Past Week
♦আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ~~~~~ ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~>>>>>>>ভুল পদ্বতি রেখে আসুন ইসলামের '(সহিহ পথে)'------------------------------ >>>>>>>>>তাসবীহগননার সহিহ পদ্বতি: (1) عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ رَأَيْتُ رَسُوْلَ اللهِ  يَعْقِدُ التَّسْبِيْحَ بِيَمِيْنِهِ. আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) বলেন, আমি রাসূল (ছাঃ)-কে ডান হাতে তাসবীহ গণনা করতে দেখেছি।[1] عَنْ يُسَيْرَةَ قَالَتْ قَالَ لَنَا رَسُوْلُ اللهِ  عَلَيْكُنَّ بِالتَّسْبِيْحِ وَالتَّهْلِيْلِ وَالتَّقْدِيْسِ وَلاَ تَغْفُلْنَ فَتَنْسَيْنَ التَّوْحِيْدَ وَاعْقِدْنَ بِالأَنَامِلِ فَإِنَّهُنَّ مَسْئُوْلاَتٌ مُسْتَنْطَقَاتٌ. ইউসায়রা (রাঃ) বলেন, একদা রাসূল (ছাঃ) আমাদেরকে বলেন, তোমরা তাসবীহ, তাহলীল এবং পবিত্রতা বর্ণনা করবে। এতে তোমরা গাফলতি কর না। কারণ তোমরা তাওহীদ ভুলে যাবে। আর তোমরা আঙ্গুলে তাসবীহ বর্ণনা করবে। সেগুলো জিজ্ঞাসিত হবে এবং কথা বলবে।[2] ( আবুদাঊদ হা/১৫০২,)( তিরমিযী হা/৩৪৮৬ ও ৩৫৮৩; তিরমিযী হা/৩৪৮৬)1-dot
1 Photo · 1 Photo
☞☞ তাকছিম-এ-মিৰাছ ☜☜ ( পৰিত্যক্ত সম্পত্তিৰ বন্তন ) মহান আল্লাহে পবিত্ৰ কোৰআনৰ চুৰা আন-নিছাত উল্লেখ কৰা এক অত্যন্ত গুৰুত্বপূৰ্ণ বিষয় হৈছে মৃতকৰ পৰিত্যক্ত সম্পত্তিৰ বন্তন পদ্ধতি । আল্লাহে এই বিষয়টিত ইমানেই গুৰুত্ব প্ৰদান কৰিছে যে, এই পৰিত্যক্ত সম্পত্তিৰ কোনে কি পৰিমাণে অধিকাৰ লাভ কৰিব তাৰ বিতং বিৱৰণ স্বয়ং আল্লাহে প্ৰত্যক্ষ ভাবে নিজেই কোৰআনত তফচীৰ সহকাৰে উল্লেখ কৰি দিছে । কিন্তু অতি দূৰ্ভাগ্যজনক বিষয় যে চালাত, চিয়াম, হজ্জ, যাকাত আদি ফৰজ হুকুমক আমি যি দৰে গুৰুত্ব প্ৰদান কৰি আহিছো, তাৰ তুলনাত আমি গৰিষ্ঠ সংখ্যকেই সম্পত্তি বন্তনৰ এই ফৰজ হুকুমক বিশেষ গুৰুত্বই নিদি প্ৰায় সম্পূৰ্ণৰূপে এলাগী কৰি দিছো । ইয়াৰ পৰিণতি নিঃসন্দেহে হব অতি ভয়ানক !! যিহেতু ইয়াৰ সৈতে জড়িত হৈ আল্লাহৰ স্পষ্ট নিৰ্দ্ধাৰিত হুকুম আৰু উত্তৰাধিকাৰীৰ হক্ক !! আল্লাহে আমাক সকলোকে এই গুৰুত্বপূৰ্ণ ফৰজ নিৰ্দ্ধাৰিত ভাৱে আমল কৰাৰ তৌফিক দান কৰক !! কোনো ব্যক্তি জীৱিত কালত তেখেতৰ সম্পত্তিৰ মালিক একমাত্ৰ তেখেত নিজেই !! কিন্তু তেখেতৰ ইন্তেকালৰ লগে লগেই সকলো সৰু-বৰ সম্পত্তিৰ মালিকীস্বত্ত আল্লাহ প্ৰদত্ত নিতী অনুসৰি পৰিয়ালৰ উত্তৰাধিকাৰীয়ে automatically লাভ কৰে । উত্তৰাধিকাৰীৰ সম্পত্তিৰ নিৰ্দ্ধাৰিত অংশ পৃথিৱীৰ কোনো ব্যক্তিৰেই কম বা বেছি কৰাৰ অধিকাৰ নাই, যিহেতু স্বয়ং আল্লাহে এই সম্পত্তি ইতিমধ্যে এক বিশেষ সুত্ৰৰ দ্বাৰা সকলোৰে বাবে নিৰ্দ্ধাৰণ কৰি দিছে । আমাৰ দায়িত্ব হৈছে সেই সুত্ৰ অনুসৰি আমল কৰা । মৃতকৰ এই পৰিত্যক্ত সম্পত্তি বন্তনৰ আগত নিম্ন উল্লখিত বিষয় সমূহ প্ৰথমে সমাধান কৰি নোলোৱাকৈ যাতে কোনেও পৰিত্যক্ত সম্পত্তিৰ বন্তনৰ নকৰে, তাৰ বাবে সদায় সতৰ্ক থকা উচিত । ১] অছিয়ত - কোনো ব্যক্তিয়ে জীৱিত কালত তেখেতৰ মূল সম্পত্তিৰ পৰা সৰ্ব্বাধিক এক তৃতীয়াংশহে উত্তৰাধিকাৰীৰ বাহিৰৰ কোনো লোকৰ বাবে অছিয়ত কৰিব পাৰিব । যদি কোনো ব্যক্তিয়ে তেখেতৰ সম্পত্তিৰ এক তৃতীয়াংশ বা তাতোকৈ কম ইতিমধ্যে আনৰ বাবে অছিয়ত কৰি গৈছে , তেন্তে সেই অংশ বাদ দি বাকী থকা অংশহে উত্তৰাধিকাৰীৰ বাবে বন্তনৰ বাবে প্ৰযোজ্য । উল্লেখযোগ্য যে আল্লাহ প্ৰদত্ত উত্তৰাধিকাৰীৰ অংশত জীৱিত ব্যক্তিৰ কোনো অছিয়ত প্ৰযোজ্য নহয় । ২] মৃত ব্যক্তিয়ে যদি কাৰোবাক ৠন পৰিশোধ কৰিবলৈ বাকী থাকে , তেন্তে মূল সম্পত্তিৰ পৰা এই ঋনৰ পৰিমাণ পৃথক কৰি পৰিশোধ কৰাৰ ব্যৱস্থা কৰিব লাগে । ৩] মৃত ব্যক্তিৰ যদি কোনো কাৰণ বশতঃ যাকাত আদায় দিবলৈ বাকী থাকে , সেই যাকাতৰ পৰিমাণো বন্তন কৰিব লগা সম্পত্তিৰ পৰা পৃথক কৰি লব লাগিব । ৪] মৃত ব্যক্তিৰ যদি কোনো মছজিদ বা আন কোনো ৰাজহুৱা অনুস্হানত ( ইছলামৰ অনুমোদিত ) অছিয়ত কৰা দান খাইৰাত দিবলৈ বাকী থাকে তেন্তে তাৰ পৰিমাণো মূল সম্পত্তিৰ পৰা পৃথক কৰি লব লাগিব । ৫] কাৰোবাৰ যদি কোনো ধন বা আন কোনো বস্তু মৃত ব্যক্তিৰ ওচৰত জমা ৰাখিছিল , তাৰ পৰিমাণো মূল সম্পত্তিৰ পৰা পৃথক কৰি লব লাগিব । (নবী চল্লাল্লাহু আলাইহি অছাল্লামে কৈছে যে জীৱিত কালত মানুহৰ কোনো অছিয়ত বা ধাৰ ঋন সম্পৰ্কীয় বিষয়বোৰ নিলিখাকৈ যাতে তিন দিনতকৈ অধিক সময় কোনোৱে অতিক্ৰম নকৰে ।) ওপৰত উল্লখিত প্ৰাৰম্ভিক বিষয় সমূহৰ সৈতে জড়িত ধনৰ পৰিমাণ পৃথক কৰি লোৱাৰ অন্তত ৰৈ যোৱা সম্পত্তিহে প্ৰকৃততে আল্লাহৰ নিৰ্দেশ অনুসৰি উত্তৰাধিকাৰীৰ মাজত বন্তন কৰিব লগা সম্পত্তিৰ পৰিমাণ । ( ক্ৰমশঃ ইন শ্বা আল্লাহ )☞☞☞☞☞☞1-dot
2 Photos · 2 Photos
মুহাম্মাদ ইবন মুসান্না (রহঃ) আবূ সালামা ও আতা ইবন ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তারা আবূ সা ঈদ খূদরী (রাঃ)-এর কাছে এলেন। তারা তাঁকে হারুরিয়্যা সম্প্রদায় সম্পর্কে প্রশ্ন করলেন যে, আপনি কি নাবী (সাঃ) থেকে এদের সম্পর্কে কিছু শুনেছেন? তিনি বললেনঃ হারুবিয়্যা কি তা আমি জানিনা। তবে নাবী (সাঃ) কে বলতে শুনেছি। উম্মাতের মধ্যে বের হবে। তার থেকে সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে কথাটি বলেননি। যাদের সালাত (নামায)-এর তূলনায় তোমরা তোমাদের সালাত (নামায)কে তুচ্ছ মনে করবে। তারা কুরআন পড়বে বটে কিন্তু তা তাদের গলদেশ অতিক্রম করবে না। তারা দ্বীন থেকে বের হয়ে যাবে যেমন তীর শিকার ভেদ করে বের হয়ে যায়। তীর নিক্ষেপকারী তীরের প্রতি, তার অগ্রভাগের প্রতি, তীরের মুখে বেষ্টনীর প্রতি লক্ষ্য করে! তীরের ছিলার বেলায়ও সন্দেহ হয় যে তাতে কিছু রক্ত লেগে রইল কি না। সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদের তউবা হাদিস নাম্বারঃ ৬৪৬২1-dot
1 Photo · 1 Photo
সালফে সালেহীনদের মানহাজে বিদআ’তিদের অবস্থান _________________________ ১. ছুপা বিদাআ’তী (যে অন্তরে নিজের বিদআ’তকে লুকিয়ে রাখে), এমন লোকদেরকে চেনার সহজ উপায়ঃ ইমাম আল-আউযায়ী রহিমাহুল্লাহ বলেন, “যে ব্যক্তি আমাদের কাছে তার বিদআ’তকে লুকিয়ে রাখে, সে কখনো আমাদের কাছে তার সংগীদেরকে লুকিয়ে রাখতে পারবেনা।” [আল-ইবানাহঃ ২/৪৭৬] অর্থাৎ যারা নিজেরা বিদাত প্রকাশ করেনা, কিন্তু বিদাতী লোকদের সাথে উঠা-বসা, বন্ধুত্ব ও ভালোবাসা রাখে, সে ব্যক্তি ঐ বিদাতীদের মতোই। _________________________ ২. বিদআ’তি কোন ব্যক্তির ওয়াজ বা লেকচার শোনা, তার লেখা বই-পুস্তক পড়া বা তার কাছ থেকে ‘ইলম’ নেওয়ার হুকুমঃ ইমাম আল-বারবাহারি রাহিমাহুল্লাহ বলেন, “কোন বাক্তির মাঝে বিদআ’ত প্রকাশ পেলে, তুমি তার কাছ থেকে সাবধান থেকো। কেননা, সে যা প্রকাশ করে, তা অপেক্ষা সে যা গোপন করে তা অনেক বেশী ভয়ংকর।” [ইমাম আল-বারবাহারী, শরাহুস সুন্নাহ] _________________________ ৩. ওলামাদের সতর্কবানী সত্ত্বেও, শুধুমাত্র প্রিয় বক্তা বা লেখকের প্রতি ভালোবাসার কারণে বিদআ’তির কাছ থেকে ইলম নেওয়ার ভয়াবহ পরিণতিঃ ফুযাইল ইবনে আইয়ায রাহিমাহুল্লাহ বলেন, “তুমি কোন আহলুল বিদআ’হর লোকের সাথে বসবেনা। আমি ভয় করি যে, তুমি যদি কোন বিদআ’তির সাথে বসো, তাহলে আল্লাহর অভিশাপ তোমার উপরেও আসবে।” [ইমাম আল-বারবাহারী, শরাহুস সুন্নাহ] ইমাম সুফিয়ান আস-সাউরি রাহিমাহুল্লাহ বলেন, “যে ব্যক্তি একজন বিদআ’তির কথা শ্রবণ করে, সে আল্লাহর হেফাজত থেকে নিজেকে বের করে নিলো, এবং তাকে তার উপরেই ছেড়ে দেওয়া হবে।” [ইমাম আল-বারবাহারী, শরাহুস সুন্নাহ] _________________________ ৪. বিদআ’তীদের ব্যপারে আমাদের দৃষ্টিভংগি কেমন হওয়া উচিতঃ ইমাম আত-ত্বাহাবী রাহিমাহুল্লাহ বলেন, “যারা আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের আক্বীদাহর বিরোধিতা করে, তাদের সঙ্গে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই।” [আল-আক্বীদাহ আত-তাহাবীয়া] ইমাম আল-বারবাহারি রাহিমাহুল্লাহ বলেন, “বিদআ’তিরা হচ্ছে বিছার মত। বিছা নিজের মাথা ও সারা দেহকে মাটিতে লুকিয়ে রাখে এবং কেবল হুলটিকে বের করে রাখে। অতঃপর যখনই সুযোগ পায়, তখনই হুল দিয়ে আঘাত করে। অনুরূপ, বিদআ’তি লোকেরা নিজেদের বিদআ’তকে লুকিয়ে রাখে। কিন্তু যখন সুযোগ পায়, তখন নিজেদের ইচ্ছা পূরণ করে।” [তাবাকাতুল হানাবিলাহঃ ২/৪৪] উতবাহ আল-গুলাম রাহিমাহুল্লাহ বলেন, “যে ব্যক্তি আমাদের সাথে নয়, জেনে রাখ নিশ্চয়ই সে আমাদের বিপক্ষে।” [আল-ইবানাহঃ ২/৪৩৭] collected from তোমরা তোমাদের পালনকর্তার অভিমূখী হও এবং তাঁর আজ্ঞাবহ হও1-dot
1 Photo · 1 Photo
How should Muslims assesses their leaders and scholars? Allah سُبْحَانَهُ وَ تَعَالَى revelation was delivered to us through His Messenger Muhammad صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم and the Prophet’s Sahaba رضي الله عنه and has left us "The Muslim Ummah" with clear measures of how to assess and judge a person’s character and his actions - regardless who he is!!! So Allah سُبْحَانَهُ وَ تَعَالَى has not left us to ourselves, to be misled by our own irrational thoughts, emotions, hopes and wishes! It's good to think well of people - as a starting point, but only as long as they show us something good, for as soon as they show us something else, something evil / Haram, then we should stop thinking good about the person, whether or not we’re obliged to find 70 excuses for him / her first. So the one who steals must be punished for theft, whether he stole it to feed the poor and hungry children in Syria, and whether he or she is sorry afterwards. Because an action that’s Haram even if it’s aimed at doing something good – then it’s still Haram! - We have to be careful not mixing things and topics together, because every action must be evaluated for itself - according to its related hukm. (Thus, our assessment of Salah as being valid or not, is not based upon ideas (Ahkam) related to al-Dhikr in general, but only upon the related specific Akham-Salah). Therefore Al Faruq - "Umar ibn Al-Khattab رضي الله عنه " said: عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُتْبَةَ قَالَ سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ إِنَّ أُنَاسًا كَانُوا يُؤْخَذُونَ بِالْوَحْيِ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَإِنَّ الْوَحْيَ قَدْ انْقَطَعَ وَإِنَّمَا نَأْخُذُكُمْ الْآنَ بِمَا ظَهَرَ لَنَا مِنْ أَعْمَالِكُمْ فَمَنْ أَظْهَرَ لَنَا خَيْرًا أَمِنَّاهُ وَقَرَّبْنَاهُ وَلَيْسَ إِلَيْنَا مِنْ سَرِيرَتِهِ شَيْءٌ اللَّهُ يُحَاسِبُهُ فِي سَرِيرَتِهِ وَمَنْ أَظْهَرَ لَنَا سُوءًا لَمْ نَأْمَنْهُ وَلَمْ نُصَدِّقْهُ وَإِنْ قَالَ إِنَّ سَرِيرَتَهُ حَسَنَةٌ Abdullah ibn Utbah reported: I heard Umar ibn Al-Khattab, may Allah be pleased with him, say, “Verily, in the time of the Messenger of Allah, peace and blessings be upon him, the people would be judged by revelation, but the revelation has ended. - Now we judge you according to your outward deeds. - Whoever shows us good, we will trust him and favor him and it is not for us to judge his inner secrets, for Allah will hold him accountable for those. - Whoever shows us evil, then we will not trust him or believe in him even if he claims his intention is good.” Source: Sahih Bukhari 2498 صحيح البخاري كِتَاب الشَّهَادَاتِ بَاب الشُّهَدَاءِ الْعُدُولِ Umar رضي الله عنه here tells us, that people must be assessed by and solely judged by their visible actions and statements – and of course in relation to their specific revealed Akham, that is, is the action or statement "Halal or Haram". The conclusion: We should only judge people based upon a firm foundation, so we can only judge people by what we see and hear, and not by what we imagine, hope or think – (Intentions are left to Allah) - so if we catch a person lying just once, we should be careful about taking anything from him on face value only, because by lying he showed us, that he isn’t to be trusted. And if we catch him in additional lies, then we have to stop believing in his statement entirely, but rather regard him as a liar and an untrustworthy person. Just as Allah سُبْحَانَهُ وَ تَعَالَى will record him as a liar. Abdullah b. Mas'ud رضي الله عنه reported: The Prophet صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم said, “Truthfulness leads to righteousness and righteousness leads to Paradise. A man will keep speaking the truth and striving to speak the truth until he will be recorded with Allāh as a siddeeq (speaker of the truth). Lying leads to wickedness and wickedness leads to Hell fire. A man will keep telling lies and striving to tell lies until he is recorded with Allāh as a liar.” [Agreed upon]. Based upon the above criteria, we all can evaluate and judge the so-called Muslim leaders and Ulema around the world. and remember the speech of Allah سُبْحَانَهُ وَ تَعَالَى: Allah سُبْحَانَهُ وَ تَعَالَى said, ﴿فَإِن تَنَازَعْتُمْ فِى شَىْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللَّهِ وَالرَّسُولِ﴾ ((And) if you differ in anything amongst yourselves, refer it to Allah and His Messenger). written by ND about the sura [OQM. Al-Nisaa’ 4: 59] Mujahid and several others among the Salaf said: that the Ayah means, "(Refer) to the Book of Allah and the Sunnah of His Messenger.'' This is a command from Allah that whatever areas the people dispute about, whether major or minor areas of the religion, they are required to refer to the Qur'an and Sunnah for judgment concerning these disputes. In another Ayah, Allah said, ﴿وَمَا اخْتَلَفْتُمْ فِيهِ مِن شَىْءٍ فَحُكْمُهُ إِلَى اللَّهِ﴾ (And in whatsoever you differ, the decision thereof is with Allah). Therefore, whatever the Book and Sunnah decide and testify to the truth of, then it, is the plain truth. What is beyond truth, save falsehood This is why Allah said, u ﴿إِن كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الاٌّخِرِ﴾ (if you believe in Allah and in the Last Day.) meaning, refer the disputes and conflicts that arise between you to the Book of Allah and the Sunnah of His Messenger for judgment. Allah's statement, ﴿إِن كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الاٌّخِرِ﴾ (if you believe in Allah and in the Last Day. ) indicates that those who do not refer to the Book and Sunnah for judgment in their disputes, are not believers in Allah or the Last Day. (Source: Tafsir of Ibn Kathir)1-dot
1 Photo · 1 Photo
বিষয়ঃ তাশাহ্হুদে বসে শাহাদাত আঙ্গুল একবার উঠানো: . . . . . . . . . . আঙ্গুল দ্বারা একবার ইশারা করার কোন দলীল নেই। এর পক্ষে কোন জাল হাদীছও নেই। প্রচলিত আছে যে, ‘লা ইলা-হা’ বলার সময় আঙ্গুল উঠাতে হবে। কেউ বলেন, ‘ইল্লাল্লাহ’ বলার সময় উঠাতে হবে। এগুলো সবই ব্যক্তি মতামত। হাদীছে এগুলোর কোন দলীল নেই। ছহীহ সনদে নেই, যঈফ সনদে নেই, এমনকি জাল সনদেও নেই। অনুরূপভাবে আঙ্গুল উঠিয়ে রেখে দেয়ারও কোন ভিত্তি নেই। বরং ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, সালাম পর্যন্ত আঙ্গুল নড়াতে থাকতে হবে।[1] উল্লেখ্য যে, অনেকে আঙ্গুল উঠিয়ে রাখে কিন্তু ইশারা করে না। এটাও ঠিক নয়। কারণ উক্ত মর্মে যে হাদীছ বর্ণিত হয়েছে তা যঈফ। عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ الزُّبَيْرِ أَنَّهُ ذَكَرَ أَنَّ النَّبِىَّ  كَانَ يُشِيْرُ بِأُصْبُعِهِ إِذَا دَعَا وَلاَ يُحَرِّكُهَا.‏ আব্দুল্লাহ বিন যুবায়ের (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যখন দু‘আ করতেন তখন আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করতেন। কিন্তু নাড়াতেন না।[2] তাহক্বীক্ব : বর্ণনাটি যঈফ।[3] ‘আঙ্গুল নাড়াতেন না’ অংশটুকু ছহীহ হাদীছে নেই। বরং আঙ্গুল নাড়ানোর পক্ষেই ছহীহ হাদীছ রয়েছে। যেমন- ثُمَّ رَفَعَ أُصْبُعَهُ فَرَأَيْتُهُ يُحَرِّكُهَا يَدْعُو بِهَا ‏ ‎‘অতঃপর তিনি তাঁর আঙ্গুল উঠাতেন। রাবী ওয়ায়েল বিন হুজর বলেন, আমি দেখতাম তিনি আঙ্গুল নাড়িয়ে দু‘আ করতেন’।[4] অতএব তাশাহ্হুদ পড়া থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত কিংবা শেষ বৈঠকে সালাম ফিরানো পর্যন্ত ডান হাতের শাহাদাত আঙ্গুল দ্বারা সর্বদা ইশারা করবে। এ সময় দৃষ্টি থাকবে আঙ্গুলের মাথায়।[5] দুই তাশাহ্হুদেই ইশারা করবে।[6] ‎عَنِ ابْنِ أَبْزَى أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ  كَانَ يُشِيْرُ بِأُصْبُعِهِ السَّبَّاحَةِ فِى الصَّلاَةِ.‏‎ ইবনু আবযা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ছাঃ) ছালাতে তার শাহাদাত আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করতেন।[7] عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ الزُّبَيْرِ قَالَ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ  إِذَا قَعَدَ يَدْعُو وَضَعَ يَدَهُ الْيُمْنَى عَلَى فَخِذِهِ الْيُمْنَى وَيَدَهُ الْيُسْرَى عَلَى فَخِذِهِ الْيُسْرَى وَأَشَارَ بِأُصْبُعِهِ السَّبَّابَةِ وَوَضَعَ إِبْهَامَهُ عَلَى أُصْبُعِهِ الْوُسْطَى وَيُلْقِمُ كَفَّهُ الْيُسْرَى رُكْبَتَهُ‏‎. আব্দুল্লাহ ইবনু যুবায়ের (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) যখন তাশাহ্হুদে বসতেন, তখন দু‘আ করতেন। তিনি ডান হাত ডান উরুর উপর এবং বাম হাত বাম উরুর উপর রাখতেন। আর শাহাদাত আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করতেন এবং বৃদ্ধা আঙ্গুল মধ্যমা আঙ্গুলের উপর রাখতেন। আর বাম হাতের পাতা দ্বারা বাম হাঁটু চেপে ধরতেন।[8] উল্লেখ্য যে, অন্য হাদীছে এসেছে, তিপ্পান্নের ন্যায় ডান হাত মুষ্টিবদ্ধ করে শাহাদাত আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করবে।[9] [1]. তাহক্বীক্ব মিশকাত হা/৯০৬-এর টীকা দ্রঃ, ১/২৮৫ পৃঃ- والظاهر من الحديث أن الاشارة والرفع عقب الجلوس وما يقال إن الرفع إنما هو عند قوله لا إله وفي المذهب الآخر عند قوله إلا الله فكله رأي لا دليل عليه من السنة، وقول ابن حجو الفقيه كما نقله في المرقاة ويسن... أن يخصص الرفع بكونه مع إلا الله لما في رواية لمسلم. فوهم محض، فإنه لاأصل لذلك لا في مسلم ولا في غيره من كتب السنة لا باسناده صحيح ولاضعيف بل ولا موضوع. ومثله وضع الأصبع بعد الرفع لاأصل له بل ظاهر الحديث الآتى (৯০৭) وغيره استمرار تحريكها إلى السلام.। [2]. আবুদাঊদ হা/৯৮৯, ১/১৪২ পৃঃ; নাসাঈ, আল-কুবরা ১/৩৭২; বায়হাক্বী ২/১৩২; মিশকাত হা/৯১২; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৮১৫, ২/৩০৬ পৃঃ। [3]. যঈফ আবুদাঊদ হা/৯৮৯; তামামুল মিন্না, পৃঃ ২১৮। [4]. নাসাঈ হা/৮৮৯, ১/১০৩ পৃঃ ও ১২৬৮, ১/১৪২ পৃঃ সনদ ছহীহ। [5]. নাসাঈ হা/১২৭৫, ১/১৪২ পৃঃ, হা/১১৬০, ১/১৩০ পৃঃ। [6]. বায়হাক্বী, সুনানুল কুবরা হা/২৯০৩; সনদ ছহীহ, ছিফাতু ছালাতিন নবী, পৃঃ ১৫৯। [7]. আহমাদ হা/১৫৪০৫; সনদ ছহীহ, সিলসিলা ছহীহাহ হা/৩১৮১। [8]. ছহীহ মুসলিম হা/১৩৩৬, ১৩৩৮, ১/২১৬ পৃঃ, (ইফাবা হা/১১৮৪); মিশকাত হা/৯০৮; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৮৪৭, ২/৩০৪ পৃঃ। [9]. ছহীহ মুসলিম হা/১৩৩৮, ১/২১৬ পৃঃ, (ইফাবা হা/১১৮৬); মিশকাত হা/৯০৬; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৮৪৬, ২/৩০৩ পৃঃ।1-dot
1 Photo · 1 Photo
[ সহজ দশটি আযকার (যিকির) যার সাওয়াব অনেক বেশি ] (১) প্রতিদিন ১০০ বার সুবহান আল্লাহ্‌ পাঠ করলে ১০০০ সাওয়াব লিখা হয় এবং ১০০০ গুনাহ মাফ করা হয় ।[সহীহ মুসলিম-৪/২০৭৩] (২) আলহামদুলিল্লাহ মীযানের পাল্লাকে ভারী করে দেয় এবং সর্বোত্তম দোআ’। [তিরমিযী-৫/৪৬২,ইবনে মাযাহ-২/১২৪৯,হাকিম-১/৫০৩,সহীহ আল জামে’-১/৩৬২] (৩) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ সর্বোত্তম যিকর। [তিরমিযী-৫/৪৬২,ইবনে মাযাহ-২/১২৪৯,হাকিম-১/৫০৩,সহীহ আল জামে’-১/৩৬২] (৪) সুবহান আল্লাহ ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর এই কালিমাগুলি আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয় এবং নবী (সঃ) বলেনঃ পৃথিবীর সমস্ত জিনিসের চইতে আমার নিকট অধিক প্রিয়। [ সহীহ মুসলিম -৩/১৬৮৫, ৪/২০৭২ (৫) যে ব্যক্তি সুবহানাল্লাহি ওয়াবি হামদিহী প্রতিদিন ১০০ বার পাঠ করবে সমুদ্রের ফেনা পরিমান (সগীরা) গুনাহ থাকলে ও তাকে মাফ করে দেওয়া হবে। [সহীহ আল-বুখারী-৭/১৬৮,সহীহ মুসলিম-৪/২০৭১] (৬) নবী (সঃ) বলেনঃ সুবহানাল্লাহি ওয়াবি হামদিহী সুবহানাল্লাহিল আযিম এই কালীমাগুলি জিহ্বায় উচ্চারনে সহজ , মীযানের পাল্লায় ভারী ,দয়াময় আল্লাহর নিকট প্রিয় । [সহিহ আল- বুখারী-৭/১৬৮,সহীহ মুসলিম-৪/২০৭২]। (৭) যে ব্যক্তি সুবহানাল্লাহিল আযীমি ওয়াবি হামদিহী পাঠ করবে প্রতিবারে তার জন্য জান্নাতে একটি করে (জান্নাতী)খেজুর গাছ রোপন করা হবে । [আত-তিরমিযী-৫/৫১১,আল-হাকীম-১/৫০১, সহীহ আল-জামে’-৫/৫৩১, সহীহ আত-তিরমিজী-৩/১৬০ ] (৮) নবী (সঃ) বলেনঃ লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ হচ্ছে জান্নাতের গুপ্তধন সমুহের মধ্যে একটি গুপ্তধন। [ সহীহ আল-বুখারী -১১/২১৩, সহীহ মুসলিম- ৪/২০৭৬] (৯) নবী (সঃ) বলেনঃ সুবহান আল্লাহ ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ এই কালীমাগুলি হচ্ছে “অবশিষ্ট নেকআ’মল সমুহ” । [ আহমাদ (সহীহ)-৫১৩, মাজমাউজ জাওয়াঈদ-১/২৯৭ ] (১০) নবী (সঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দুরুদ পাঠ করবে আল্লাহ তাআ’লা তার প্রতি দশ বার রহমত বরষন করবেন। আল্লাহুম্মা সাল্লি ’আলা মুহাম্মাদিঁওয়া ’আলা আলি মুহাম্মাদিন্‌ কামা সাল্লায়তা ’আলা ইব্রাহীমা ওয়া ’আলা ’আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজিদ আল্লাহুম্মা বারিক ’আলা মুহাম্মাদিঁওয়া ’আলা আলি মুহাম্মাদিন্‌ কামা বারাকতা ’আলা ইব্রাহীমা ওয়া ’আলা ’আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজিদ এবং তিনি (সঃ) আরো বলেনঃ যে ব্যক্তি আমার প্রতি সকালে দশবার এবং বিকেলে দশবার দুরুদ পাঠ করবে সে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন আমার শাফায়াত পাবে। [তাবারানী,মাজময়াউজ জাওয়াঈদ-১০/১২০, সহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব-১/২৭৩] ইসলাম প্রচার করুন এতে আপনার সওয়াব বাড়বে বৈ কমবে না ।1-dot
1 Photo · 1 Photo
Past Month
কখনো কি ভেবে দেখেছি, রাসূলুল্লাহ(ﷺ) এবং তাঁর সাহাবীদের আড্ডার আসর কিংবা মজলিস কতোটা চমকপ্রদ কথার ফুল ঝুড়িতে ভরপুর থাকতো?! সাহাবীগন এতোটা সাবলিল ভাবে আল্লাহর রাসুল(ﷺ) এর সাথে মিশতে পারতেন যে, হাদিসে তো এসেছে, আল্লাহর রাসুল(ﷺ) এর হাতের আংগুল ধরে কেউ টেনে নিয়ে যেতে চাইলেই তা পারতেন। আচ্ছা, আমরাও তো বন্ধুরা আড্ডা দেই, কিন্তু আমাদের আড্ডার বিষয়ে চেলসির হার-জিত, অমুক ছবির ডায়লগ, বন্ধুদের সাথে উদ্দেশ্যহীন দুষ্টুমিই জুড়ে থাকে। অথচ, কেমন ছিল আল্লাহর রাসুল(ﷺ) এবং তাঁর সাথীদের (সাহাবী) সম্পর্ক?? আল্লাহর শারীয়াহ গত হুকুম ব্যতিত মানবীয় দিক থেকে ও তাঁদের মাঝে অনেক কথোপকথন সম্পাদিত হতো, যেখানে প্রত্যেকে তাঁদের পছন্দনীয় /অপছন্দনীয় বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করতেন। চলুন, আজ আপনাদের নিয়ে যাচ্ছি রূপকথার এমন এক মজলিসে; যেখানে আল্লাহর রাসুল (ﷺ) এবং তাঁর সাহাবীগন স্বর্গীয় আলোচনায় মশগুল :) ... একদিন আল্লাহর রাসুল(ﷺ) তাঁর সাহাবীদের নিয়ে একটি মজলিসে অবস্থান করছিলেন। তিনি (ﷺ) সাহাবীদের লক্ষ্য করে বললেন, "এই দুনিয়ার তিনটি জিনিস আমার খুব পছন্দেরঃ সুগন্ধী, স্বামীর আনুগত্যকারী নারী, এবং সালাত- যা আমার চক্ষু প্রশান্ত করে"। (একথা শুনে- সাহাবিদের মধ্য হতে) আবু বকর (রা) বললেন, "একদম সত্য বলেছেন" এবং আমিও অন্তরে তিনটি পছন্দনীয় বিষয় লালন করিঃ আপনার চেহারার দিকে তাকিয়ে থাকা, আমার সমস্ত সম্পদ আপনার জন্য উৎসর্গ করা, এবং আমার কন্যা আপনার স্ত্রী! (এটাই আমার ভালো লাগা)" (একথা শুনে- সাহাবীদের মধ্য হতে) উমার (রা) বললেন, "একদম সত্য বলেছেন" এবং আমিও তিনটি বিষয় খুব ভালোবাসিঃ সৎ কাজের আদেশ দেয়া, অসৎ কাজের নিষেধ করা, ও ছেড়া-জীর্ন-পুরনো জামা পরিধান করা"। (একথা শুনে- সাহাবীদের মধ্য হতে) উসমান (রা) বললেন, "একদম সত্য বলেছেন" এবং আমিও তিনটি বিষয় খুব ভালোবাসিঃ ক্ষুধার্তকে অন্ন দান করা, বস্ত্রহীনকে বস্ত্রদান করা, কোর'আন তিলাওয়াতে প্রশান্ত হওয়া" (একথা শুনে- সাহাবীদের মধ্য হতে) আলী (রা) বললেন, "একদম সত্য বলেছেন" এবং আমিও আমার পছন্দের তিনটি বিষয় ব্যক্ত করতে চাইঃ অতিথি আপ্যায়ন করা, তীব্র গরমের সময়ে দিনে সাওম পালন করা, শত্রুকে তরবারী দিয়ে আঘাত করা(জিহাদ করা)"। সাহাবীগন যখন আলোচনা করছিলেন, ঠিক এ সময় জীব্রাঈল (আ) সাহাবীদের মজলিসে রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এর সম্মুক্ষে উপস্থিত হলেন। তিনি বললেন, "আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আল্লাহ তা'য়ালা আপনাদের কথাবার্তা শুনে আমাকে পাঠিয়েছেন, যদি আমি দুনিয়াবাসী হতাম তবে আমি যা পছন্দ করতাম তা যেনো শুনাতে আপনি আমাকে আদেশ করেন"। আল্লাহর রাসুল (সা) বললেন, "তবে হে জীব্রাঈল আপনি যদি দুনিয়াবাসী হতেন তবে কি পছন্দ করতেন?" জীব্রাঈল (আ) বললেন, "যদি আমি মানুষ হতাম তবে আমি পছন্দ করতাম- গোমরাহীদের হিদায়াতের পথে আনতে, তাদের ভালোবাসতে ; যারা দারিদ্রতার মাঝেও আল্লাহর স্বরণে গাফেল হয় না, এবং প্রকৃত মিসকীনদের সাহায্য করতে (যারা লজ্জায় হাত পাতে না)"। এরপর তিনি বললেন, "এবং আল্লাহ সুবহানাওতা'য়ালা ও তাঁর বান্দার তিনটি গুন সবচেয়ে পছন্দ করেনঃ যদি বান্দা দ্বীনের উপর অটল থাকতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে, আল্লাহর জন্য দু'ফোটা ( চোখের জল ফেলা এবং রক্ত দিয়ে শহীদ হওয়া) বিসর্জন দেয়, এবং বান্দাকে যখন দুঃখ, কষ্ট, দারিদ্রতার মাঝে নিমজ্জিত রাখা হয় তখন যদি সে সবর করে"। আহা! সাহাবীদের মজলিসে ফেরেশতারাও অংশগ্রহন করতেন। তবে তাঁদের সেই পছন্দনীয় আমল কিংবা বিষয়গুলোকে আমরাও যদি পছন্দনীয় করতে পারি, হয়তো স্বপ্নের আল-জান্নাতুল ফেরদাউসের মজলিসে আল্লাহ আমাদের কবুল করবেন, ইন শা আল্লাহ। :)1-dot
1 Photo · 1 Photo
Saved from Amanah's post
নামাজ নপঢ়ি ৰোজা পালন কৰিলে কবুল হব নে? সমস্ত প্রশংসা আল্লাহৰ বাবে। পোনপ্ৰথমেই এটা কথা জানি থোৱা উচিত যে বেনামাজীৰ যাকাত, ৰোজা, হজ্জ ইত্যাদি কোনো আমলেই কবুল নহয় ৷ ইমাম বুখাৰী (৫২০) বুৰাইদা (ৰাঃ)ৰ পৰা বর্ণিত আছে যে, তেঁও কৈছে ৰাছুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ছাল্লাম কৈছিল َ “যি ব্যক্তিয়ে আছৰৰ নামায ত্যাগ কৰে তাৰ সকলো আমল নিষ্ফল হৈ যায়।” “তাৰ আমল নিষ্ফল হৈ যায়” ইয়াৰ অর্থ হল: আমল বাতিল হৈ যায় আৰু সেই আমল তাৰ কোনো কামত নাহে, এই হাদিছে প্রমাণ কৰে যে, বেনামাজীৰ কোনো আমল আল্লাহে কবুল নকৰে আৰু বেনামাজীয়ে সেই আমলৰ দ্বাৰা কোনো ভাবেই উপকৃত নহব। তাৰ কোনো আমলেই আল্লাহৰ ওচৰত উপস্থাপন কৰা নহব ৷ ইবনুল কায়্যিম তাঁৰ ‘আছ-স্বালাত’ (পৃ-৬৫) নামৰ গ্রন্থত এই হাদিছৰ আলোচনা কৰি কৈছে – “এই হাদিছৰ পৰা বুজা যায় যে, নামায ত্যাগ কৰা দুই প্রকাৰ: (১) সম্পূর্ণভাবে ত্যাগ কৰা যেনে কোনো নামাজেই নপঢ়া। এই ব্যক্তিৰ সমস্ত আমল বিফল হৈ যাব। (২) বিশেষ কোনো দিনত বিশেষ কোনো নামাজ ত্যাগ কৰা। এইক্ষেত্রত তাৰ উক্ত দিনৰ আমল বিফলত যাব। অর্থাৎ স্বাভাৱিকভাবে নামাজ ত্যাগ কৰিলে তাৰ সকলো আমল বিফলত যাব। আৰু বিশেষ নামায ত্যাগ কৰিলে সেই বিশেষ দিনৰ আমল বিফলত যাব ৷” “ফাতাওয়াছ ছিয়াম” (পৃ-৮৭) গ্রন্থত আছে শাইখ ইবনে উছাইমীনক বেনামাজীৰ ৰোজা ৰখাৰ হুকুম সম্পর্কে প্রশ্ন কৰা হৈছিল, তেখেতে উত্তৰত কৈছিল: বেনামাজীৰ ৰোজা শুদ্ধ নহয় আৰু সেইয়া গ্রহনযোগ্যও নহয়। কাৰণ নামাজ ত্যাগকাৰী কাফেৰ, মুৰতাদ। ইয়াৰ সপক্ষে দলিল হৈছে- আল্লাহ্ তাআলাৰ বাণী: “আৰু যদি সিহতে তওবা কৰে, নামাজ পঢ়ে আৰু যাকাত দিয়ে তেনেহলে সিঁহতে তোমাৰ দ্বীনি ভাই।” [৯ ছুৰাা আত্ তওবা: ১১] নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ছাল্লাম ৰ বাণী: “কোন ব্যক্তিৰ মাজত আৰু শির্ক- কুফৰিৰ মাজত পার্থক্য হৈছে নামাজ বর্জন কৰা।” [সহিহ মুসলিম (৮২)] আৰু ৰাছুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ছাল্লাম ৰ বাণী – “আমাৰ আৰু সিঁহতৰ মাজত চুক্তি হল নামাজৰ। গতিকে যি ব্যক্তিয়ে নামাজ ত্যাগ কৰিলে তেঁও কুফৰি কৰিল।” [জামে তিৰমিযী (২৬২১), আলবানী ‘ছহীহ আত-তিরমিযী’ গ্রন্থত হাদিছটোক ছহিহ বুলি চিহ্নিত কৰিছে ] প্রসিদ্ধ তাবেয়ী আব্দুল্লাহ ইবনে শাক্বিক ৰাহিমাহুমুল্লাহ কৈছিল: “নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ছাল্লামৰ ছাহাবীসকলে নামাজ ব্যতিত অন্য কোনে আমল ত্যাগ কৰাক কুফৰি বুলি নাভাবিছিল ৷” পূর্বোক্ত আলোচনাৰ ভিত্তিত কব পাৰি, যদি কোন ব্যক্তিয়ে ৰোজা ৰাখে; কিন্তু নামায নপঢ়ে তেনেহলে তাৰ ৰোজা গ্রহণযোগ্য নহয় আৰু সেই ৰোজাৰ পূণ্য কিয়ামতৰ দিনা কোন উপকাৰত নাহে ৷ আমি এনে ব্যক্তিক কম আগত নামাজ পঢ়ক , তাৰ পাছত ৰোজা ৰাখক। আপুনি যদি নামাজ নপঢ়ে, কিন্তু ৰোজা ৰাখে তেনেহলে আপুনাৰ ৰোজা প্রত্যাখ্যাত হব; কাৰণ কাফেৰৰ কোনো ইবাদত কবুল নহয়।” শ্বেইখ ইবনে উছাইমিন (ৰাহিমাহুল্লা) কৈছে বেনামাজিৰ অমুছলিম আৰু তেওঁৰ ৰোজা কবুল নহয়। Fataawa al- Siyaam (p. 87)1-dot
1 Photo · 1 Photo
আরবী ভাষায় খুৎবা প্রদান করা এবং খুৎবার পূর্বে মিম্বরে বসে বক্তব্য দেওয়া : প্রচলিত ডাক আযানকে বৈধ করার জন্য জুম‘আর ছালাতের খুৎবার পূর্বে মিম্বরে দাঁড়িয়ে বা বসে মাতৃভাষায় বক্তব্য দেয়ার আরেকটি বিদ‘আত চালু হয়েছে। একটি বিদ‘আতকে রক্ষা করার জন্য আরেকটি বিদ‘আতের আশ্রয় নেয়া হয়েছে। তাছাড়া মূল খুৎবা আরবী ভাষায় দেয়ার কারণে মুছল্লীরা কোনকিছু উপলব্ধি করতে পারে না। বিধায় এটা চালু করা হয়েছে। মূলতঃ খুৎবার পূর্বে আরেকটি খুৎবা দেয়ার যেমন শারঈ কোন ভিত্তি নেই, তেমনি আরবী ভাষায় খুৎবা দেয়ারও কোন বিধান নেই। তাছাড়া জুম‘আর খুৎবা বসে দেয়াও শরী‘আত বিরোধী।[1] বাংলা ভাষাভাষী মানুষের সামনে আরবী ভাষায় জুম‘আর খুৎবা দেওয়া অর্থহীন এবং সুন্নাতের বরখেলাফ। রাসূল মুহাম্মাদ (ছাঃ) মানুষের সামনে আরবী ভাষায় খুৎবা দিতেন না; বরং তিনি তাঁর মাতৃভাষায় খুৎবা দিতেন, যা ছিল আরবী। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, وَمَا أَرْسَلْنَا مِنْ رَسُوْلٍ إِلَّا بِلِسَانِ قَوْمِهِ لِيُبَيِّنَ لَهُمْ. ‘আমি সকল রাসূলকে তার সম্প্রদায়ের ভাষাতেই প্রেরণ করেছি। যেন তিনি তাদের সামনে স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেন’ (ইবরাহীম ৪)। অন্য আয়াতে এসেছে, ‘আমি কুরআনকে তোমার ভাষায় সহজ করেছি, যেন তারা উপদেশ গ্রহণ করতে পারে’ (দুখান ৫৮)। রাসূল (ছাঃ) কুরআনের আয়াত পাঠ করে উপস্থিত মুছল্লীদেরকে উপদেশ দান করতেন। عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ كَانَتْ لِلنَّبِىِّ  خُطْبَتَانِ يَجْلِسُ بَيْنَهُمَا يَقْرَأُ الْقُرْآنَ وَيُذَكِّرُ النَّاسَ. জাবের ইবনু সামুরা (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ)-এর দু’টি খুৎবা ছিল। উভয় খুৎবার মাঝে তিনি বসতেন। খুৎবাতে তিনি কুরআন পাঠ করতেন এবং লোকদের উপদেশ দিতেন।[2] এছাড়া রাসূল (ছাঃ) প্রয়োজনে মুছল্লীদের সাথেও কথা বলতেন। মুছল্লীরাও কোন বিষয় রাসূল (ছাঃ)-এর কাছে পেশ করতেন। যেমন এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করে বসে পড়লে তাকে দাঁড়াতে বলেন এবং সংক্ষেপে দু’রাক‘আত ‘তাহ্ইয়াতুল মসজিদ’-এর ছালাত আদায় করতে বলেন।[3] পরপর দুই জুম‘আয় এক ব্যক্তি এসে রাসূল (ছাঃ)-এর কাছে বৃষ্টির ব্যাপারে আবেদন পেশ করেছিলেন।[4] এক্ষণে যে সমস্ত মসজিদে আরবী ভাষায় খুৎবা দেওয়া হয়, সেখানে মুছল্লীরা কোন আবেদন করতে চাইলে কোন্ ভাষায় করবে? খুৎবা অবস্থায় ইমাম কোন্ ভাষায় জবাব দিবেন? খুৎবায় বাংলা বলা যদি নাজায়েয হয়, তাহলে ইমাম কি তখন আরবী ভাষায় জবাব দিবেন? মুক্তাদী কি তার ভাষা বুঝতে পারবে? প্রশ্ন করে তার কোন লাভ হবে কি? সুতরাং ইমাম মুক্তাদী সকলে আরবী ভাষী হতে হবে। অতএব মানুষের বোধগম্য ভাষায় খুৎবা প্রদান করতে হবে। [1]. ছহীহ মুসলিম হা/২০৩৩, ১/২৮৩ পৃঃ, (ইফাবা হা/১৮৬৬); মিশকাত হা/১৪১৫, পৃঃ ১২৪। [2]. ছহীহ মুসলিম হা/২০৩২, ১/২৮৩ পৃঃ, (ইফাবা হা/১৮৬৫); মিশকাত হা/১৪০৫, পৃঃ ১২৩; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/১৩২১, ৩/১৯৭ পৃঃ। [3]. ছহীহ বুখারী হা/৯৩০ ও ৯৩১, ১ম খন্ড, পৃঃ ১২৭, (ইফাবা হা/৮৮৩ ও ৮৮৪, ২/১৯০-১৯১ পৃঃ) ; ছহীহ মুসলিম হা/২০৫৭, ১ম খন্ড, পৃঃ ২৮৭, (ইফাবা হা/১৮৯০)। [4]. ছহীহ বুখারী হা/১০২৯, ১/১৪০ পৃঃ; বুখারী হা/১০১৩ ও ১০১৪; ছহীহ মুসলিম হা/২১১৫।1-dot
1 Photo · 1 Photo
♥♥♥ মুসলিমাহ আপনারা জানেন কি ♥♥♥ কোর'আনে একটি সম্পূর্ণ সূরা আছে "নারী" নামউল্লেখ করে ; ( সূরা নিসা - নারী ) । ইসলামের প্রথম শহীদ হলেন একজন নারী ; ( সুমাইয়া (রাঃ) ) । ইসলাম ধর্ম প্রথম গ্রহণ করেন যিনি তিনি ছিলেন একজন নারী ; ( উম্মুল মুমিনীন খাদিজা (রাঃ) ) । রাসুলাল্লাহ (সাঃ) জীবনের শেষ ভাষণে যাদের প্রতি সদাচরণ করার কথা বলে গেছেন তারা হলেন নারী জাতি । যাদের পায়ের নীচে জান্নাত বলে যা্দেরকে মহিমান্বিত করা হয়েছে তাঁরা হলেন ; মা ( নারী ) আপনারা যেহেতু অমূল্য তাই ইসলাম আপনাদের পবিত্রতা এবং সতীত্ব রক্ষার্থে আপনাদের হিজাবের আবরণ দিয়ে সম্মানিত করেছে। অতএব আপনারা নিজেকে মুসলিমাহ হিসেবে ধন্য মনে করুন এবং আপনার রবের শুকরিয়া আদায় করুন ! আলহামদুলিল্লাহ !!1-dot
1 Photo · 1 Photo
একদিকে আমি বড়ই আতংকিত অন্যদিকে খুব মর্মাহত কারন বর্তমান অবস্থা দেখে সব সময় মনে প্রশ্ন জাগে ভবিষ্যতে মুসলীম থাকতে পারবো তো ? দাবী করা সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলমানের দেশে অন্যান্য ধর্মালম্বিদের উৎপাত দেখে এটা এখন প্রমানীত যে বাংলাদেশে মুসলীমরাই হচ্ছে আসল সংখ্যালঘু ।কিছু প্রমান দেখে নিন, চট্টগ্রামে গরু কোরবানিতে বাধা, গর্দান কেটে নেয়ার হুমকি হিন্দুদের goo.gl/D77f5Q মসজিদ নির্মানে হিন্দুদের বাধা দেওয়ার দুঃসাহস, goo.gl/Bmlycb নামাজের সময় হিন্দুদের উগ্রতা goo.gl/lnGkvr প্রতিবাদ করায় ঈমাম খুন goo.gl/2V8RlL মসজিদের জায়গায় হিন্দু সন্ত্রাসীর মার্কেট http://bit.ly/2egwNjz বর্তমানে শিহ্মা প্রতিষ্ঠানে ইসলামে কথা বলাটা কতটা কঠিন তা সবাই জানে, হিজাবের কারনে ছাত্রীদের সব সময় অপমান করা হচ্ছে কিন্তু হিন্দুদের জন্য কোন সমস্যা নেই goo.gl/IOVEoO মুসলমান বেসে হিন্দু যুবকের মন্দিরে হামলা goo.gl/V7WqVG মসজিদে ডুকে মল ত্যাগ ও কুরআন চেড়ার ঘটনায় কি বুঝলেন ? goo.gl/gFGJZO হিন্দুদের টাকার বিনিময়ে আস্তে আস্তে বাংলাদেশে তাদের দালালও বেড়েই চলছে তার একটা বড় প্রমান goo.gl/DVpTYD কথিত ৯০% মুসলীমের দেশে ২% হিন্দুরা যে কত ভয়ংকর তা সংসদের বাজেটেও প্রকাশ পেল goo.gl/CKRzqV যদি বাংলার বুকে এইভাবে চলতে থাকে তাহলে ২০ বছর পর কি হবে একবারও কি ভেবে দেখেছেন ?? আমরা কোন অর্থে স্বাধীন তা আমি আজও বুঝতে পারলাম না ।আমাদের দেশে মুসলীমরা একদিকে অমুসলীমদের দালাল ধারা যুলুম, নির্যাতন ও শোষিত হচ্ছে অন্যদিকে ইসলামের নামে নানান বাহারী রকমের নাম দিয়ে সাধারন মুসলীমদেরকে ভাগ করে রেখেছে বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী আলেমরা ।তাদের কাছে আমার প্রশ্ন, কুরআন সুন্নাহকে অবজ্ঞা করে মিথ্যার সাগরে ডুব দিয়ে আমরা কোন সত্যকে কুড়িয়ে আনার চেষ্টা করতেছি ?? আর কিসের ভিত্তিতে আমি দম্ব করে বলতেছি আমিই একমাত্র হক্ক ??? অথচ আল্লাহ বলেছেন, আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ় হস্তে ধারণ কর; পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না।সূরা আল-ইমরান ১০২ । এবং আরো বলেন, নিশ্চয় যারা স্বীয় ধর্মকে খন্ড-বিখন্ড করেছে এবং অনেক দল হয়ে গেছে, তাদের সাথে আপনার কোন সম্পর্ক নেই। তাদের ব্যাপার আল্লাহ তা'আয়ালার নিকট সমর্পিত। অতঃপর তিনি বলে দেবেন যা কিছু তারা করে থাকে।সূরা আন-আম ১৫৯ ।আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে সত্য বুঝার মাধ্যমে সচেতন হবার তওফিক দান করে । আমীন1-dot
1 Photo · 1 Photo
প্ৰশ্ন :- জীৱ - জন্তু , পক্ষী আদি প্ৰাণী সমূহে কি আল্লাহৰ পৱিত্ৰতাৰ কীৰ্ত্তন কৰে ? সিহতক যে এজন সৃষ্টি কৰ্তা আল্লাহে সৃষ্টি কৰিছে এই সম্পৰ্কে কি সিহঁত অৱগত ? এই বিষয়ে কোৰআনত কি কোৱা হৈছে ? ,, ,, = ) এই সম্পৰ্কে কোৰআনত কোৱা হৈছে এনেকৈ --- ,, " তুমি চিন্তা কৰা নাই নে , আকাশমণ্ডলী আৰু পৃথিৱীত থকা সকলো প্ৰাণীয়ে আৰু পক্ষীবিলাকেও নিজৰ পাখি মেলি জাক বান্ধি উৰি আল্লাৰেই পৱিত্ৰতাৰ কীৰ্ত্তন কৰে , স্বৰূপতে সিহঁতৰ প্ৰত্যেকৰে নিজ নিজ উপাসনা আৰু স্তুতিৰ জ্ঞান আছে আৰু সিহঁতৰ কাৰ্য সম্বন্ধে আল্লাহ পৰিজ্ঞাত " ( আল - নুৰ 24 :41 ) ,, আকৌ এই বিষয়ে কোৰআনৰ 17 নং অধ্যায় বনি ইস্ৰাইল আয়াত 44 এনেকৈ কোৱা হৈছে --- ,, " তেওঁৰেই পৱিত্ৰতাৰ কীৰ্ত্তন কৰে সাতোখন আকাশে আৰু পৃথিৱীয়ে আৰু তাৰে মাজত যি বিদ্যমান সকলোৱে ; আৰু প্ৰশাংসাৰে সৈতে তেওঁৰ পৱিত্ৰতাৰ কীৰ্ত্তন নকৰে এনে বস্তুৱেই নাই কিন্তু সেইবোৰৰ পৱিত্ৰতাৰ কীৰ্ত্তন তোমালোকে বুজি নোপোৱা ; তেওঁ নিশ্চয় অতি সহিষ্ণু শ্ৰেষ্ঠ ক্ষমাশীল " ( কোৰআন 17:44 )1-dot
1 Photo · 1 Photo
সহি হাদিস অনুযায়ী ওযু করার নিয়ম কি? ~~~~~ ১- নামাযী প্রথমে মনে মনে ওযুর নিয়ত করবে। কারণ নিয়ত ছাড়া কোন কর্মই শুদ্ধ হয় না। (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ১নং) ২- ‘বিসমিল্লাহ্‌’ বলে ওযু শুরু করবে। কারণ শুরুতে তা না বললে ওযু হয় না। (আবূদাঊদ, সুনান ৯২নং) ৩- তিনবার দুইহাত কব্জি পর্যন্ত ধুয়ে নেবে।হাতে ঘড়ি, চুড়ি, আংটি প্রভৃতি থাকলে তা হিলিয়ে তার তলে পানি পৌঁছাবে। আঙ্গুল দিয়ে আঙ্গুলের ফাঁকগুলো খেলাল করবে। (আবূদাঊদ, সুনান, তিরমিযী, সুনান, ইবনে মাজাহ্‌, সুনান, মিশকাত ৪০৭নং) এরপর পানির পাত্রে হাত ডুবিয়ে পানি নিতে পারে। (বুখারী, মুসলিম, সহীহ ৩৯৪নং) প্রকাশ যে, নখে নখ পালিশ বা কোন প্রকার পুরু পেন্ট থাকলে তা তুলে না ফেলা পর্যন্ত ওযু হবে না। পক্ষান্তরে মেহেদী বা আলতা লেগে থাকা অবস্থায় ওযু-গোসল হয়ে যাবে। ৪- তারপর ডানহাতে পানি নিয়ে ৩ বার কুল্লি করবে। ৫-অতঃপর পানি নিয়ে নাকের গোড়ায় লাগিয়ে টেনে নিয়ে বামহাত দ্বারা নাক ঝাড়বে। এরুপ ৩ বার করবে। তবে রোযা অবস্থায় থাকলে সাবধানে নাকে পানি টানবে, যাতে গলার নিচে পানি না চলে যায়। (তিরমিযী, সুনান, নাসাঈ, সুনান ৮৯, মিশকাত ৪০৫, ৪১০নং) অবশ্য এক লোট পানিতেই একই সাথে অর্ধেক দিয়ে কুল্লি করে বাকি অর্ধেক দিয়ে নাক ঝাড়লেও চলে। (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ৩৯৪নং) ৬- অতঃপর মুখমন্ডল (এক কান থেকে অপর কানের মধ্যবর্তী এবং কপালের চুলের গোড়া থেকে দাড়ির নিচের অংশ পর্যন্ত অঙ্গ) ৩ বার পানি লাগিয়ে দুইহাত দ্বারা ধৌত করবে। (বুখারী ১৪০নং) এক লোট পানি দাড়ির মাঝে দিয়ে দাড়ির ফাঁকে ফাঁকে আঙ্গুল চালিয়ে তা খেলাল করবে। (আবূদাঊদ, সুনান, মিশকাত ৪০৮নং) মহিলাদের কপালে টিপ (?) থাকলে ছাড়িয়ে ফেলে (কপাল) ধুতে হবে। নচেৎ ওযু হবে না। ৭- অতঃপর প্রথমে ডানহাত আঙ্গুলের ডগা থেকে কনুই পর্যন্ত এবং তদনুরুপ বামহাত ৩ বার (প্রত্যেক বারে পুরোহাতে পানি ফিরিয়ে রগড়ে) ধৌত করবে। ৮- অতঃপর একবার মাথা মাসাহ্‌ করবে; নতুন পানি দ্বারা দুই হাতকে ভিজিয়ে আঙ্গুল গুলিকে মুখোমুখি করে মাথার সামনের দিক (যেখান থেকে চুল গজানো শুরু হয়েছে সেখান) থেকে পিছন দিক (গর্দানের যেখানে চুল শেষ হয়েছে সেখান) পর্যন্ত স্পর্শ করে পুনরায় সামনের দিকে নিয়ে এসে শুরুর জায়গা পর্যন্ত পূর্ণ মাথা মাসাহ্‌ করবে। (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ৩৯৪নং) মাথায় পাগড়ি থাকলে তার উপরেও মাসাহ্‌ করবে। (মুসলিম, মিশকাত ৩৯৯নং) ৯- অতঃপর আর নতুন পানি না নিয়ে ঐ হাতেই দুই কান মাসাহ্‌ করবে; শাহাদতের (তর্জনী) দুই আঙ্গুল দ্বারা দুই কানের ভিতর দিক এবং দুই বুড়ো আঙ্গুল দ্বারা দুই কানের পিঠ ও বাহির দিক মাসাহ্‌ করবে। (আবূদাঊদ, সুনান ৯৯, ১২৫নং) প্রকাশ যে, গর্দান মাসাহ্‌ করা বিধেয় নয়। বরং এটা বিদআত। ১০- অতঃপর প্রথমে ডান পা ও পরে বাম পা গাঁট পর্যন্ত ৩ বার করে রগড়ে ধোবে। কড়ে আঙ্গুল দ্বারা পায়ের আঙ্গুলের ফাঁকগুলো খেলাল করে রগড়ে ধৌত করবে। (আবূদাঊদ, সুনান, তিরমিযী, সুনান, ইবনে মাজাহ্‌, সুনান, মিশকাত ৪০৭নং) প্রিয় নবী (সাঃ) বলেন, “পূর্ণাঙ্গরুপে ওযু কর, আঙ্গুলের ফাঁকগুলো খেলাল কর আর রোযা না থাকলে নাকে খুব ভালরুপে পানি চড়াও। (তারপর তা ঝেড়ে ফেলে উত্তমরুপে নাক সাফ কর।) (আবূদাঊদ, সুনান, তিরমিযী, সুনান, নাসাঈ, সুনান, ইবনে মাজাহ্‌, সুনান, দারেমী, সুনান, মিশকাত ৪০৫-৪০৬ নং)1-dot
1 Photo · 1 Photo
তাবলিগ জামাতৰ লগত চিল্লাত যোৱা সম্পৰ্কে শ্বেইখ ছালিহ আল-ফওজান (হা’ফিজাহুল্লাহ) ৰ ফাতওৱা। তেখেত বর্তমান আৰব বিশ্বৰ আটাইতকৈ জ্ঞানী আলিমসকলৰ ভিতৰত এজন। প্ৰচলিত তাবলিগ জামাত সম্বন্ধে তেখেতৰ এটি ফাতওৱা অনুবাদ কৰি তলত উল্লেখ কৰা হ’ল। “চিল্লা লগোৱা জায়েজ নে?” প্রশ্নকর্তাঃ আল্লাহে আপোনাৰ লগত ভাল আচৰণ কৰে যেন, সন্মানিত শ্বেইখ! এইটো জায়েজ নে- কোনো এঠাইলৈ ওলাই যোৱা- চাৰি মাহৰ কাৰণে, চল্লিশ দিনৰ কাৰণে অথবা তিনি দিনৰ কাৰণে যেনেকৈ তাবলিগ জামাতৰ মানুহবোৰে গৈ থাকে? এইটো ছুন্নাত নে বিদ‘আত? শ্বৰীয়তৰ জ্ঞান অর্জনৰ বাবে কাৰোবাৰ কাৰণে তাবলিগ জামাতৰ লগত চিল্লাত যোৱা জায়েজনে? শ্বেইখ ছালিহ আল-ফওজানৰ ফাতওৱা- “এইটো জায়েজ নহয়, কাৰণ এইটো এটা বিদ‘আত। ৪০ দিন, ৪ মাহ বা ৩ দিনৰ বাবে এনেকৈ ওলাই যোৱাটো হৈছে বিদআ’ত। এইটো প্রমাণিত যে, তাবলিগ জামাত হৈছে ভাৰতীয় দেওবন্দীসকলৰ এটা “ছূফী” জামাত। তেওঁলোকে এখন দেশৰ পৰা অন্য দেশলৈ যায় তেওঁলোকৰ “ছূফীবাদ” প্রচাৰ কৰাৰ কাৰণে। আহলে ছুন্নত ওৱাল জামাতৰ অনুসাৰী কোনো ব্যক্তি বা তাওহীদৰ আনুগত্য কৰা ব্যক্তিৰ কাৰণে তেওঁলোকৰ (ছূফীৰ) লগত তাবলিগৰ কৰণে ওলাই যোৱাটো জায়েজ নহয়। কাৰণ কোনো ব্যক্তি যদি তেওঁলোকৰ লগত যায় তেনেহ’লে তেওঁ সেই জামাতক বিদ‘আত প্রচাৰ কৰাত সহায় কৰিলে। আনহাতে মানুহে তেওঁক উদাহৰণ হিচাবে ব্যৱহাৰ কৰি কব যে- “অমুকে (আলিম বা শিক্ষিত লোক) তেওঁলোকৰ লগত তাবলিগত গৈছে”, অথবা তেওঁলোকে কব পাৰে “সাধাৰণ মানুহ সকলোৱে আমাৰ লগত যায়” অথবা তেওঁলোকে কব “তাবলিগ জামাত এইদেশত (চৌদি আৰবত) বৈধ।” এইকাৰণে তেওঁলোকক পৰিত্যাগ কৰা ওৱাজিব। তেওঁলোকক পৰিত্যাগ কৰা ওৱাজিব আৰু তেওঁলোকৰ কামৰ ফালে মনোযোগ নিদিব (তেওঁলোকৰ কোনো কথা নুশুনিব)। এইটো এই কাৰণেই যে, তাবলিগ জামাতে যাতে আমাৰ আৰব দেশসমূহত বিদ‘আত প্ৰচাৰ কৰিব নোৱাৰে আৰু তেওঁলোকৰ বিদআ’ত লৈ তেওলোকৰ দেশলৈ উভতি যায়। ইয়াৰ বাহিৰেও তাবলিগ জামাতৰ লগত গৈ তেওঁলোকক শিক্ষা দিয়াও জায়েজ নহয়। এইটো ভুল, কাৰণ তেওলোকে দ্বীনৰ জ্ঞান অর্জন কৰিব নিবিচাৰে। তেওঁলোকে জ্ঞান অর্জন কৰিব নিবিচাৰে¸ কাৰণ তেওঁলোক প্ৰবঞ্চক/প্ৰতাৰক আৰু তেওঁলোকৰ বিশেষ এটা উদ্দেশ্য আছে। তেওঁলোকে আহিছে তোমালোকক (ছূফীবাদ) শিক্ষা দিয়াৰ কাৰণে, তেওঁলোকে এই কাৰণে অহা নাই যে¸ তোমালোকৰ পৰা কিবা শিকিব। তেওঁলোকে আহিছে তোমালোকক “ছূফীবাদ” ও “মাযহাব”ৰ শিক্ষা দিয়াৰ কাৰণে। তেওঁলোকে তোমালোকৰ পৰা একো শিকিবলৈ অহা নাই, কাৰণ তেওঁলোকে যদি শিকিবলৈ আহিলহেঁতেন তেনেহ’লে তেওঁলোকে আৰব দেশৰ উলামাসকলৰ লগত মছজিদত বহিলহেঁতেন আৰু উলামাসকলৰ কিতাব অধ্যয়ন কৰিলেহেঁতেন। - আল্লামাহ, শ্বাইখ ছালিহ আল-ফওজান। ফাতওৱাটো শ্বাইখ ফাওজানৰ নিজ মুখৰ পৰাও শুনিব পাৰিব তলত দিয়া লিংকৰ পৰা। ইয়াৰ বাহিৰেও ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে ইব্রাহিম ৰাহিমাহুল্লাহ, ইমাম বিন বাজ ৰাহিমাহুল্লাহ, ইমাম আলবানী আদি আৰব দেশসমূহৰ বহুতো আলিমেই ভাৰতীয় দেওবন্দী ছূফী জামাতৰ গোমৰাহীৰ পৰা উম্মতক সতর্ক কৰি দিছে আৰু এওঁলোকৰ পৰা দূৰত থাকি বিশুদ্ধ কুৰআন ও ছুন্নাহ ভিত্তিক অধ্যয়ন কৰিবলৈ কৈছে। https://m.youtube.com/watch?v=zx3P9dP6kzQ&itct=1-dot
1 Photo · 1 Photo
*** সকল দ্বীনি ভাই-বোনদের বলছি.... *** নিম্নের বইগুলো থেকে সাবধান..!!!! যেসব বইগুলো একটা মানুষকে পথভ্রস্ট ও গোমরা করার জন্য যথেষ্ট হতে পারে। ** নিম্নোক্ত বইগুলো মুসলিমদের ঈমান বিধ্বংসী মিসাইল ও হাতিয়ার।** **তাবলীগি নেসাবের কিতাব :- ১।ফাযায়েলে আ'মাল ২।ফাযায়েলে দূরুদ ৩।ফাযায়েলে সাদাকাত ** চরমোনাই পীরদের বই :- ১।আাশেক মাশুক ২।ভেদে মারেফাত ৩।মাওয়ায়েজে এছহাকিয়া ৪।মাওয়ায়েজে কারামিয়া ** অন্যান্য বই :- ১।মোকছুদুল মুমিনিন ২।বেহেস্তী জেওর ৩।নেয়ামুল কোরান ৪।তাজকেরাতুল আউলিয়া ৫।তাবিজের কিতাব, ইত্যাদী.. ** উপরোক্ত কিতাব/বইগুলোতে রয়েছে শির্ক,কুফর,তাওহীদ বিরুধী কথা,অসংখ্য বানোয়াট কিচ্ছা-কাহিনী ও বিদাতী আমল দিয়ে জর্জরিত। ** যা একটা মানুষকে গোমরা করে নিয়ে, জাহান্নামের গাইডলাইন হিসেবে কাজ করে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে বদ্ধপরিকর। আর,দয়াকরে , কুরআন-হাদীস ব্যতিরেকে আন্দাজে তদন্ত না করে কেউ উপরোক্ত বইগুলোর সপক্ষে ওকালতি করতে আসবেন না,(নূন্যতম লজ্জা থাকলে)। আগে সূক্ষ্ম তদন্ত করুন কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে। ** আমাদের বাড়িতেও একসময় উপরোক্ত কিছু বইগুলো পঠিত হত, বাপ-দাদা কর্তৃক।পুরাতন হয়ে গেছে but এখনো আছে, নিজেই রেখে দিয়েছি তদন্ত করে, documents(শির্ক/কুফর/বিদাতের, লিখিত দলিল) হিসেবে,কেউ যদি দেখতে চায় তখন... *** আচ্ছা ভাই, এই বইগুলো বাদ দিয়ে,রেখে কুরআন এবং হাদীস এর কিতাব পড়তে বললে দোষ/মুশকিল টা কোথায় বলেনতো..?? ** এসব বইগলো রেখে কুরআন ও হাদীসের বই পড়তে বলাতে তো, একমাত্র ইবলিশ শয়তানেরই গা জ্বলার কথা, মুশকিল লাগার কথা তাইনা..? ** আর আলহামদুলিল্লাহ এখন কুরআন, ও কুরআনের তাফসীর ইবনে কাছীর ও সমস্ত হাদীসের কিতাব ব্যাখ্যাসহ সহজ সরল বাংলা ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে, এবং হাদীস, সহীহ,যয়ীফ/জাল আলাদা করে দেওয়া হয়েছে সুন্দর ব্যাখ্যাসহ সবাই পড়তে পারেন,,, আর তবুও কিছু একটা না বুঝলে বা সংশয় থাকলে, বিজ্ঞ আলেমের কাছে গিয়ে জেনে নিবেন । ** আর হ্যা যে কোন কিতাব/ বই ও পড়তে কোন নিষেধ নেই, পড়তে পারেন, but পড়ার পূর্বে অন্তত, কুরআন ও হাদীসের সাথে মিলিয়ে তদন্ত করে দেখুন, তদন্ত করে, তারপরে কোন সমস্যা নাই। কিন্তু যদি কুরআন ও সহীহ হাদীসগুলোর সাথে সাংঘর্সিক হয়, জাল হাদীস বা বানোয়াট কিচ্ছা কাহিনী,শির্ক,বিদাতী কথা থাকে তবে তা ছুড়ে ফেলে দিয়ে, কুরআন ও হাদীসকে আকড়ে ধরুন।ইনসা-আল্লাহ পথভ্রস্ট হবেন না। আল্লাহ আমাদের সকলকে কুরআন ও হাদীসের মাপকাঠিতে সকল কিতাব/ বই সূক্ষ্ম তদন্ত/যাচাই বাচাই করে পড়ার তৌফিক দিন। এবং উপরোক্ত বইগুলো হতে আমাদের হেফাজত করুন। (আমিন)1-dot
1 Photo · 1 Photo
Saved from Qk Nizam's post
বেহেশতী জেওর, যার ভূমিকাতেই শিরক! ========================= বেহেশতী জেওর নিয়ে পোষ্ট দেওয়াতে অনেকেই এই বই এর ভুলগুলো তুলে ধরতে বলেছিলেন। কিন্তু এই বইতে এত এত ভুল যে, কোনটা ছেড়ে কোনটা নিয়ে লিখবো তা বুঝে উঠতে পারছি না। তাই ঠিক করেছি পর্ব আকারে কিছু ভুল তুলে ধরবো, ইন-শা-আল্লাহ। আজ পেশ করছি প্রথম কিস্তি! - মুল লেখা লেখার আগে হিন্দু ধর্মের কিসসা-কাহিনীর কিছু কথা বলি। এই ধর্মে দেখা যায এক দেবতার পূজারী অন্য দেবতার কোপানলে পতিত হয়। এক দেবতা প্রসন্ন হয়, অন্য দেবতা রুষ্ট হয়। রুষ্ট দেবতার ক্রধের আগুনে জ্বলে তাকে সম্পদ, সন্তান সব হারাতে হয়। এই ধরনের ভ্রান্ত কুসংস্কারপূর্ণ, তাওহীদের পরিপন্থী আক্বীদার শিক্ষা আমাদের আলোচিত বেহেস্তী জেওরেও বিদ্যমান রয়েছে। বিশ্বাস হয় না? তাহলে নিচে স্ক্রল করুন! - হাকীমুল উম্মাত মাওলানা থানবীর জন্ম বৃত্তান্ত অলৌকিক ঘটনার সহিত জড়িত। তাঁর পিতার কোন পুত্র সন্তানই জীবিত থাকত না। তদুপরি তিনি এক দূরারোগ্য চর্মরোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসকদের পরামর্শে এমন এক ঔষধ সেবন করেন যাতে তার প্রজনন ক্ষমতা সম্পূর্ণরূপে রহিত হয়ে যায়। . ...হাকীমুল উম্মাত মাওলানা থানবীর মাতার সন্তানগুলো জীবিত থাকতো না। এতে হাকীমুল উম্মাতে মাতামহী নেহায়েত বিচলিত হয়ে পড়েন। একদা তিনি হাফিয গোলাম মুর্তজা সাহেব পানিপথীর খিদমাতে এ বিষয়টি আরয করেন। তিনি বললেন, -উমার ও আলীর টানাটানিতেই পুত্র সন্তানগুলো মারা যায়। এবার পুত্র সন্তান জন্মিলে আলীর সোপর্দ করে দিও। ইন-শা-আল্লাহ জীবিত থাকবে। তার কথার সারমর্ম একমাত্র মাওলানার বুদ্ধিমতী জননীই বুঝলেন, আর তিনি বললেন, -হাফিয সাহেবের কথা অর্থ সম্ভবতঃ এই যে, ছেলের পিতৃকুল ফারূকী। আর আমি আলী (রাঃ)-এর বংশধর। এ যাবৎ পুত্র সন্তানদের নাম রাখা হচ্ছিল পিতার নামানুকরণে, অর্থাৎ ‘হক’ শব্দ যোগে রাখা হয়েছিল। যেমন আব্দুল হক, ফাজলে হক ইত্যাদি। এবার পুত্র সন্তান জন্মিলে মাতৃকূল অনুযায়ী নাম রাখতে অর্থাৎ আমার ঊর্ধ্বতন আদি পুরুষ আলী (রাঃ)-এর নামের সহিত মিল রেখে নামকরণের কথা বলেছেন। এটা শুনে হাফিয সাহেব সহাস্যে বলে উঠলেন, -বাহবা! মেয়েটি বড়ই বুদ্ধিমতী বলে মনে হয়। আমার উদ্দেশ্য এটাই ছিল। এর গর্ভে দু’টি ছেলে হবে। ইন-শা-আল্লাহ উভয়ই বেঁচে থাকবে এবং ভাগ্যবান হবে। একজনের নাম রাখবে আশরাফ আলী, অপরজনের নাম রাখবে আকবর আলী। একজন হবে আমার অনুসারী, সে হবে আলিম ও হাফিয। অপরজন হবে দুনিয়াদার। বস্তুত তাই হয়েছিল। আল্লাহ তা‘আলা এক বুযুর্গের দ্বারা থানবী মাতৃগর্ভে আসার পূর্বে অর্থাৎ আলমে আরওয়াহে থাকাকালীন তাঁর নাম রেখে দিলেন। আল্লাহ তা‘আলার কত বড় মেহেরবানী। কত বড় সৌভাগ্যের কথা!!!! . ■তাহ্বকীকঃ ===== ১। আশরাফ আলী থানবীর পিতৃপুরুষ উমার (রাঃ) এবং মাতৃকূল আলী (রাঃ)। থানবী সাহেবের পিতার কোন সন্তান জীবিত থাকত না, কেননা তাদের নাম রাখা হয়েছিল উমার (রাঃ)-এর নামে। আর উমার (রা.) ও আলী (রা.) এর টানাটানিতেই পুত্র সন্তানগুলো মারা যায়। এ যেন হিন্দুদের দেবতাদের কিসসা কাহিনীর মত এক দেবতা তুষ্ট হলে অন্য দেবতা রুষ্ট হয়। . ২। উমার ও আলী (রাঃ)-এর জীবন দান করতে পারেন? তাদের কারো কি মৃত্যু ঘটানোর ক্ষমতা আছে? আল্লাহ ইরশাদ করেন, أَنَّهُ هُوَ أَضْحَكَ وَأَبْكَى، وَأَنَّهُ هُوَ أَمَاتَ وَأَحْيَا، وَأَنَّهُ خَلَقَ الزَّوْجَيْنِ الذَّكَرَ وَالأُنْثَى، مِنْ نُطْفَةٍ إِذَا تُمْنَى -তিনিই হাসান, তিনিই কাঁদান, তিনিই মৃত্যু দেন, তিনিই জীবন দান করেন। তিনিই সৃষ্টি করেন যুগল পুরুষ ও নারী স্খলিত কীট বিন্দু হতে। [সূরা আন-নাজম ৪৩-৪৬] মহান আল্লাহ আরো বলেন, اللهُ الَّذِي خَلَقَكُمْ ثُمَّ رَزَقَكُمْ ثُمَّ يُمِيتُكُمْ ثُمَّ يُحْيِيكُمْ هَلْ مِنْ شُرَكَائِكُمْ مَنْ يَفْعَلُ مِنْ ذَلِكُمْ مِنْ شَيْءٍ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى عَمَّا يُشْرِكُونَ -আল্লাহই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তোমাদেরকে রিযক (জবিনোপকরণ) দিয়েছেন। তিনি তোমাদের মৃত্যু ঘটান ও পরে তোমাদেরকে জীবিত করেন। আল্লাহতো তাঁর কার্যে কোন অংশীদারী থেকে বহু ঊর্ধ্বেং এবং পূতময় মহান। [সূরা রূম- ৪০] , ৩। কারো মৃত্যূ দানে আলী (রাঃ) ক্ষমতা থাকলে কারবালার ময়দানে তাঁর পুত্র-পৌত্র হত্যাকারীদের ‘টানাটানি’ করে মেরে ফেলতে পারতেন না? জীবিতাবস্থায় ‘আলী ও মু‘আবিয়া (রাঃ) রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে সম্মুক-সমরে অবতীর্ণ হয়েছেন, তাদের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম। তাদের মৃত্যুর পরে সব দ্বন্দ্বের অবাসান ঘটেছে। আলী ও মু‘আবিয়ার মরণোত্তর ‘টানাটানির’ খবর তো কেউ শোনে নি কোনদিন। উমার (রাঃ)-এর সাথে আলী (রাঃ)-এর জীবিতাবস্থায় এমন কোন দ্বন্দ্ব বা রেষারেষি ছিল না যে মৃত্যুর পরেও তা অব্যাহত থাকবে! বরং পরস্পরের মধ্যে ছিল সুগভীর শ্রদ্ধা, পরম ভালবাসা। খলীফা উমার ইবনুল খাত্তাব আলী (রাঃ)-এর শিশুকন্যা উম্মু কুলসুমকে বিবাহ করার প্রস্তাব দেন। আলী (রাঃ) বিস্মিত হয়ে বলেন, -হে আমীরুল মু’মিনীন আমার এ ছোট মেয়েটি আপনার কি উপকারে লাগবে? আমীরুল মু’মিনীন উমার ইবনুল খাত্তাব বললেন, -হে আলী! আমি কি কোন উপকারের আশায় তোমার মেয়েকে বিয়ে করতে চাচ্ছি। আমি তো আত্মীয়তার বাঁধনে আহলুল বায়াতের সাথ সম্পর্ক দৃঢ় করতে চাইছি। আলী (রাঃ) খুশি হয়ে উমার (রাঃ)-এর সাথে তার মেয়ের বিয়ে দিলেন। খুলাফায়ে রাশেদ্বীনের ইতিহাসে দেখা যায়, উমার ও আলী (রাঃ) পরস্পরের প্রতি আনুগত্য, শ্রদ্ধা ও ভালবাসার বন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন। তাহলে মৃত্যুর পরে তাদের মধ্যে কিভাবে ‘টানাটানি’ শুরু হয়। [নাউযুবিল্লাহি মিন যালিক। লেখক কোন শী‘আ প্রভাবে প্রভাবিত হননি তো?] . ৪। ইলমুল গায়িবের খবর জানা পীর গোলাম মুর্তজা পানিপথী সাহেব বলেন, -এর গর্ভে দু’টি ছেলে হবে ইন-শা-আল্লাহ, উভয়ই বেঁচে থাকবে এবং ভাগ্যবান হবে। একজনের নাম রাখবে আশরাফ আলী, অপরজনের নাম রাখবে আকবর আলী। একজন হবে আমার অনুসারী, সে হবে আলিম ও হাফিয়। অপরজন হবে দুনিয়াদার। বস্তুতঃ তা-ই হয়েছিল........। কুরআন-হাদীস অনুযায়ী ইলমুল গায়িব একমাত্র আল্লাহই জানেন। রসূল ও নাবীগণও গায়িবের খবর জানতেন না। অথচ পীর সাহেব গোলাম মুর্তজা আশরাফ আলী থানবী ও তার ভাই আকবর আলীর জন্মের অভিষ্যদ্বাণী করেছেন, তাদের নামকরণ করেছেন এবং তাদের ভাগ্য নির্ধারণেরও (ক্বাদর) ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। অথচ আল্লাহ কুরআন বলেন, إِنَّ اللَّهَ عِندَهُ عِلْمُ السَّاعَةِ وَيُنَزِّلُ الْغَيْثَ وَيَعْلَمُ مَا فِي الْأَرْحَامِ ۖ وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ مَّاذَا تَكْسِبُ غَدًا ۖ وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ بِأَيِّ أَرْضٍ تَمُوتُ ۚ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ -কখন ক্বিয়ামাত হবে তা কেবল আল্লাহই জানেন। তিনি বৃষ্টি বর্ষণ করে এবং তিনি জানেন যা (জরায়ুতে) মাতৃগর্ভে আছে। কেউ জানে না আগামীকাল সে কি অর্জন করবে এবং জানে না কোন দেশে তার মৃত্যু ঘটবে। আল্লাহই সর্বজ্ঞ, সর্ববিষয়ে অবহিত। [সূরা লুক্বমান ১৩:৩৪] . রাসুল ﷺ ও গায়িবী খবর জানতেন না। আল্লাহ তা‘আলা নাবীকে বলতে নির্দেশ দেন, قُل لَّا أَمْلِكُ لِنَفْسِي نَفْعًا وَلَا ضَرًّا إِلَّا مَا شَاءَ اللَّهُ ۚ وَلَوْ كُنتُ أَعْلَمُ الْغَيْبَ لَاسْتَكْثَرْتُ مِنَ الْخَيْرِ وَمَا مَسَّنِيَ السُّوءُ ۚ إِنْ أَنَا إِلَّا نَذِيرٌ وَبَشِيرٌ لِّقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ -হে মুহাম্মাদ ! তাদেরকে বলো নিজের জন্য লাভ -ক্ষতির কোন ইখতিয়ার আমার নেই৷ একমাত্র আল্লাহই যা কিছু চান তাই হয়৷ আর যদি আমি গায়েবের খবর জানতাম, তাহলে নিজের জন্যে অনেক ফায়দা হাসিল করতে পারতাম এবং কখনো আমার কোন ক্ষতি হতো না৷ আমি তো যারা আমার কথা মেনে নেয় তাদের জন্য নিছক একজন সতর্ককারী ও সুসংবাদদাতা মাত্র৷ [সূরা আ‘রাফ ১৮৮] . ৫। রাসুল ﷺ এর মৃত্যুর পরই জিব্রাঈল (আ.)-এর দুনিয়াতে ওহী নিয়ে আসার দায়িত্ব শেষ। পীর সাহেবের কাছে তাহলে কিভাবে গায়িবী খবর এলো? . ■উপসংহারঃ পীর সাহেবের নামও আপত্তিজনক এবং তিনি যে নামকরণ করেছেন তা ও অবৈধ। রসূলুল্লাহ ﷺ এক সাহাবীর নাম ছিল আকবর, তিনি তা পরিবর্তন করে তার নাম রাখেন বাশীর। [বোখারী তারীখুল কাবীর, ১ম খন্ড, ৯৮ পৃঃ, হাঃ ১৮২১] এতবড় পীর সাহেব গায়েবের খবর রাখেন অথচ এই হাদীস তার জানা ছিলো না? . সব দিক থেকে বিচার করলে আশরাফ আলী থানবীর জন্মসংক্রান্ত কাহিনীটি ইসলামী আক্বীদা পরিপন্থী ও শিরকের দিকে আহবানকারী এক মিথ্যা কিচ্ছা ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এ ধরনের শিরকী কথার প্রতিবাদে এগিয়ে আসেনি কোন উলামায়ে হক্ব। আর তার কারন একটাই। আর তা হলো আকবিরদের পুজা। এমন পুজা এদেশে হরহামেশাই হয়!1-dot
1 Photo · 1 Photo
Saved from Abu Anas's post
ৰাফ‘উল ইয়াদাঈন আৰু বুকুত হাত বন্ধা সম্বন্ধে ছহীহ বুখাৰীত থকা হাদীছসমূহৰ লগতে বিভিন্ন হাদীছগ্ৰন্থৰ দলীলসমূহ- (১) 1 : 12 : 735 1. Sahih Bukhari ›› 10a. Characteristics of prayers ›› حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُقَاتِلٍ، قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ أَخْبَرَنَا يُونُسُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، أَخْبَرَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، رضى الله عنهما قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا قَامَ فِي الصَّلاَةِ رَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى يَكُونَا حَذْوَ مَنْكِبَيْهِ، وَكَانَ يَفْعَلُ ذَلِكَ حِينَ يُكَبِّرُ لِلرُّكُوعِ، وَيَفْعَلُ ذَلِكَ إِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ وَيَقُولُ ‏ "‏ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ ‏"‏‏.‏ وَلاَ يَفْعَلُ ذَلِكَ فِي السُّجُودِ‏.‏ চালাতৰ বৈশিষ্ট্যসমূহ :: ছহীহ বুখাৰী :: খণ্ড ১ :: অধ্যায় ১০ :: হাদীছ ৭৩৫ মুহাম্মদ ইবনু মুকাতিল (ৰহ.)....আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমাৰ ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুৰ দ্বাৰা বর্ণিত, তেওঁ কৈছে, "মই ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামক দেখিছোঁ, তেওঁ যেতিয়া চালাতৰ কাৰণে থিয় হৈছিল তেতিয়া উভয় হাত কান্ধ বৰাবৰ উঠাইছিল আৰু যেতিয়া তেওঁ ৰুকু’ৰ কাৰণে তাকবীৰ কৈছিল তেতিয়াও এনেকুৱা কৰিছিল। আকৌ যেতিয়া ৰুকু’ৰ পৰা মাথা উঠাইছিল তেতিয়াও এনেকুৱা কৰিছিল আৰু حَمِدَهُ سَمِعَ اللهُ لِمَنْ ‘ছামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ’ কৈছিল। কিন্তু ছিজদাৰ সময়ত এনেকুৱা কৰা নাছিল’’। (৭৩৬, ৭৩৭, ৭৩৮, ৭৩৯; মুছলিম ৪/৯, হাঃ ৩৯০, আহমাদ ৪৫৪০) (আ.প্ৰ. ৬৯১, ই.ফা. ৬৯৯) 1 : 12 : 736 1. Sahih Bukhari ›› 10a. Characteristics of prayers ›› مُحَمَّدُ بْنُ مُقَاتِلٍ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ قَالَ أَخْبَرَنَا يُونُسُ عَنْ الزُّهْرِيِّ أَخْبَرَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْد اللهِ عَنْ عَبْد اللهِ بْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا قَامَ فِي الصَّلاَ ةِ رَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى يَكُونَاحَذْو مَنْكِبَيْهِ وَكَانَ يَفْعَلُ ذَلِكَ حِينَ يُكَبِّرُ لِلرُّكُوعِ وَيَفْعَلُ ذَلِكَ إِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِن الرُّكُوعِ وَيَقُولُ سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ وَلاَ يَفْعَلُ ذَلِكَ فِي السُّجُودِ. চালাতৰ বৈশিষ্ট্যসমূহ :: ছহীহ বুখাৰী :: খণ্ড ১ :: অধ্যায় ১০ :: হাদীছ ৭৩৬ মুহাম্মাদ ইবনু মুকাতিল (ৰহ.)....আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমাৰ ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুৰ দ্বাৰা বর্ণিত, তেওঁ কৈছে, "মই ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামক দেখিছোঁ, তেওঁ যেতিয়া চালাতৰ কাৰণে থিয় হৈছিল তেতিয়া উভয় হাত কান্ধ বৰাবৰ উঠাইছিল। আৰু যেতিয়া তেওঁ ৰুকু‘ৰ কাৰণে তাকবীৰ কৈছিল তেতিয়াও এনেকুৱা কৰিছিল। আকৌ যেতিয়া ৰুকু‘ৰ পৰা মাথা উঠাইছিল তেতিয়াও এনেকুৱা কৰিছিল আৰু حَمِدَهُ سَمِعَ اللهُ لِمَنْ কৈছিল। কিন্তু ছিজদাৰ সময়ত এনেকুৱা কৰা নাছিল"। (৭৩৫) (আ.প্ৰ. ৬৯২, ই.ফা. ৭০০) 1 : 12 : 737 1. Sahih Bukhari ›› 10a. Characteristics of prayers ›› حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ الْوَاسِطِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، أَنَّهُ رَأَى مَالِكَ بْنَ الْحُوَيْرِثِ إِذَا صَلَّى كَبَّرَ وَرَفَعَ يَدَيْهِ، وَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ رَفَعَ يَدَيْهِ، وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ رَفَعَ يَدَيْهِ، وَحَدَّثَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَنَعَ هَكَذَا‏.‏ চালাতৰ বৈশিষ্ট্যসমূহ :: ছহীহ বুখাৰী :: খণ্ড ১ :: অধ্যায় ১০ :: হাদীছ ৭৩৭ ইছহাক ওৱাছিতী (ৰহ.)...... আবু কিলাবা ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুৰ দ্বাৰা বর্ণিত, তেওঁ মালিক ইবনু হুৱাইৰিছ ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুক দেখিছে, তেওঁ যেতিয়া চালাত আদায় কৰিছিল তেতিয়া তাকবীৰ কৈছিল আৰু তেওঁৰ দু’হাত উঠাইছিল। আৰু যেতিয়া ৰুকু’ কৰাৰ ইচ্ছা কৰিছিল তেতিয়াও তেওঁৰ উভয় হাত উঠাইছিল, আকৌ যেতিয়া ৰুকু’ৰ পৰা মাথা উঠাইছিল তেতিয়াও তেওঁৰ উভয় হাত উঠাইছিল আৰু তেওঁ বৰ্ণনা কৰে যে, ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে এনেকুৱা কৰিছিল। (মুছলিম ৪/৯, হাঃ ৩৯১, আহমাদ ২০৫৫৮) (আ.প্ৰ. ৬৯৩, ই.ফা. ৭০১) 1 : 12 : 738 1. Sahih Bukhari ›› 10a. Characteristics of prayers ›› حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، قَالَ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنَا سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم افْتَتَحَ التَّكْبِيرَ فِي الصَّلاَةِ، فَرَفَعَ يَدَيْهِ حِينَ يُكَبِّرُ حَتَّى يَجْعَلَهُمَا حَذْوَ مَنْكِبَيْهِ، وَإِذَا كَبَّرَ لِلرُّكُوعِ فَعَلَ مِثْلَهُ، وَإِذَا قَالَ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ‏.‏ فَعَلَ مِثْلَهُ وَقَالَ ‏ "‏ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ ‏"‏‏.‏ وَلاَ يَفْعَلُ ذَلِكَ حِينَ يَسْجُدُ وَلاَ حِينَ يَرْفَعُ رَأْسَهُ مِنَ السُّجُودِ‏.‏ চালাতৰ বৈশিষ্ট্যসমূহ :: ছহীহ বুখাৰী :: খণ্ড ১ :: অধ্যায় ১০ :: হাদীছ ৭৩৮ আবুল ইয়ামান (ৰহ.)....... আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমাৰ ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুৰ দ্বাৰা বর্ণিত, তেওঁ কৈছে, মই নাবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামক তাকবীৰ দি চালাত আৰম্ভ কৰা দেখিছোঁ, তেওঁ যেতিয়া তাকবীৰ কৈছিল তেতিয়া তেওঁৰ উভয় হাত উঠাইছিল আৰু কান্ধ বৰাবৰ কৰিছিল। আৰু যেতিয়া ৰুকু’ৰ তাকবীৰ কৈছিল তেতিয়াও এনেকুৱা কৰিছিল। আকৌ যেতিয়া حَمِدَهُ سَمِعَ اللهُ لِمَنْ ‘ছামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ’ কৈছিল, তেতিয়াও এনেকুৱা কৰিছিল আৰু ‘ৰাব্বানা ওৱালাকাল হামদ’ কৈছিল। কিন্তু ছিজদাত যাওঁতে এনেকুৱা কৰা নাছিল। ছিজদাৰ পৰা মাথা উঠোৱাৰ সময়তো এনেকুৱা কৰা নাছিল। (৭৩৫) (আ.প্ৰ. ৬৯৪, ই.ফা. ৭০২) 1 : 12 : 739 1. Sahih Bukhari ›› 10a. Characteristics of prayers ›› (৩) حَدَّثَنَا عَيَّاشٌ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، قَالَ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ، كَانَ إِذَا دَخَلَ فِي الصَّلاَةِ كَبَّرَ وَرَفَعَ يَدَيْهِ، وَإِذَا رَكَعَ رَفَعَ يَدَيْهِ، وَإِذَا قَالَ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ‏.‏ رَفَعَ يَدَيْهِ، وَإِذَا قَامَ مِنَ الرَّكْعَتَيْنِ رَفَعَ يَدَيْهِ‏.‏ وَرَفَعَ ذَلِكَ ابْنُ عُمَرَ إِلَى نَبِيِّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‏.‏ رَوَاهُ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم‏.‏ وَرَوَاهُ ابْنُ طَهْمَانَ عَنْ أَيُّوبَ وَمُوسَى بْنِ عُقْبَةَ مُخْتَصَرًا‏.‏ চালাতৰ বৈশিষ্ট্যসমূহ :: ছহীহ বুখাৰী :: খণ্ড ১ :: অধ্যায় ১০ :: হাদীছ ৭৩৯ আয়িছা (ৰহ.)..... নাফি’ (ৰহ.)-ৰ দ্বাৰা বর্ণিত যে, ইবনু উমাৰ ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুৱে যেতিয়া চালাত আৰম্ভ কৰিছিল তেতিয়া তাকবীৰ কৈছিল আৰু দু’হাত উঠাইছিল আৰু যেতিয়া ৰুকু কৰিছিল তেতিয়াও দু’হাত উঠাইছিল। ইয়াৰ পিছত যেতিয়া حَمِدَهُ سَمِعَ اللهُ لِمَنْ ‘ছামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ’ কৈছিল তেতিয়াও দু’হাত উঠাইছিল আৰু দু’ৰাকাত আদায়ৰ পিছত যেতিয়া থিয় হৈছিল তেতিয়াও দু’হাত উঠাইছিল। এই সকলোবোৰ ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ দ্বাৰা বর্ণিত বুলি ইবনু উমাৰ ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুৱে কৈছে। এই হাদীছটো হাম্মাদ ইবনু চালামা ইবনু উমাৰ ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুৰ সূত্রে নবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ দ্বাৰা বৰ্ণনা কৰিছে। ইবনু তাহমান, আইয়ুব আৰু মুছা ইবনু ‘উকবাহ (ৰহ.)-ৰ দ্বাৰা এই হাদীছটো সংক্ষেপে বৰ্ণনা কৰিছে। (আ.প্ৰ. ৬৯৫, ই.ফা. ৭০৩) *আধুনিক প্ৰকাশনীৰ ৬৯৫ নং হাদীছৰ বিশাল এটা টোকা লিখা হৈছে বহু মাৰফু’ হাদীছক প্ৰত্য়াখ্য়ান কৰি মাযহাবী ৰছম ৰেওৱাজ চালু ৰখাৰ কাৰণে। হানাফী মাজহাবত তাকবীৰে তাহৰীমাৰ বাহিৰে ক'তো ৰাফ‘উল ইয়াদাঈন কৰা নহয়। অথচ ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে আজীৱন চালাতত তাকবীৰে তাহৰীমাৰ বাহিৰেও ৰাফ‘উল ইয়াদাঈন বা হাত উত্তোলন কৰিছিল। তলৰ হাদীছ তাৰ জলন্ত প্ৰমাণ : আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমাৰ ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুৰ দ্বাৰা বর্ণিত, তেওঁ কৈছে, "মই ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামক দেখিছোঁ, তেওঁ যেতিয়া চালাতৰ কাৰণে থিয় হৈছিল তেতিয়া উভয় হাত কান্ধ বৰাবৰ উঠাইছিল আৰু যেতিয়া তেওঁ ৰুকু’ৰ কাৰণে তাকবীৰ কৈছিল তেতিয়াও এনেকুৱা কৰিছিল। আকৌ যেতিয়া ৰুকু’ৰ পৰা মাথা উঠাইছিল তেতিয়াও এনেকুৱা কৰিছিল"। ইমাম বুখাৰী (ৰহ.)-এ এইটো বৰ্ণনা কৰিছে। তাৰ পিছৰ বৰ্ণনাত এইটোও আছে যে, যেতিযা তেওঁ (ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে) দ্বিতীয় ৰাকাতৰ পৰা (তৃতীয় ৰাকাতৰ কাৰণে) থিয় হৈছিল তেতিয়াও দুয়োখন হাত (কান্ধ বৰাবৰ) উঠাইছিল। (বুখাৰী ১ম খণ্ড ১০২ পৃষ্ঠা। মুছলিম ১৬৮ পৃষ্ঠা। আবু দাঊদ ১ম খণ্ড ১০৪, ১০৫ পৃষ্ঠা। তিৰমিযী ১ম খণ্ড ৫৯ পৃষ্ঠা। নাচাঈ ১৪১, ১৫৮, ১৬২ পৃষ্ঠা। ইবনু খুযাইমাহ ৯৫, ৯৬ মিশকাত ৭৫ পৃষ্ঠা। ইবনে মাজাহ ১৬৩ পৃষ্ঠা। যাদুল মা‘আদ ১ম খণ্ড ১৩৭, ১৩৮, ১৫০ পৃষ্ঠা। হিদায়া দিৰায়াহ ১১৩ ৰ পৰা ১১৫ পৃষ্ঠা। কিমিয়ায়ে চায়াদাত ১ম খণ্ড ১৯০ পৃষ্ঠা। বুখাৰী আধুনিক প্ৰকাশনী ১ম খণ্ড হাদীছ নং ৬৯২, ৬৯৩, ৬৯৫। বুখাৰী আযীযুল হক ১ম খণ্ড হাদীছ নং ৪৩২ ৰ পৰা ৪৩৪। বুখাৰী ইছলামিক ফাউণ্ডেচন ১ম খণ্ড হাদীছ নং ৬৯৭ ৰ পৰা ৭০১ অনুচ্ছেদসহ। মুছলিম ইছলামিক ফাউণ্ডেচন ২য় খণ্ড হাদীছ নং ৭৪৫ ৰ পৰা ৭৫০। আবু দাঊদ ইছলামিক ফাউণ্ডেচন ১ম খণ্ড হাদীছ নং ৮৪২ ৰ পৰা ৮৪৪। তিৰমিযী ইছলামিক ফাউণ্ডেচন ২য় খণ্ড হাদীছ নং ২৫৫। মিশকাত নুৰ মহম্মদ আযমী ও মাদ্ৰাছা পাঠ্য় ২য় খণ্ড হাদীছ নং ৭৩৮, ৭৩৯, ৭৪১, ৭৪৫। বুলগুল মাৰাম ৮১ পৃষ্ঠা। ইছলামিয়াত বি-এ. হাদীছ পৰ্ব ১২৬ ৰ পৰা ১২৯ পৃষ্ঠা) আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমাৰ ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুৰ দ্বাৰা বর্ণিত, ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে যেতিয়া চালাত আৰম্ভ কৰিছিল, যেতিয়া ৰুকু কৰিছিল আৰু ৰুকুৰ পৰা মাথা উঠাইছিল তেতিয়া হস্তদ্বয় উত্তোলন কৰিছিল, কিন্তু ছিজদাৰ মাজত হস্তদ্বয় উত্তোলন কৰা নাছিল। ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে মহান আল্লাহৰ সৈতে সাক্ষাৎ অৰ্থাৎ তেওঁৰ মৃত্য়ু পৰ্যন্ত সৰ্বদাই তেওঁৰ চালাত এনেকুৱা কৰিছিল। (বায়হাকী, হেদায়াহ দেৰায়াহ ১ম খণ্ড ১১৪ পৃষ্ঠা) আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমাৰ ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুৱে কৈছে, ৰাফ‘উল ইয়াদাঈন হ’ল চালাতৰ সৌন্দৰ্য। ৰুকুত যোৱাৰ সময়ত আৰু ৰুকুৰ পৰা উঠাৰ সময়ত কোনোৱে ৰাফ‘উল ইয়াদাঈন নকৰিলে তেওঁ তাক সৰু শিলগুটি মাৰি পঠিয়াইছিল। (নায়লুল আওত্বাৰ ৩/১২, ফাতহুল বাৰী ২/২৫৭) (৪) হাদীছ জগতৰ শ্ৰেষ্ঠ ইমাম ইছমা‘ঈল বুখাৰী জুযউৰ ৰাফ‘উল ইয়াদাঈন নামৰ এখন স্বতন্ত্ৰ হাদীছ গ্ৰন্থই ৰচনা কৰিছে। যাৰ মাজত ১৯৮ টা হাদীছ বিদ্য়মান। (ছপা তাওহীদ পাব্লিকেচন, ঢাকা) যুগ শ্ৰেষ্ঠ মুহাদ্দিছ নাছিৰুদ্দিন আলবানীয়ে তেওঁৰ চিফাতু চালাতুন্নাবী গ্ৰন্থত বুখাৰী আৰু মুছলিমৰ হাদীছ "তেওঁ ৰুকু'ৰ পৰা চিধা হৈ থিয় হোৱাৰ সময়ত দু'হাত উঠাইছিল" উল্লেখ কৰি টোকাত লিখিছে – এই হাত উত্তোলন ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ পৰা মুতাওৱাতিৰ সূত্ৰে সাব্য়স্ত। কিছু সংখ্য়ক হানাফী আলিম সহ বেছিভাগ আলিমে হাত উঠোৱাৰ পক্ষে মত পোষণ কৰে। ৰাফ‘উল ইয়াদাঈন ও খোলাফায়ে ৰাশ্বিদ্বীন আৰু আশ্বৰা মুবাচ্ছাৰীন : ইমাম যায়লা‘ঈ (ৰহ.) আল্লামা আব্দুল হাই লক্ষ্নৌবী হানাফী (ৰহ.) আল্লামা আনোৱাৰ শ্বাহ কাশ্মিৰী হানাফী (ৰহ.) আৰু হাফিজ ইবনু হাজাৰ আচকালানী (ৰহ.) আটায়ে হাকিম (ৰহ.)-ৰ পৰা বৰ্ণনা কৰিছে : ইমাম হাকিম (ৰহ.)-এ কৈছে, "ৰাফ‘উল ইয়াদাঈন ব্য়তীত অন্য় কোনো ছুন্নাতৰ বৰ্ণনাৰ ক্ষেত্ৰত খোলাফায়ে ৰাশ্বিদ্বীন, আশ্বৰা মুবাচ্ছাৰা (জান্নাতৰ শুভ-সংবাদ প্ৰাপ্ত দহজন চাহাবা) আৰু বিখ্য়াত চাহাবীসকল (সিহঁতে দূৰ দেশত সিচঁৰিত হোৱাৰ পিছতো) একত্ৰিত হৈছে বুলি মোৰ জ্ঞাত নহয়"। (নাচবুৰ ৰায়াহ ১/৪১৮ পৃষ্ঠা, নাইলুল ফাৰকাদাইন ২৬ পৃষ্ঠা, তালখীছ আলহাবীৰ ১/৮২) সেইখ আব্দুল কাদিৰ জিলানী ও ৰাফ‘উল ইয়াদাঈন : সেইখ আব্দুল কাদিৰ জিলানী (ৰহ.)-এ চালাতৰ ছুন্নাতসমূহ বৰ্ণনা কৰিবলৈ গৈ কৈছে, "চালাত আৰম্ভ কৰাৰ সময়ত, ৰুকু'ত যোৱাৰ সময়ত আৰু ৰুকু'ৰ পৰা উঠাৰ সময়ত ৰাফ‘উল ইয়াদাঈন কৰা ছুন্নাত" । (গুনইয়াতুত ত্বালিবীন পৃষ্ঠা ১০) হানাফী আলিমসকল আৰু ৰাফ‘উল ইয়াদাঈন : সেইখ আবু ত্বালিব মক্কী হানাফী (ৰহ.)-এ তেওঁৰ কুতুল কুলুব নামৰ গ্ৰন্থত চালাতৰ ছুন্নাতসমূহ বৰ্ণনা কৰিবলৈ গৈ কৈছে, "ৰুকু'ত যোৱাৰ সময়ত ৰাফ‘উল ইয়াদাঈন কৰা আৰু তাকবীৰ কোৱা ছুন্নাত। তাৰ পিছত 'ছামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ' কৈ ৰাফ‘উল ইয়াদাঈন কৰা ছুন্নাত"। (কুতুল কুলুব ৩/১৩৯) কাজী চানাউল্লাহ পানিপত্তী (ৰহ.)-এ কৈছে, "বৰ্তমান সময়ত অধিকাংশ আলিমৰ দৃষ্টিত ৰাফ‘উল ইয়াদাঈন কৰা ছুন্নাত। অধিকাংশ ফকীহ আৰু মুহাদ্দিছসকলে ইয়াকে প্ৰমাণ কৰি থাকে"। (মালা বুদ্দা মিনহু পৃষ্ঠা ৪২, ৪৪) ইমাম আবু ইউচুফৰ শিষ্য় ইছাম আৰু ৰাফ‘উল ইয়াদাঈন : আল্লামা আব্দুল হাই লক্ষ্নৌবী হানাফী (ৰহ.)-এ কৈছে, "ইছাম ইবনু ইউচুফ ইমাম আবু ইউচুফ (ৰহ.)-ৰ শিষ্য় শ্বাগৰিদ আৰু হানাফী আছিল। তেওঁ ৰুকু'ত যোৱাৰ সময়ত আৰু ৰুকু'ৰ পৰা উঠাৰ সময়ত দু'হাত উঠাইছিল"। (আল ফাওৱায়েদুল বাহিয়্য়াহ ১১৬, নুৰ মুহাম্মাদ প্ৰেছ) আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবাৰক, চুফিয়ান চাওৰী আৰু শু'বাহে কৈছে, "ইছাম ইবনু ইউচুফ মুহাদ্দিছ আছিল। সেয়ে তেওঁ ৰাফ‘উল ইয়াদাঈন কৰিছিল। (আল ফাওৱায়েদুল বাহিয়্য়াহ ১১৬, নুৰ মুহাম্মাদ প্ৰেছ) আল্লামা আব্দুল হাই লক্ষ্নৌভী হানাফী (ৰহ.)-এ কৈছে, "ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ পৰা ৰাফ‘উল ইয়াদাঈনৰ প্ৰমাণ অধিক আৰু অগ্ৰাধিকাৰযোগ্য়। (আত্ তা'লিকুল মুমাজ্জাদ ৯১ পৃষ্ঠা) তেওঁ আৰু কৈছে, "সত্য় কথা হ'ল ৰুকু'ত যোৱা আৰু ৰুকু'ৰ পৰা মথা উঠোৱাৰ সময়ত ৰাফ‘উল ইয়াদাঈন কৰা ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লাম আৰু অসংখ্য় চাহাবীৰ পৰা শক্তিশালী চনদ আৰু হাদীছৰ দ্বাৰা প্ৰমাণিত। (আচ্ চিয়ায়াহ ১/২১৩) (৫) ৰুকু'ত যোৱা আৰু ৰুকু'ৰ পৰা উঠাৰ সময়ত ৰাফ‘উল ইয়াদাঈন কৰা সম্পৰ্কে চাৰি খলিফাসহ প্ৰায় ২৫ জন চাহাবীৰ পৰা বৰ্ণিত ছহীহ হাদীছ বিদ্য়মান। এটা হিচাবমতে ৰাফ‘উল ইয়াদাঈনৰ হাদীছৰ ৰাবীৰ সংখ্য়া আশ্বাৰায়ে মুবাচ্ছাৰাসহ নুন্য়তম ৫০ জন চাহাবী। (ফিকহুল ছুন্নাহ ১/১০৭, ফাতহুল বাৰী ২/২৫৮) আৰু সৰ্বমুঠ ছহীহ হাদীছ ও আছাৰৰ সংখ্য়া নুন্য়তম ৪০০) ইমাম চুয়ুতীয়ে ৰাফ‘উল ইয়াদাঈনৰ হাদীছক মুতাওৱাতিৰ পৰ্যায়ৰ বুলি মন্তব্য় কৰিছে। কিছুমান নিৰ্বোধ লোকে কয় যে, ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ সময়ত যিসকলে নতুনকৈ ঈমান আনিছিল সিহঁতে সিহঁতৰ পূৰণা আচৰণৰ বশৱৰ্তী হৈ কাষলতিত পুতলা ৰাখিছিল আৰু ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে জানিব পাৰি ৰাফ‘উল ইয়াদাঈনৰ নিৰ্দেশ দিয়ে। পিছত সিহঁতৰ ঈমান মজবুত হোৱাত ৰাফ‘উল ইয়াদাঈন কৰাৰ নিৰ্দেশ মানচুখ হৈ যায়। এই কথাটো নিতান্তই আল্লাহৰ ৰাছুলৰ চাহাবীসকলৰ ঈমান সম্বন্ধে সন্দেহ পোষণ। কাৰণ তেওঁলোকৰ ঈমান আমাৰ ঈমানতকৈ বহুত বেছি দৃঢ় আৰু মজবুত আছিল। ইয়াৰ বাহিৰেও এই কথাটো চাহাবীসকলৰ ওপৰত মিছা অপবাদৰ নামান্তৰ। ৰাফ‘উল ইয়াদাঈন সম্পৰ্কে চাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনু মাছউদৰ হাদীছৰ উল্লেখ কৰি কোৱা হয় ৰাফ‘উল ইয়াদাঈন কৰিব নালাগে। কিন্তু মুহাদ্দিছীনে কিৰামৰ ওচৰত এই কথাটো প্ৰসিদ্ধ যে, তেওঁৰ শেষ বয়সত বাৰ্ধক্য়জনিত কাৰণত স্মৃতিভ্ৰম ঘটে। ফলত হব পাৰে এই হাদীছটিও সেইসমূহৰ অন্তৰ্ভুক্ত। কাৰণ তেওঁ বহুকেইটা বিষয়ত আন চাহাবীসকলৰ বিপৰীতে কথা কৈছে। যেনে – (১) মুৱাব্বিযাতাইন- ছুৰা নাছ আৰু ফালাক ছুৰা দুটা কুৰআনৰ অংশ নহয় বুলি ভাৱিছিল। (২) তাতবীক- ৰুকু'ত তাতবীক বা দু'হাতক জোৰকৈ আঁঠুৰ দ্বাৰা চেপি ৰাখিব কৈছিল। (৩) দুজন চালাতত থিয় হ'লে কেনেকৈ থিয় হব। (৪) আৰাফাৰ ময়দানত কেনেকৈ তেওঁ (চ:) দু'ওৱাক্ত একেলগে আদায় কৰিছে। (৫) হাত মেলি ছিজদা কৰা। (৬) وماخلق الذكروالا نشىকেনেকৈ পঢ়িছে। (৭)ৰাফ‘উল ইয়াদাঈন এবাৰ কৰিছে। [নাচবুৰ ৰাইয়াহ (ইমাম যাইলায়ী) ৩৯৭ ৰ পৰা ৪০১ পৃষ্ঠা, ফিকহুচ ছুন্নাহ ১/১৩৪] 1 : 12 : 740 1. Sahih Bukhari ›› 10a. Characteristics of prayers ›› حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ كَانَ النَّاسُ يُؤْمَرُونَ أَنْ يَضَعَ الرَّجُلُ الْيَدَ الْيُمْنَى عَلَى ذِرَاعِهِ الْيُسْرَى فِي الصَّلاَةِ‏.‏ قَالَ أَبُو حَازِمٍ لاَ أَعْلَمُهُ إِلاَّ يَنْمِي ذَلِكَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم‏.‏ قَالَ إِسْمَاعِيلُ يُنْمَى ذَلِكَ‏.‏ وَلَمْ يَقُلْ يَنْمِي‏.‏ চালাতৰ বৈশিষ্ট্যসমূহ :: ছহীহ বুখাৰী :: খণ্ড ১ :: অধ্যায় ১০ :: হাদীছ ৭৪০ আব্দুল্লাহ্ ইবনু মাছলামা (ৰহ.)..... চাহল ইবনু ছা’দ ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুৰ দ্বাৰা বর্ণিত, তেওঁ কৈছে, সকলোকে নির্দেশ দিয়া হ’ল যে, চালাতত প্রত্যেকে সোঁ-হাত বাওঁ-হাতৰ যিৰা'ৰ ওপৰত ৰাখিব।* আবু হাযিম (ৰহ.)-এ কৈছে, চাহল (ৰহ.)-এ এই হাদীছটি নাবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ পৰা বৰ্ণনা কৰিছিল বুলিয়েই জানে। ইছমা'ঈল (ৰহ.)-এ কৈছে, এই হাদীছটি নাবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ পৰাই বৰ্ণনা কৰা হৈছিল। কিন্তু তেওঁ এনেকৈ কোৱা নাছিল যে, চাহল (ৰহ.)-এ নাবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ পৰা বৰ্ণনা কৰিছিল। (আ.প্ৰ. ৬৯৬, ই.ফা. ৭০৪) (৬) *আধুনিক প্ৰকাশনীৰ ৬৯৬ নম্বৰত এই হাদীছৰ অনুবাদত এটা বিৰাট জালিয়াতি তথা ধোঁকাবাজি কৰা হৈছে। পাঠকসকলৰ সুবিধাৰ্থে মূল হাদীছৰ ইবাৰতসহ সংক্ষিপ্ত আলোচনা তুলি ধৰা হ’ল :- চালাতত নাভিৰ তলত হাত বন্ধাৰ কথা ছহীহ হাদীছত নাই। নাভিৰ তলত হাত বন্ধা প্ৰমাণহীন। বৰং হাত বুকুৰ ওপৰত বন্ধাৰ কথা ছহীহ হাদীছৰ দ্বাৰা প্ৰমাণিত। ওৱাইল বিন হুজৰ ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুৰ দ্বাৰা বৰ্ণিত, তেওঁ কৈছে, মই ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ লগত চালাত আদায় কৰিছোঁ। তেওঁ তেওঁৰ বুকুত সোঁ-হাত বাওঁ-হাতৰ ওপৰত ৰাখিছিল। বুখাৰীৰ হাদীছৰ আৰবী ইবাৰতত ذِرَاعِهِ শব্দৰ অৰ্থ কৰিছে হাতৰ কব্জি। কিন্তু এনেকুৱা কোনো অভিধান নাই য’ত ذِرَاع শব্দৰ অৰ্থ কব্জি কৰা হৈছে। আৰবী অভিধানসমূহত ذِرَاع শব্দৰ অৰ্থ পূৰ্ণ একগজ বিশিষ্ট হাত। অনুবাদকে কেৱল ছহীহ হাদীছৰ অৰ্থ বিকৃত কৰি মাযহাবী মতক অগ্ৰাধিকাৰ দিয়াৰ উদ্দেশ্য়ে ইচ্ছাকৃতভাৱে অনুবাদত পূৰ্ণ হাতৰ পৰিৱৰ্তে কব্জি বুলি উল্লেখ কৰিছে। তথাপিও সংশয় দূৰ কৰাৰ কাৰণে এই সম্পৰ্কে কিছু বহলাই আলোচনা কৰা হ’ল :- ওৱাইল বিন হুজৰ ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুৰ দ্বাৰা বৰ্ণিত, তেওঁ কৈছে যে, মই ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ লগত চালাত আদায় কৰিছোঁ। (মই দেখিছোঁ) ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে নিজৰ সোঁ-হাত বাওঁ-হাতৰ ওপৰত ৰাখি বুকুৰ ওপৰত ৰাখিলে। তলত উল্লেখিত ৰেফাৰেন্স অনুযায়ী হাদীছসমূহ পৰ্যালোচনা কৰিলে বুকু বা চিনা'ৰ ওপৰত হাত স্থাপনৰ বিষয়টো অকাট্য়ভাৱে প্ৰমাণিত হয়। (বুখাৰী ১০২ পৃষ্ঠা। ছহীহ ইবনু খুযাইমাহ ২০ পৃষ্ঠা। মুছলিম ১৭৩ পৃষ্ঠা। আবু দাঊদ ১ম খণ্ড ১১০, ১২১, ১২৮ পৃষ্ঠা। তিৰমিযী ৫৯ পৃষ্ঠা। নাচাঈ ১৪১ পৃষ্ঠা। ইবনু মাযাহ ৫৮, ৫৯ পৃষ্ঠা। মিশকাত ৭৫ পৃষ্ঠা। মুয়াত্তা মালিক ১৭৪ পৃষ্ঠা। মুয়াত্তা মুহাম্মাদ ১৬০ পৃষ্ঠা। যাদুল মায়াদ ১২৯ পৃষ্ঠা। হিদায়া দিৰায়াহ ১০১ পৃষ্ঠা। কিমিয়ায়ে চাআদাত ১ম খণ্ড ১৮৯ পৃষ্ঠা। বুখাৰী আযীযুল হক ১ম খণ্ড হাদীছ নং ৪৩৫, বুখাৰী আধুনিক প্ৰকাশনী ১ম খণ্ড হাদীছ নং ৬৯৬, বুখাৰী ইছলামিক ফাউণ্ডেচন ২য় খণ্ড হাদীছ নং ৭০২, মুছলিম ইছলামিক ফাউণ্ডেচন ২য় খণ্ড হাদীছ নং ৮৫১, আবু-দাঊদ ইছলামিক ফাউণ্ডেচন ১ম খণ্ড হাদীছ নং ৭৫৯, তিৰমিযী ইছলামিক ফাউণ্ডেচন ১ম খণ্ড হাদীছ নং ২৫২, মিশকাত নুৰ মুহাম্মাদ আযমী ২য় খণ্ড ও মাদ্ৰাছা পাঠ্য় হাদীছ নং ৭৪১, ৭৪২; বুলগুল মাৰাম বাংলা ৮২ পৃষ্ঠা) বুকুৰ ওপৰত হাত বন্ধা সম্বন্ধে এটা হাদীছ বৰ্ণিত হ’ল :- চিনা বা বুকুৰ ওপৰত এনেভাৱে হাত বান্ধিব লাগিব যাতে সোঁ-হাত ওপৰত আৰু বাওঁ-হাত তলত থাকে। (মুছলিম, আহমাদ, ইবনু খুযাইমাহ) হাত বন্ধাৰ দুটা নিয়ম : প্ৰথম নিয়ম : সোঁ-হাতৰ কব্জি বাওঁ-হাতৰ কব্জিৰ যোৰাৰ ওপৰত থাকিব। (ইবনু খুযাইমাহ) দ্বিতীয় নিয়ম : সোঁ-হাতৰ আঙুলিবিলাক বাওঁ-হাতৰ কিলাকূটিৰ ওপৰত থাকিব, অৰ্থাৎ সম্পূৰ্ণ সোঁ-হাতখন বাওঁ-হাতৰ ওপৰত থাকিব। (বুখাৰী) এইটোৱেই যিৰা'হৰ ওপৰত যিৰা'হ ৰখাৰ পদ্ধতি। বুকুত হাত বন্ধা সম্পৰ্কে আলোচনা : বুকুত হাত বন্ধা সম্পৰ্কে আল্লামা হায়াত সিন্ধী এখন আৰবী ৰিছালা লিখি তাত তেওঁ প্ৰমাণিত কৰিছে যে, চালাতত চিনাৰ ওপৰত হাত বান্ধিব লাগিব। তেওঁৰ পুস্তিকাৰ নাম "ফতহুল গফুৰ ফী তাহকীকে ওযয়িল ইয়াদাইনে আলাচ চদুৰ"। পুস্তিকাখনি ৮ পৃষ্ঠাত সমাপ্ত। তাৰ পৰা কেইটামান দলিল উল্লেখ কৰা হ’ল। ১। ইমাম আহমাদ স্বীয় মচনদ কবীচহা বিন হোলব- তেওঁ স্বীয় পিতা (হোলব)-ৰ পৰা ৰিওৱায়াত কৰিছে যে, মই ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামক (চালাতৰ পৰা ফাৰিগ হৈ মুছল্লিৰ ফালে) সোঁ আৰু বাওঁ-ফালে ঘূৰা দেখিছোঁ, আৰু দেখিছোঁ তেওঁক স্বীয় চিনাৰ ওপৰত হাত বন্ধা। উক্ত হাদীছ 'ইয়াহ্ইয়া' নামৰ ৰাবী স্বীয় সোঁ-হাত বাওঁ-হাতৰ কব্জিৰ ওপৰত ৰাখি দেখুৱালে। আল্লামা হায়াত সিন্ধীয়ে কৈছে যে, মই 'তাহকীক' কিতাপতيضع يداه على صدره তেওঁ স্বীয় চিনাৰ ওপৰত হাত ৰাখিলে, এই কথা দেখিছোঁ। আৰু মই কৈছোঁ যে, হাফিয আবু উমৰ (৭) ইবনু আব্দুল বৰ স্বীয় "আল ইস্তিয়াব ফী মাআৰিফাতিল আচহাব" কিতাপত উক্ত হাদীছ 'হোলব' চাহাবীৰ পৰা তেওঁৰ পুত্ৰ কবীচাই ৰিওৱায়াত কৰিছে এই কথা উল্লেখ কৰি উক্ত হাদীছ ছহীহ বুলি কৈছে। (২য় খণ্ড, ৬০০ পৃষ্ঠা) ২। ইমাম আবু-দাঊদ তাউচ (তাবে‘ঈ)-ৰ দ্বাৰা চিনাৰ ওপৰত হাত বন্ধাৰ হাদীছ ৰিওৱায়াত কৰিছে। ৩। ইমাম ইবনু আব্দুল বৰ "আত্ তামহীদ লিমা ফীল মুৱাত্বা মিনাল মাআনী ওৱাল আচানীদ" কিতাপত উক্ত 'তাউচ' তাবে‘ঈৰ হাদীছ উল্লেখ কৰি চিনাৰ ওপৰত হাত বন্ধাৰ কথা কৈছে। ইয়াৰ বাহিৰেও ওৱাইল বিন হুজৰ দ্বাৰাও চিনাৰ ওপৰত হাত বন্ধাৰ হাদীছ উল্লেখ কৰিছে। ৪। ইমাম বাইহাকী... আলীয়ে "ফাচল্লি লি ৰাব্বিকা ওৱানহাৰ" ৰ অৰ্থ এনেকৈ বৰ্ণনা কৰিছে, তুমি চালাত আদায় কৰাৰ সময়ত সোঁ-হাত বাওঁ-হাতৰ ওপৰত ৰাখা। (জওহাৰুন্ নকীসহ চুনানে কুবৰা ২৪ ৰ পৰা ৩২ পৃষ্ঠা) ৫। ইমাম বুখাৰী স্বীয় ‘তাৰীখ’ত উকবাহ বিন চাহবান, তেওঁ (উকবাহ) আলী ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুৰ পৰা ৰিওৱায়াত কৰিছে যে, আলী ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুৱে বাওঁ-হাতৰ ওপৰত সোঁ-হাত ৰাখি (হস্তদ্বয়) চিনাৰ ওপৰত বান্ধি "ফাচল্লি লি ৰাব্বিকা ওৱানহাৰ" (আয়াতৰ) অৰ্থ বুজাইছে। অৰ্থাৎ উক্ত আয়াতৰ অৰ্থ ‘তুমি চিনাৰ ওপৰত হাত বান্ধি চালাতলৈ যোৱা’। ইয়াৰ বাস্তৱ ৰূপ তেওঁ [আলী ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুৱে] চিনাৰ ওপৰত হাত বান্ধি দেখুৱালে। উক্ত আয়াতৰ অৰ্থ আব্দুল্লাহ বিন আব্বাছ ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুৰ পৰাও অনুৰূপ বৰ্ণিত হৈছে। এতিয়া নাভিৰ তলত হাত বন্ধাৰ কিবা হাদীছ আছে নেকি সেইটো দেখা যাওঁক। নাভিৰ তলত হাত বন্ধা : ইমাম বাইহাকীয়ে আলীৰ দ্বাৰা নাভিৰ তলত হাত বন্ধাৰ এটা হাদীছ উল্লেখ কৰি তাক যঈফ বুলি কৈছে। নাভিৰ তলত হাত বন্ধাৰ কোনো ছহীহ হাদীছ নাই : আল্লামা সিন্ধী হানাফীয়ে বিদ্বানসকলৰ কথা উল্লেখ কৰি লিখিছে, যদি তুমি কোৱা যে, ইবনু আবী শ্বাইবাৰ ‘মুচান্নাফ’ (হাদীছৰ কিতাপৰ নাম)-ৰ দ্বাৰা সেইখ কাচিম বিন কাতলুবাগা ‘তাখৰীজু আহাদীছিল এখতিয়াৰ’ কিতাপত ‘ওকী’ মুছা বিন ওমাইৰাহৰ পৰা, মুছা আলকামা বিন ওৱাইল বিন হুজৰ দ্বাৰা যি ৰিওৱায়াত কৰিছে তাত ‘নাভিৰ তলত’ হাত বন্ধাৰ কথা উল্লেখ আছে। কিন্তু মই (আল্লামা সিন্ধী) কওঁ যে, নাভিৰ তলত হাত বন্ধাৰ হাদীছ ভুল। ‘মুচান্নাফ’ৰ ছহীহ গ্ৰন্থত উক্ত চনদৰ উল্লেখ আছে। কিন্তু ‘নাভিৰ তলত’ এই শব্দৰ উল্লেখ নাই। উক্ত হাদীছৰ পিছত (ইব্ৰাহীম) ‘নখঈ’ আছাৰ (চাহাবা আৰু তাবেঈসকলৰ উক্তি আৰু আচৰণক ‘আছাৰ’ বোলে) উল্লেখ আছে। উক্ত ‘আছাৰ’ আৰু হাদীছৰ শব্দ প্ৰায় ওচৰা-ওচৰি। উক্ত ‘আছাৰ’ৰ শেষ ভাগত ‘ফিচ্ চালাতে তাহতাচ্ ছুৰ্ ৰাহ’ অৰ্থাৎ চালাতৰ মাজত নাভিৰ তলত (হাত বন্ধাৰ কথা উল্লেখ আছে)। বোধহয় লিখকৰ লক্ষ্য় এটা শাৰীৰ পৰা আনটো শাৰীলৈ যোৱাত ‘মাওকুফ’ (হাদীছক) ‘মাৰফু’ লিখি দিছে। (যি হাদীছৰ সম্বন্ধ চাহাবাৰ সৈতে হয় তাক ‘মাওকুফ’ আৰু যাৰ সম্বন্ধ ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ সৈতে হয় তাক ‘মাৰফু’ হাদীছ বোলে) আৰু মই যিবোৰ ক’লো মোৰ কথাৰ পৰা এইটোৱেই প্ৰকাশ পায় যে, ‘মুচান্নাফ’ ৰ সকলো খণ্ডতে মিলিতভাৱে নাভিৰ তলত হাত বন্ধাৰ বিষয়ে এটা নহয় অৰ্থাৎ সকলোবোৰতে নাভিৰ তলত হাত বন্ধাৰ কথাটো উল্লেখ নাই। তাৰ বাহিৰেও বহুতো আহলে হাদীছ (মুহাদ্দিছ)- এ উক্ত হাদীছ ৰিওৱায়াত কৰিছে। অথচ ‘নাভিৰ তল’ৰ কথা কোনেও উল্লেখ কৰা নাই। আৰু আমি তেওঁলোকৰ মাজৰ কোনো ব্য়ক্তিৰ পৰা শুনা নাই। কেৱল ‘কাচিম বিন কাতলুবাগা’ই সেই কথাৰ (নাভিৰ তলত) উল্লেখ কৰিছে। তেওঁ ‘তামহীদ’ কিতাপৰ কথা উল্লেখ কৰি লিখিছে যে, (আহলে হাদীছৰ মাজত প্ৰথম) ইবনু আব্দিল বৰ’য়ে উক্ত কিতাপত কৈছে যে, চাওৰী আৰু আবু হানীফাই নাভিৰ তলৰ কথা কৈছে; আৰু সেইটো আলী আৰু ইব্ৰাহীম নখঈৰ দ্বাৰা বৰ্ণিত বুলি কৈছে। কিন্তু সেই দুজনৰ (আলী আৰু নখঈ) পৰা সঠিকভাৱে প্ৰমাণিত হোৱা নাই। যদি সেইটো হাদীছ হ’লহেতেঁন ইবনু আব্দিল বৰ’য়ে ‘মুচান্নাফ’ৰ দ্বাৰা তাক নিশ্চয় উল্লেখ কৰিলেহেঁতেন। কিয়নো হাত বন্ধা সম্বন্ধে ইবনু আবী চাইবাৰ পৰা তেওঁ বহুতো ৰিওৱায়াত আনিছে। ২য় ইবনু হুজৰ আচকালানী, (আহলে হাদীছ) ৩য় মুজ্দুদদীন ফিৰোজাবাদী, (আহলে হাদীছ) ৪ৰ্থ আল্লামা চৈয়ুতী, (আহলে হাদীছ) ৫ম আল্লামা যয়লয়ী, (মুহাক্কিক) ৬ষ্ঠ আল্লামা আয়নী, (আহলে তাহ্কীক) আৰু ৭ম ইবনু আমীৰিল হাজ্জ (আহলে হাদীছ) প্ৰভৃতিৰ কথা উল্লেখ কৰি তেওঁ লিখিছে যে, যদি ‘নাভিৰ তল’ৰ কথা থাকিলহেঁতেন সকলোৱেই তাক উল্লেখ কৰিলেহেঁতেন। কিয়নো (৮) তেওঁলোকৰ সকলোৰে কিতাপ ইবনু আবী চাইবাৰ বৰ্ণিত হাদীছৰ দ্বাৰা পূৰ্ণ। তেওঁ এই সম্পৰ্কীত হাদীছদ্বয়ৰ আলোচনা কৰি বুকুত হাত বন্ধাটো ওৱাজীব বুলি কৈছে। সিন্ধী চাহেবে উপসংহাৰত লিখিছে "জানি থোৱা যে, ‘নাভিৰ তলত’ এই কথা প্ৰমাণৰ ফালেদি নে ‘কতয়ী’ (অকাট্য়) নে ‘যন্নী’ (বলিষ্ঠ ধাৰণামূলক)। বৰং প্ৰমাণৰ ফালেদি ‘মাওহূম’ (কল্পনাপ্ৰসূত) আৰু যিটো মাওহূম তাৰ দ্বাৰা শ্বৰীয়তৰ হুকুম প্ৰমাণিত নহয়। গতিকে কেৱল কল্পনা কৰি ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ প্ৰতি কোনো বস্তুৰ সম্বন্ধ কৰা উচিত নহয়। অৰ্থাৎ কেৱল কল্পনাৰ ওপৰত নিৰ্ভৰ কৰি নাভিৰ তলত হাত ৰখাৰ নিয়মক ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ লগত সম্পৰ্কীত কৰাটো উচিত নহয়। যেতিয়া ওপৰোক্ত আলোচনাৰ পৰা স্পষ্টভাৱে প্ৰকাশ পালে যে, চালাতত চিনাৰ ওপৰত হাত বন্ধা হয়। যিয়ে সেইটোৰ পৰা মুখ ঘূৰাই নিয়ে আৰু সেই বস্তুৰ পৰা কেনেকৈ মুখ ঘূৰাই নিয়া সম্ভৱ যিটো ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ দ্বাৰা প্ৰমাণিত হৈছে। কিয়নো ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে কৈছে, "মই যি আনিছোঁ (অৰ্থাৎ আল্লাহৰ ব্যৱস্থা) যেতিয়ালৈকে তোমালোকৰ মাজত কোনোৱে তাৰ প্ৰবৃত্তিক তাৰ অনুগামী নকৰিব তেতিয়ালৈকে ঈমানদ্বাৰ হব নোৱাৰিব। গতিকে প্ৰত্য়েক মুমিনৰ (পুৰুষ-মহিলাৰ) উচিত তাৰ ওপৰত আমল কৰা মাজে-সময়ে এই দোৱা কবা—হে আল্লাহ! যি বিষয়ত মতভেদ কৰা হৈছে সেই বিষয়ত আমাক সত্য় পথৰ সন্ধান দিয়া। কিয়নো তুমিয়েইতো যাকে ইচ্ছা 'চিৰাতে মুস্তাকীম'ৰ পথ দেখুৱাই থাকা"। (উক্ত কিতাপ ২-৮ পৃষ্ঠা আৰু ইবকাৰুল মিনান ৯৭-১১৫ পৃষ্ঠা) আল্লামা নাছিৰুদ্দিন আলবানীয়ে তেওঁৰ চিফাত গ্রন্থত হাত বন্ধা সম্পর্কে লিখিবলৈ গৈ শিৰোণাম আনিছে وضعهما على الصدر: বুকুৰ ওপৰত দু'হাত ৰখা। তাৰ পিছত তেওঁ হাদীছ উল্লেখ কৰি তলত টোকা লিখিছে। যিটো বন্ধনীৰ ভিতৰত দেখুওৱা হ’ল। "ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে বাওঁ-হাতৰ পিঠি, কব্জি আৰু বাহুৰ ওপৰত সোঁ-হাত ৰাখিছিল"। [আবু দাঊদ, নাচাঈ, ১/৪/২ ছহীহ ছনদত আৰু ইবনু হিব্বানেও ছহীহ আখ্য়া দিছে, ৪৮৫] "এই বিষয়ে স্বীয় চাহাবাসকলেও আদেশ প্ৰদান কৰিছে"। (মালিক, বুখাৰী আৰু আবু আওৱানাহ্) "তেওঁ কেতিয়াবা সোঁ-হাতেৰে বাওঁ-হাতক খামুচি ধৰিছিল"। (নাচাঈ, দাৰাকুত্বনী, ছহীহ চনদ সহকাৰে) এই হাদীছে প্ৰমাণ কৰিছে যে, হাত বন্ধা ছুন্নাত আৰু প্ৰথম হাদীছে প্ৰমাণ কৰিছে যে, হাত ৰখা ছুন্নাত। গতিকে দুয়োটা ছুন্নাত। কিন্তু হাত বন্ধা আৰু হাত ৰখাৰ মাজত সমন্বয় বিধান কৰিবলৈ গৈ পৰৱৰ্তী হানাফী আলিমসকলে যি পদ্ধতি পছন্দ কৰিছে সেইটো হৈছে বিদআত, যাৰ ৰূপ তেওঁলোকে এনেদৰে উল্লেখ কৰিছে যে, সোঁ-হাতক বাওঁ-হাতৰ ওপৰত কনিষ্ঠ ও বৃদ্ধ আঙুলিৰে খামুচি ধৰিব আৰু বাকী তিনিটা আঙুলি মেলি ৰাখিব। (ইবনু আবিদীন কৰ্তৃক দুৰ্ৰে মুখতাৰৰ টোকা, ১/৪৫৪)। গতিকে হে পাঠক! পৰৱৰ্তীসকলৰ (মনেগঢ়া) এই কথাই যেন আপোনাক ধোকাত নেপেলায়। "তেওঁ উভয় হাত বুকুৰ ওপৰত ৰাখিছিল"। [আবু দাঊদ, ইবনু খুযাইমাহ স্বীয় ছহীহ গ্ৰন্থত (১/৫৪/২) আহমাদ, আবুচ সেইখে স্বীয় "তাৰীখু আছবাহান" গ্ৰন্থত (পৃষ্ঠা ১২৫) ইমাম তিৰমিযীৰ এটা চনদক হাছান বুলি কৈছে। গভীৰভাৱে চিন্তা কৰিলে ইয়াৰ বক্তব্য় মুওৱাত্বা ইমাম মালিক আৰু বুখাৰীত পোৱা যাব। আলবানীয়ে কৈছে, এই হাদীছৰ বিভিন্ন বৰ্ণনা সূত্ৰক লৈ মই احكام الجناءز কিতাপৰ (১১৮) পৃষ্ঠাত বিস্তাৰিত আলোচনা কৰিছোঁ] জ্ঞাতব্য় : বুকুৰ ওপৰত হাত ৰখাটোৱে ছহীহ হাদীছৰ দ্বাৰা সাব্য়স্ত। ইয়াৰ বাহিৰে অন্য় ঠাইত হাত ৰখাৰ হাদীছ হয় দুৰ্বল নহয় ভিত্তিহীন। এই ছুন্নাতৰ ওপৰত ইমাম ইছহাক বিন ৰাহভিয়াই আমল কৰিছে। মাৰওৱাযীয়ে المساءل গ্ৰন্থৰ ২২২ পৃষ্ঠাত লিখিছে, ইছহাকে মোক লৈ বিতিৰ চালাত পঢ়িছে আৰু তেওঁ কুনুতত হাত উঠাইছিল আৰু ৰুকু'ৰ আগত কুনুত পঢ়িছিল। তেওঁ বুকুৰ ওপৰত বা তলত হাত ৰাখিছিল। কাযী ইয়াযও اءلا علام কিতাপৰ ১৫ পৃষ্ঠাৰ (ৰিবাত্ব তৃতীয় সংস্কৰণ)-ত مستحبات الصلاة চালাতৰ মুস্তাহাব কাম বৰ্ণনাৰ ক্ষেত্ৰত অনুৰূপ কথা কৈছে, সোঁ-হাতক বাওঁ-হাতৰ পিঠিৰ ওপৰত বুকুত ৰাখা। আব্দুল্লাহ ইবনু আহমাদৰ বক্তব্য়ও ইয়াৰ ওচৰা-ওচৰি, তেওঁ তেওঁৰ المساءل ৰ ৬২ পৃষ্ঠাত কৈছে, মোৰ পিতাক দেখিছোঁ যেতিয়া তেওঁ চালাত পঢ়িছিল তেতিয়া তেওঁৰ এখন হাত আনখন হাতৰ ওপৰত নাভিৰ ওপৰত ৰাখিছিল। চাওঁক اءرواءاليل (৩৫৩)] (চাওঁক নাছিৰুদ্দিন আলবানীৰ চিফাতু চালাতুন্নাবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লাম)1-dot
1 Photo · 1 Photo
Older
#ছহীহ হাদীছ:- মুহাদ্দিছসকলৰ পৰিভাষাত যিবোৰ হাদীছৰ মাজত ৫ টা চর্ত পূৰণ হৈছে তাকে ছহীহ হাদীছ বা বিশুদ্ধ হাদীছ বোলে। চর্ত ৫ টা হ'ল- ১) হাদীছৰ সকলো বর্ণনাকাৰী বা ৰাবী পৰিপূর্ণ সৎ আৰু বিশ্বস্ত বুলি প্রমাণিত। ইয়াক ‘আদালত’ বোলে। ২) সকলো ৰাবীৰ ‘নির্ভুল বর্ণনা ক্ষমতা’ পূর্ণৰূপে বিদ্যমান বুলি প্রমাণিত। ইয়াক ‘যাবতা’ বোলে। ৩) চনদৰ প্রত্যেক ৰাবীয়ে তেওঁৰ ঊর্ধ্বতন ৰাবীৰ পৰা নিজ কাণে হাদীটো শুনিছে বুলি প্রমাণিত। ইয়াক ‘ইত্তিচাল’ বোলে। ৪) হাদীছটো অন্যান্য প্রমাণিত হাদীছৰ বর্ণনাৰ বিপৰীত নহয় বুলি প্রমাণিত। ইয়াক ‘শুযুয মুক্তি’ বোলে। ৫) হাদীছটোৰ মাজত সূক্ষ্ম কোনো চনদগত বা অর্থগত ত্রুটি নাই বুলি প্রমাণিত। ইয়াক ‘ইল্লাত মুক্তি’ বোলে। #হাচান হাদীছ:- মুহাদ্দিছসকলৰ পৰিভাষাত যিবোৰ হাদীছত ছহীহ হাদীছৰ ৫ টা চর্ত বিদ্যমান, কিন্তু দ্বিতীয় চর্ত অর্থাৎ ‘যাবতা’ বা হাদীছ বর্ণনাকাৰীৰ ‘নির্ভুল বর্ণনা ক্ষমতা’ অলপ দুর্বল বুলি বুজা যায়, সেই হাদীছক হাচান হাদীছ বা গ্রহণযোগ্য হাদীছ বোলা হয়। অর্থাৎ যদি চনদত উল্লেখিত কোনো এজন ৰাবীৰ বর্ণিত হাদীছৰ মাজত কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল-ত্রুটি লক্ষ্য কৰা যায়, তেনেহ’লে এনে ধৰণৰ ৰাবীৰ বর্ণিত হাদীছ ‘হাচান হাদীছ’ বুলি গণ্য। ফিকহবিদসকলে সাধাৰণতে ছহীহ আৰু হাচান হাদীছৰ ভিত্তিতে শ্বৰীয়তৰ বিধান নির্ধাৰণ কৰে। #জঈফ বা দুর্বল হাদীছ:- যি হাদীছৰ মাজত হাচান হাদীছৰ চর্তবিলাক অবিদ্যমান দেখা যায়, মুহাদ্দিছসকলৰ পৰিভাষাত তাকে যঈফ হাদীছ বোলে। অর্থাৎ, ১- ৰাবীৰ বিশ্বস্ততাৰ অভাৱ, বা ২- তেওঁৰ বিশুদ্ধ হাদীছ বর্ণনা বা স্মৃতিৰ অভাৱ, বা ৩- চনদৰ মাজত কোনো এজন ৰাবীয়ে তেওঁৰ ঊর্ধ্বতন ৰাবীৰ পৰা পোনপটীয়াকৈ আৰু নিজ কাণেৰে শুনা নাই বুলি প্রমাণিত হোৱা বা দৃঢ় সন্দেহ হোৱা, বা ৪- অন্যান্য প্রমাণিত হাদীছৰ সৈতে সাংঘর্ষিক হোৱা, অথবা ৫- সূক্ষ্ম কোনো চনদগত বা অর্থগত ত্রুটি থকা; ইত্যাদি যিকোনো এটা বিষয় কোনো হাদীছৰ মাজত থাকিলে হাদীছটো জঈফ বুলি গণ্য হয়। কোনো হাদীছক ‘জঈফ’ বুলি গণ্য কৰাৰ অর্থ হ'ল, হাদীছটো ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ কথা নহয় বুলিয়েই প্রতীয়মান হয়। #মাউযু হাদীছ বা বানোয়াট হাদীছ:- যি হাদীছৰ ৰাবীয়ে জীৱনত কেতিয়াবা ইচ্ছাকৃতভাৱে ৰাছুলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ নামত মিছা কথা সজাই সমাজত প্রচাৰ কৰিছে অথবা, ইচ্ছাকৃতভাৱে হাদীছৰ সূত্র (চনদ) বা মূল বাক্যৰ মাজত কম-বেছি কৰিছে বুলি প্রমাণিত হৈছে, তেওঁৰ বর্ণিত হাদীছক বানোয়াট বা মাউযু হাদীছ বোলে। এনেকুৱা ব্যক্তিৰ বর্ণিত হাদীছ গ্রহণযোগ্য নহয়। #গৰীব হাদীছ:- যি ছহীহ হাদীছ কোনো যুগত মাত্র এজন ৰাবীয়ে বর্ণনা কৰিছে তাকে গৰীব হাদীছ বোলা হয়। * মাৰফু, মাওকুফ আৰু মাকতু হাদীছ সম্পর্কে আৰু বিস্তাৰিত জানিবলৈ এই প্রৱন্ধটি পঢ়ক- হাদীছৰ বহুকেইটা পৰিভাষা http://www.quraneralo.com/common-hadith-terminologies/ হাদীছ বিষয়ক কিছু পৰিভাষাৰ সৰল সংজ্ঞা #JBR1-dot
1 Photo · 1 Photo
Tablighi Jama’at! 1 – Not adopting the ‘aqeedah of Ahl al-Sunnah wa'l-Jamaa'ah. This is clearly seen from the variations in the ‘aqeedah of some of their members and even of some of their leaders. 2 - They do some things that go against sharee’ah, such as appointing one of them to make du’aa’ for them whilst the group goes out for da’wah, and they think that their success or failure depends on whether or not this man was sincere and his du’aa’ accepted. 3 – Da’eef (weak) and mawdoo’ (fabricated) ahaadeeth are widespread among them, and this is not befitting for those who aim to call people to Allaah. Hence the scholars do not allow people to go out with them, except for those who want to help them and correct the mistakes that they have fallen into. We should not keep the people away from them altogether, rather we must try to correct their mistakes and advise them so that their efforts will continue and they will be correct according to the Qur’aan and Sunnah. There follow the fatwas of some of the scholars concerning Jamaa’at al-Tableegh: 1 – Shaykh ‘Abd al-‘Azeez ibn Baaz said: Jamaa’at al-Tableegh do not have proper understanding of the issues of ‘aqeedah, so it is not permissible to go out with them, except for one who has knowledge and understanding of the correct ‘aqeedah of Ahl al-Sunnah wa'l-Jamaa'ah, so that he can guide them and advise them, and cooperate with them in doing good, because they are very active, but they need more knowledge and someone who can guide them of those who have knowledge of Tawheed and the Sunnah. May Allaah bless us all with proper understanding of Islam and make us steadfast in adhering to it. Majmoo’ Fataawa al-Shaykh Ibn Baaz, 8/331 2 – Shaykh Saalih al-Fawzaan said: Going out for the sake of Allaah does not refer to the kind of going out that they mean nowadays. Going out for the sake of Allaah means going out to fight. What they call going out nowadays is a bid’ah (innovation) that was not narrated from the salaf. Going out to call people to Allaah cannot be limited to a certain number of days, rather one should call people to Allaah according to one's abilities, without limiting that to a group or to forty days or more or less than that. Similarly the daa’iyah must have knowledge. It is not permissible for a person to call people to Allaah when he is ignorant. Allaah says (interpretation of the meaning): “Say (O Muhammad): This is my way; I invite unto Allaah (i.e. to the Oneness of Allaah — Islamic Monotheism) with sure knowledge” [Yoosuf 12:108] i.e., with knowledge, because the caller must know that to which he calls people, what is obligatory, mustahabb, haraam and makrooh. He has to know what shirk, sin, kufr, immorality and disobedience are; he has to know the degrees of denouncing evil and how to do it. The kind of going out that distracts people from seeking knowledge is wrong, because seeking knowledge is an obligation, and it can only be achieved by learning, not by inspiration. This is one of the misguided Sufi myths, because action without knowledge is misguidance, and hoping to acquire knowledge without learning is an illusion. From Thalaath Mihaadaraat fi’l-‘Ilm wa’l-Da’wah. And Allaah knows best.
1 Photo · 1 Photo
ফরয, সুন্নত, নফল যেকোনো নামাযের সিজদাতে দুনিয়া বা আখেরাতের যেকোনো কল্যানের জন্য সিজদার তাসবীহগুলো পড়ার পরে দুয়া করা যায়। আরবীতে কুরআন ও হাদীস থেকে কিছু দুয়া মুখস্থ করে সে দুয়াগুলোই বেশী বেশী সিজদায় করা উচিত। কুরআনে বা হাদীসে বর্ণিত দুয়াগুলো যেমন রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া...রাব্বির হা’মহুমা কামা...এই দুয়াগুলো করতে পারবেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “বান্দা সিজদার অবস্থায় স্বীয় প্রভুর সর্বাধিক নিকটবর্তী হয়। অতএব তোমরা অধিক মাত্রায় (ঐ অবস্থায়) দো‘আ কর।” (মুসলিম ৪৮২, নাসায়ী ১১৩৭, আবূ দাউদ ৮৭৫, আহমাদ ৯১৬৫) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “রুকুতে তোমরা রবের বড়াই বর্ণনা কর (অর্থাৎ ‘সুবহানা রাবিবয়্যাল আযীম’ পড়)। আর সিজদায় দো‘আ করতে সচেষ্ট হও। কারণ, তোমাদের জন্য সে দো‘আ কবূল হওয়ার উপযুক্ত”। (মুসলিম ৪৭৯, নাসায়ী ১০৪৫, ১১২০, আবূ দাউদ ৮৭৬, ইবনু মাজাহ ৩৮৯৯, আহমাদ ১৯০৩, দারেমী ১৩২৫, ১৩২৬) """""""""""""""'''''' সিজদার বিভিন্ন দো‘আ ও যিক্‌র «سبحان ربي الأعلى» উচ্চারণ: সুবহানা রাব্বিয়াল আ‘লা। (মুসলিম) «سبحان ربي الأعلى وبحمده» (رواه أحمد وأبو داود والدار قطني والطبراني والبيهقي) উচ্চারণ: সুবহানা রবিবয়াল আ‘লা ওয়া বিহামদিহি। (আবু দাউদ, দারা কুতুনী, আহমাদ, ত্ববারানী ও বাইহাকী) অর্থ: আমার মহান রব্বের প্রশংসাপূর্ণ পবিত্রতা বর্ণনা করছি। অথবা চাইলে নিম্নোক্ত দো‘আ পড়বেঃ «سبحانك اللهم وبحمدك اللهم اغفرلي» (رواه البخاري ومسلم) উচ্চারণ: ‘‘সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রব্বানা ওয়াবিহামদিকা আল্লাহুম্মাগ্ ফিরলী।’’ অর্থ: হে আল্লাহ! তোমার সকল প্রশংসা বর্ণনা করছি এবং সকল দোষ হতে পবিত্রতা ঘোষণা করছি, আমাকে তুমি ক্ষমা কর। (বুখারী-মুসলিম) «سبّوح قدّوس رب الملائكة والروح» (رواه مسلم) উচ্চারণ: ‘‘সুববূহুন কুদ্দূসুন রব্বুল মালাইকাতি ওয়ার রূহ।’’ অর্থ: ফেরেশতামণ্ডলী ও জিবরাঈলের রব্ব সকল দোষত্রুটি থেকে পবিত্র। (মুসলিম) «سبحان ذي الجبروت، والملكوت، والكبرياء، والعظمة» (رواه أبو داود والنسائي) উচ্চারণ: সুবহানা যিল জাবারূতি ওয়াল মালাকুত ওয়াল কিবরিয়ায়ি ওয়াল ‘আজামাহ্। অর্থ: সকল দোষ হতে পবিত্র যিনি মহাপরাক্রমশীল, বিশাল সাম্রাজ্যের অধিকারী, অসীম গৌরব-গরিমা ও শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী। (আবু দাউদ ও নাসায়ী) «اللهم إني أعوذ برضاك من سخطك، وبمعافاتك من عقوبتك وأعوذ بك منك لا أحصى ثناء عليك أنت كما أثنيت على نفسك» (رواه مسلم) উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিরিদ্বা-কা মিন সাখাতিকা, ওয়া বিমু‘য়া-ফাতিকা মিন উকূবাতিকা, ওয়া আ‘উযু বিকা মিনকা লা উহসী সানা’য়ান ‘আলাইকা, আন্তা কামা আসনাইতা ‘আলা নাফসিকা। অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমার সন্তুষ্টির মাধ্যমে তোমার অসন্তুষ্টি হতে আশ্রয় চাই এবং তোমার ক্ষমার বিনিময়ে তোমার শাস্তি হতে আশ্রয় চাই, তোমার মাধ্যমেই তোমার নিকট হতে আশ্রয় চাই, তোমার গুণগান গেয়ে শেষ করতে পারবো না, তুমি যেভাবে নিজের স্তুতি বর্ণনা করেছে। (মুসলিম) «اللهم اغفرلي ذنبي كله، دقّه وجلّه وأوّله وآخره وعلانيّته وسره» (رواه مسلم) উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফিরলী যাম্বী কুল্লাহু দিক্কাহু ওয়া জিল্লাহু ওয়া আউয়ালাহু ওয়া আখিরাহু ও আলানিয়্যাতাহু ওয়া সির্রাহু। অর্থ: হে আল্লাহ্! ছোট ও বড় গুনাহ পূর্বের ও পরের গুনাহ এবং প্রকাশ্য ও গোপনীয় সকল গুনাহ খাতা মাফ করে দাও। (মুসলিম) «اللهم لك سجدت وبك آمنت، ولك أسلمت، سجد وجهي للذي خلقه وصوره وشق سمعه وبصره، تبارك الله أحسن الخالقين» (رواه مسلم) উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লাকা সাজাদতু ওয়া বিকা আ-মানতু ওয়ালাকা আসলামতু, সাজাদা ওয়াজহিয়া লিল্লাযী খালাকাহু ওয়া সাওয়ারাহু ওয়া শাক্কা সাম‘য়াহু ওয়া বাসারাহু, তাবারাকাল্লাহু আহসানুল খালিক্বীন। অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমাকেই সিজদা করি, তোমার প্রতি ঈমান এনেছি, তোমার নিকটই আত্মসমর্পণ করছি, আমার মুখমণ্ডল তাঁর জন্য সিজদায় অবনমিত যিনি উহা সৃষ্টি করেছেন, প্রতিরূপ দিয়েছেন এবং তার কর্ণ ও চক্ষু আলাদা করে সজ্জিত করেছেন, তিনি মহিমান্বিত আল্লাহ, সর্বোত্তম স্রষ্টা। (মুসলিম)
1 Photo · 1 Photo