{হাদীসটি জাল}
২.নবী(স) কে সৃষ্টি না করলে আল্লাহ দুনিয়া সৃষ্টি করতেন না।{হাদীসটি জাল}
৩.দেশ প্রেম ইমানের অংশ।{হাদীসটি জাল}
৪.আল্লাহ আশুরার দিনে আসমান-যমীন সৃষ্টি করেছেন।{হাদীসটি জাল}
৫.জান্নাতের বাসীরা দাড়ি বিহীন হবেন,শুধু মুসা ইবনে ইমরান (আ) বাদে,তার দাড়ি হবে নাভী পর্যন্ত।{হাদীসটি জাল}
৬.মৃত ব্যক্তিকে ৭ দিন পর্যন্ত তার বাড়ির মানুষদের দেখতে পায়।{হাদীসটি জাল}
৭.মাসজিদের মধ্যে কখাবার্তা নেকী বা সওয়াব খেয়ে ফেলে।{হাদীসটি জাল}
৮.বিবাহিতের দু রাকাত নামায অবিবাহিতের ৭০ রাকাত থেকে উত্তম।{হাদীসটি জাল}
৯.আরাফার দিনের সিয়াম ৬০ বছরের সিয়ামের মত।{হাদীসটি জাল}
১০.আমার উম্মতের আলেমগণ বনী ইসরাঈলের নবীগনদের মত।{হাদীসটি জাল}
১১.মুমিনের কলব আল্লাহর গৃহ।{হাদীসটি জাল}
১২.সুলাইমান (আ) এর আংটির নক্সার বা খোদিত লেখাটা ছিলঃ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ।{হাদীসটি জাল}
১৩.তোমরা আলেমদের অনুসরন করবে;কারন তারা দুনিয়া ও আখিরাতের প্রদীপ।{হাদীসটি জাল}
১৪.জ্ঞানীদের কালি শহীদের রক্ত থেকে অধিক মর্যাদার।{হাদীসটি জাল}
১৫.যে ব্যক্তি মাসজিদে মধ্যে দুনিয়াবী কথা বোলবে আল্লাহ তার ৪০ বছরের আমল নষ্ট করে দিবেন।{হাদীসটি জাল}
১৬.আলিমের ঘুমও ইবাদত।{হাদীসটি জাল}
১৭.আহারকারির উপর সালাম দেওয়া যাবে না।{হাদীসটি জাল}
১৮.জ্ঞান অর্জনের জন্য সূদুর চীন দেশেই হলে যাও।{হাদীসটি জাল}
১৯.(আল্লাহ বলেন) আমি আমার নিজের উপর শপথ করছি যে,আহমদ এবং মোহাম্মদ নামের কাউকে জাহান্নামে প্রবেশ করানো হবে না।{হাদীসটি জাল}
২০.পাগড়ী পরে দু’রাকাত সালাত ৭০ রাকাতের সমান।{হাদীসটি জাল}
২১। নবীগণ হচ্ছেন নেতা, ফকীহগণ হচ্ছেন সর্দার আর তাদের মজলিসগুলো হচ্ছে অতিরিক্ত। {হাদীসটি বানোয়াট}
২২। যে ব্যক্তি বায়তুল্লাহ যিয়ারত করল, অথচ আমাকে যিয়ারত করল না, সে আমার ব্যাপারে রূঢ় আচরণ করল। {হাদীসটি জাল} [এটি একটি বহুল প্রচলিত হাদীস]
২৩। যে ব্যক্তি আমাকে এবং আমার পিতা ইব্‌রাহীমকে একই বছরে যিয়ারত করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। {হাদীসটি জাল} [এটি একটি বহুল প্রচলিত হাদীস]
২৪। যে ব্যক্তি হজ্জ করবে, অতঃপর আমার মৃত্যুর পর আমার কবর যিয়ারত করবে, সে যেন ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে জীবদ্দশায় আমার সাথে সাক্ষাৎ করেছে। {হাদীসটি জাল} [এটি একটি বহুল প্রচলিত হাদীস]
২৫। যখন কেউ শেষ যামানায় এসে যাবে এবং মতামতগুলো বিভিন্নরূপ হয়ে যাবে, তখন তোমরা মফস্বলবাসী ও নারীদের ধর্মকে ধারণ করবে। {হাদীসটি জাল}
২৬। আমার মৃত্যুর পরে যে বিষয়ে আমার সাহাবীগণ মতভেদ করেছে, সে বিষয়ে আমি আমার প্রভুকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তাই তিনি আমাকে অহী মারফত জানিয়েছেন, হে মুহাম্মাদ! তোমার সাথীগণ আমার নিকট আসমানের নক্ষত্রতুল্য। যাদের কতকজন অন্যজনের চেয়ে অতি উত্তম। অতএব যে ব্যক্তি তাদের মতভেদকৃত বস্তু থেকে কিছু গ্রহণ করেছে সে আমার নিকট সঠিক পথের উপরেই রয়েছে। {হাদীসটি জাল} [এটি একটি বহুল প্রচলিত হাদীস]
২৭। আমার উম্মতের মতভেদ রহমত স্বরূপ। {হাদীসটির কোন ভিত্তি নেই} [এটি একটি বহুল প্রচলিত হাদীস]
২৮। আমার সাহাবীগণ নক্ষত্রের ন্যায়, তোমরা তাদের যে কোন একজনের অনুসরণ করলে পথপ্রাপ্ত হবে। {হাদীসটি জাল} [এটি একটি বহুল প্রচলিত হাদীস]
২৯। যখনই তোমরা কিতাবুল্লাহ হতে কিছু প্রাপ্ত হবে তখনই তার উপর আমল করবে। তা ছেড়ে দিতে তোমাদের কারো ওযর চলবে না। যদি কিতাবুল্লাতে (সমাধান) না থাকে, তাহলে আমার নিকট হতে (সমাধান হিসাবে) প্রাপ্ত অতীত সুন্নাহকে গ্রহণ করতে হবে। যদি আমার পক্ষ হতে অতীত কোন সুন্নাতে সমাধান না মিলে, তাহলে আমার সাহাবীগণ যা বলেছেন তা গ্রহণ করবে। কারণ আমার সাহাবীগণ আসমানের নক্ষত্রের ন্যায়। অতএব তোমরা যে কোন জনের কথা গ্রহণ করলেই হেদায়াত প্রাপ্ত হবে। আমার সাহাবীগণের মতভেদ তোমাদের জন্য রহমত স্বরূপ। {হাদীসটি জাল} [এটি একটি বহুল প্রচলিত হাদীস]
৩০। যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতা উভয়ের কবর প্রত্যেক জুম'আর দিবসে যিয়ারত করবে। অতঃপর তাদের উভয়ের নিকট অথবা পিতার কবরের নিকট সূরা ইয়াসিন পাঠ করবে, প্রতিটি আয়াত অথবা অক্ষরের সংখ্যার বিনিময়ে তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে। {হাদীসটি জাল} [এটি একটি বহুল প্রচলিত হাদীস]
এখন অনেকেই তেলে বেগুনে জলে উঠবেন এবং বলবেন এইগুলা যে জাল হাদিস তার প্রমান কি!!!
ভাই আমি যদি বলি নাবী(স) বলেছেন
"আখিরি জামানায় মোহাইমিন আল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি আসবে তোমরা তাকে অনুসরন করবে"
আমার নাম এইটাই এখন আপনি কি আমাকে অনুসরন করবেন??
অবশ্যই না!!! বলবেন এটা ভুয়া হাদিস!!
এখন আমি যদি বলি প্রমান দেন এটা ভুয়া হাদিস??দিতে পারবেন??
প্রমান হল এইটাই যে,এইটা যে হাদিস তার কোন প্রমান নাই!!
কারন নবী(স) বলেছেন
"শরিয়তে কোন বিষয়ে দাবীদার প্রমান পেশ করতে হবে"(তিরমীযি-৭৬৯ নং হাদিস সনদ,সাহি)
এছারা আল্লাহ বলেন
"তার চেয়ে পথভ্রষ্ট আর কে হতে পারে যে ব্যক্তি দলিল ব্যতিত নিজের নফস(মনের) এর অনুসরন করে"(সুরা কসাস-৫০)
“আনাস(রা)বলেনঃ
এ কথা তোমাদেরকে বহু হাদিস বর্ননা করতে আমাকে বাধা দেয় যে,
নবী(স) বলেছেনঃ যে আমার উপর মিথ্যা আরোপ করবে সে যেন জাহান্নাম তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়”(বুখারী ১ম খন্ড ১০৯ নং হাদিস)
নবী করিম (সঃ) বলেছেন,
''একজন মানুষের মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতোটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনবে যাচাই বাচাই না করে তাই বলবে।'' (সহীহ মুসলিম, হাদীস- ১/১০)
আল্লাহ সবাইকে সাহি বুঝ দিক!!! আর হ্যা কেউ যদি উপরের একটা হাদিস কেউ সাহি প্রমান করতে পারেন আমি মেনে নিবো!!!(তবে তা হবে প্রমান সহকারে!!!!)
--++--++--++-- Mohaimin Al Islam Siddike

00

ooo

Pl. Send Request To JOIN -"sogoodislam group"-the world wide Islamic Authentic Islamic Group

Pl. Send Request To JOIN -"sogoodislam group"-the world wide Islamic Authentic Islamic Group
CLICK on Gp.Photo:-

https://www.facebook.com/groups/495508787262100/




Monday, 16 November 2015

দ্বীন একশত ভাগ পরিপূর্ণ


দ্বীন একশত ভাগ পরিপূর্ণ নয় কি ?

******************************

[ সত্যের পথে, সত্যের সাথে ]

~~~~~~~~~~~~~~~~~

মহান আল্লাহ কর্তৃক নাযিলকৃত শারি'আতের বৈশিষ্ট্য হলো তা পরিপূর্ণ ৷ তার মধ্যে কোন বিষয়ের কমতি নেই ৷ তার পরিপূর্ণতা শুধু শারি‘আত নাযিলের সময়ের জন্য সীমাবদ্ধ নয় ৷ বরং শারি'য়াত নাযিলের সময় থেকে শুরু করে ক্বিয়ামত পর্যন্ত তথা জান্নাত জাহান্নামের পরিপূর্ণ বিধি-বিধান নিয়ে শারি'আত মানব ও দানব জাতীর জন্য আল্লাহ অবতীর্ণ করেছেন ৷ সকল যুগের সমস্যার পরিপূর্ণ সমাধান দিয়ে আল্লাহ ইসলামকে পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন ৷

তাই তো কুরআন মাজীদে স্পষ্ট ভাবে মহান আল্লাহ বলেছেন,

আজ আমি তোমাদের দ্বীন তথা মাযহাবকে তোমাদের জন্য পরিপূর্ণ করে দিলাম আর তোমাদের প্রতি আমার নিয়ামতকে সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দ্বীন বা মাযহাব রূপে পছন্দ করলাম ৷ [ সুরা আল মায়িদাহ, আয়াত - ৩ ]


দ্বীন পরিপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও মাযহাবীরা বহু নতুন বিষয়কে শারি'আতে সংযোজন করে বিদ‘আতে হাছানা নাম দিয়ে পূণ্যের উদ্দেশ্যে করে থাকে ৷

অথচ নাবী সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,

জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুল সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, শরি'আতে প্রত্যেক নতুন কাজই বিদআত আর প্রত্যেক বিদআতই গোমরাহী আর প্রত্যেক গোমরাহীর পরিণতি হচ্ছে জাহান্নাম ৷ ( মুসলিম )


বিদআতীদের সম্পর্কে নাবী সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেন,

আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত ৷ তিনি বলেন, নাবী সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি শারি‘আতে নতুন কাজ বা বিদআত করল বা কোন বিদআতীকে সাহায্য করল তার উপর আল্লাহর লা'নাত, ফেরেশতা ও সমস্ত মানুষের লা'নাত অপরিহার্য হয়ে যায় ৷ তার কোন ফরয ও নফল ইবাদতই গ্রহন করা হবে না ৷ ( বুখারী ১ম খন্ড, ৪৫১ পৃষ্ঠার)


ঈমাম মালিক রহঃ বিদআতে হাছানা সম্পর্কে বলেন, যে ব্যক্তি ইসলামের মধ্যে কোন বিদআতের প্রচলন করে আর একে হাছানা বা ভাল পূণ্য বলে মনে করে সে যেন প্রকারান্তরে এ কথাই ঘোষনা করছে যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর পয়গাম পৌঁছাতে খিয়ানত করেছেন ৷ ( নাউযুবিল্লাহ)


কারণ মহান আল্লাহ বলেছেন,

তোমাদের জন্য আমি তোমাদের দ্বীনকে সম্পূর্ণ করে দিয়েছি ৷


সুতরাং রসুল সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর যুগে যা দ্বীনরূপে গণ্য ছিল না আজও তা গণ্য নয়, গণ্য হতে পারে না ৷ কখনো না কোন দিনও না ৷

Saturday, 14 November 2015

[2]-আল্লাহ এখন কি করছেন?

এক ইহুদী মুসলমানদের গুমরাহ করার জন্য বড় এক সমাবেশে তিনটা প্রশ্ন করল-
১. আল্লাহ যদি থেকেই থাকে, তাহলে এর আগে কি ছিল?
২. আল্লাহ’র চেহেরা কোন দিকে?
৩. আল্লাহ এখন কি করছেন?
সমাবেশ থেকে শুধু ৯ বছরের এক বাচ্চা দাড়িয়ে গেল প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য!
বাচ্চাটি ইহুদীকে বলল-
সংখ্যা গণনা কর!
ইহুদী- 1 2 3 4 …..10 পর্যন্ত গুনল।
বাচ্চা – এখন পিছন থেকে গণনা কর।
ইহুদী – 10 9 8 7….1
বাচ্চা - 1 এর আগে কোন সংখ্যা আছে?
ইহুদী – কোন সংখ্যা নেই।
বাচ্চা – একই রকম আল্লাহ’র আগে কোন কিছুই নাই।
দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর :
বাচ্চাটা একটি লাইট নিয়ে জালালো এবং ইহুদীকে জিঞ্জাসা করল এর মুখ কোন দিকে?
ইহুদী – চার দিকে
বাচ্চা – আল্লাহ নূর এবং তাঁর নূর চারদিকে।
তৃতীয় প্রশ্নের উত্তর :
আল্লাহ এখন এক ৯ বছরের বাচ্চাকে দিয়ে এক ইহুদীর উত্তর দেওয়াচ্ছেন!
সুবহানাল্লাহ!

[1]-অহী নাযিল : যদি আমি এই কুরআন পাহাড়ের উপর নাযিল করতাম...পাহাড়.. দীর্ণ-বিদীর্ণ হয়ে গেছে-Quran

"যদি আমি এই কুরআন পাহাড়ের উপর নাযিল করতাম, তাহলে তুমি দেখতে যে, পাহাড় বিণীত হয়ে আল্লাহর ভয়ে ভীত হয়ে দীর্ণ-বিদীর্ণ হয়ে গেছে । আমি এসব দৃষ্টান্ত মানুষের জন্য বর্ণনা করি, যাতে করে তারা চিন্তা-ভাবনা করে"
---- (সূরা হাশর-২১)
প্রিয় ভাই ও বোনেরা । আল কুরআনের গুরুভার বহন করা কত কঠিন, চিন্তা করুন । অহী লেখক হযরত যায়েদ ইবনে সাবিত (রাঃ) বলেন, একবার নবী করীম (ছাঃ) এর উপর অহী নাযিল হচ্ছিল । এই সময় তিনি তার উরু আমার উরুর উপর রেখে শুয়েছিলেন । তখন আমার উরুর উপর এমন এক চাপ অনুভব করলাম যাতে আশংকা করলাম যে, আমার উরু চুর্ণ-বিচুর্ণ হয়ে যাবে । (সহীহ বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ)
হযরত আয়িশা (রাঃ) বর্ণনা করেন, "আমি তীব্র শীত কালেও নবী করীম (ছাঃ) এর উপর অহী নাযিল হতে দেখেছি । সেই সময়ও তার কপাল থেকে ঘাম ঝরে পড়তো" (বুখারী, মুসলিম)
আরেক হাদীছে আয়িশা (রাঃ) বলেন, হযরত মুহাম্মাদ (ছাঃ) উটের উপর আরোহী থাকা অবস্থায় তার উপর অহী নাযিল হতে থাকলে উট তার বুক (ভারে) মাটির সাথে মিশিয়ে দিতো এবং অহী নাযিল সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত উট বিন্দুমাত্র নড়াচড়াও করতে পারতো না"
(মুসনাদে আহমাদ, হাকেম, ইবনে জারীর)
মহান আল্লাহ্‌ই এই ব্যাপারে ভালো জানেন। জাযাকাল্লাহ ।
জয়েন করুনঃ << সুন্দর মন ও মনুষ্যত্বের আহবানে